বৃহস্পতিবার, ২৫ Jul ২০২৪, ০৯:১৭ অপরাহ্ন

জেলে সেজে সাড়ে বারো লাখ ইয়াবা জব্দ

জেলে সেজে সাড়ে বারো লাখ ইয়াবা জব্দ

অনলাইন বিজ্ঞাপন

ছবি- সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখছেন পুলিশ সুপার মো: মাহফুজুল ইসলাম।

 

 

ওয়াহিদুর রহমান রুবেল।।

ট্রলার নিয়ে মিয়ানমার থেকে ইয়াবার বড় চালান বাংলাদেশে আসছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে জেলে সেজে সারা রাত পাহারা দিয়ে দুপুরে অভিযান চালিয়ে জব্দ করা হয় ১২ লাখ ৫০ হাজার পিস ইয়াবা। তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে কেওড়া বনে পালিয়ে যায় পাচারকারীরা। জব্দ করা হয় পাচারে ব্যবহৃত ট্রলারটি।

সোমবার (২৯ এপ্রিল) দুপুর ১২টার দিকে কক্সবাজারের চকরিয়া খুটাখালী ইউনিয়নের পশ্চিমে মহেশখালী-কুতুবদিয়া চ্যানেলে অভিযান চালিয়ে ইয়াবার বৃহৎ এ চালান জব্দ করা হয়।

বিকেল চারটায় কক্সবাজার জেলা পুলিশ কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে ইয়াবা উদ্ধার অভিযানের বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরেন পুুলিশ সুপার মো: মাহফুজুল ইসলাম।

তিনি বলেন, ইয়াবার বড় একটি চালান মিয়ানমার থেকে সাগর পথে বাংলাদেশে প্রবেশ করছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে সম্ভাব্য সব স্থানে গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করে পুলিশ। এরই মধ্যে আমাদের কাছে খবর আছে ইয়াবার চালানটি মহেশখালী-কুতুবদিয়া চ্যানেল হয়ে চকরিয়ার খুটাখালিতে খালাস হতে পারে। তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত হয়ে চকরিয়া থানা পুলিশ জেলে সেজে সেখানে অবস্থান করে। সারা রাত পাহারা দেয়ার পর দুপুর বারোটার দিকে একটি ট্রলারকে শনাক্ত করে পুলিশ। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ট্রলারে থাকা লোকজন নদীতে ঝাঁপ দিয়ে পার্শ্ববর্তী কেওড়া বনে সাঁতারে পালিয়ে যায়। পরে ট্রলার তল্লাশি করে ইয়াবাগুলো জব্দ করা হয়।

তিনি বলেন, ইয়াবার সাথে কারা সম্পৃক্ত তাদের শনাক্ত করতে কাজ করছে পুলিশ।

এ সময় সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন পুলিশ সুপার। তিনি বলেন, যেসব ইয়াবাকারবারী আত্মসমর্পণ করেছিলো তাদের অনেকে নতুন করে ইয়াবা ব্যবসায় জড়িয়ে পড়ছে। অনেকে আমাদের হাতে গ্রেফতারও হয়েছে।

চকরিয়া থানার ওসি শেখ মোহাম্মদ আালী বলেন, আমাদের কাছে গোপন সংবাদ ছিল ফিশিং ট্রলারে করে ইয়াবার একটি বড় চালান মহেশখারী-কুতুবদিয়া চ্যানেল হয়ে চট্টগ্রাম দিকে যেতে পারে। এ খবর আমরা সারা রাত জেলে সেজে বিভিন্ন স্থানে অবস্থান করি। এ সময় সন্দেহভাজন একটি ফিশিং ট্রলারে অভিযান চালালে ট্রলারের চালকসহ লোকজন নদীতে সাঁতরে পালিয়ে যায়। পরে ফিশিং ট্রলারে থাকা ৫টি প্লাস্টিকের ড্রাম ভর্তি ১২৫টি প্যাকেটে ১২ লাখ ৫০ হাজার ইয়াবা বড়ি উদ্ধার করা হয়।


মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

নিবন্ধনের জন্য আবেদিত
Desing & Developed BY MONTAKIM