বুধবার, ২৪ Jul ২০২৪, ০৫:৪০ অপরাহ্ন

ব্রাহ্মনবাড়িয়ায় মাদরাসা ছাত্র হত্যার প্রতিবাদ কক্সবাজারে বিক্ষোভ

ব্রাহ্মনবাড়িয়ায় মাদরাসা ছাত্র হত্যার প্রতিবাদ কক্সবাজারে বিক্ষোভ

Exif_JPEG_420

অনলাইন বিজ্ঞাপন

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি:

ব্রাহ্মনবাড়িয়া জামেয়া ইউনুচিয়া মাদরাসায় আওয়ামী সন্ত্রাসীদের পৈশাচিক হামলায় মাদরাসার ছাত্র হাফেজ মাসুদ হত্যাকান্ডের প্রতিবাদে শহরে বিক্ষোভ করেছে কক্সবাজার কওমী মাদরাসা সংরক্ষণ পরিষদ। ১২ জানুয়ারী মঙ্গলবার বিকালে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ মিছিল শহরের খুরুশকুল রাস্তার মাথা এলাকা থেকে শুরু হয়ে পৌরসভা চত্ত্বরে সমাবেশে মিলিত হয়।

কক্সবাজার কওমী মাদরাসা সংরক্ষণ পরিষদের আহবায়ক মাওলানা হাফেজ কামালের সভাপতিত্বে সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন প্রবীন আলেমে দ্বীন মাওলানা মোহাম্মদ মুসলিম। সমাবেশে বিশেষ অতিথি ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জেলা সভাপতি মাওলানা মোহাম্মদ আলী ও হেফাজতে ইসলামের জেলা সাধারণ সম্পাদক মাওলানা ইয়াছিন হাবীব।

বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, ব্রাহ্মনবাড়িয়ার সহকারী পুলিশ সুপার তাপস রঞ্জন বোস, থানার ওসি আকুল চন্দ্র বিশ্বাস এ ঘটনার সাথে সরাসরি জড়িত। তাদের সহযোগিতায় সরকারীদলের স্বশস্ত্র সন্ত্রাসীরা নিরপরাধ ছাত্র-শিক্ষকের ওপর হামলা চালায়। এ ঘটনার ইন্দনদাতা হিসাবে মৎস্য ও পশু সম্পদ মন্ত্রী এডভোকেট সায়েদুল হককে দায়ী করে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তার অপসারণসহ সংশ্লিষ্ট সকলের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবী জানায় বক্তারা।

বিক্ষুব্ধ আলেমরা বলেন, ১১ জানুয়ারী গভীর রাতে ঘুমন্ত শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ওপর অমানবিক ও পৈশাসিক কায়দায় হামলায় চালায় আওয়ামীলীগের স্বশস্ত্র সন্ত্রাসীরা। এ সময় সন্ত্রাসীরা মাদরাসা ছাত্র হাফেজ মাসুদকে মাদরাসা ভবনের ৩ তলা থেকে নীচে ফেলে দেয়। এতেও ক্ষান্ত হয়নি আওয়ামী হায়েনারা। পা-চাপা দিয়ে গুলি করে নিরীহ ছাত্র মাসুদের মৃত্যু নিশ্চিত করেছে আওয়ামী নরপিশাচরা। এ সময় সন্ত্রাসী হামলায় শতাধিক ছাত্র-শিক্ষক আহত হয়। আহত অনেকেই মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ উপস্থিত হলেও তাদের ভুমিকা রহস্যজনক ছিল বলে অভিযোগ করেন বিক্ষুব্ধ আলেমরা।

তারা বলেন, বিনা কারণে ফটক ভেঙে রাতের অন্ধকারে মাদরাসায় ঢুকে আলেম ওলামা ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায় সরকারদলীয় সন্ত্রাসীরা। ন্যাক্কারজনক এ ঘটনা কোনভাবেই মেনে নেয়ার মতো নয়। নেতৃবৃন্দ বলেন, এ ঘটনায় জড়িতদের শাস্তি না হলে পরবর্তী পরিস্থিতির জন্য সরকারকে দায়ী থাকতে হবে।
মাওলানা নুরুল হক চকোরীর পরিচালনায় বিক্ষোভ সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন মাওলানা মুহসেন শরীফ, হাফেজ মুবিনুল হক, মাওলানা মনজুর ইলাহী, মাওলানা আব্দুর রাজ্জাক, মাওলানা এহতেশামুল হক, সায়েম হোসেন চৌধুরী, মাওলানা নেজামুর রহমান, মাওলানা হুমায়ুন কবির, মাওলানা খালেদ সাইফি প্রমুখ। নির্মম হত্যাকান্ডের প্রতিবাদে ১৩ জানুয়ারী বুধবারের হরতাল সফল করতে জেলাবাসীর প্রতি আহবান জানান মাওলানা মুসলিম ও মাওলানা হাফেজ কামাল।


মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

নিবন্ধনের জন্য আবেদিত
Desing & Developed BY MONTAKIM