বুধবার, ২৪ Jul ২০২৪, ০৫:১২ অপরাহ্ন

দেশে আবারও জঙ্গি হামলা পরিকল্পনা; তিন তরুণকে গ্রেফতার

দেশে আবারও জঙ্গি হামলা পরিকল্পনা; তিন তরুণকে গ্রেফতার

অনলাইন বিজ্ঞাপন

নিজস্ব প্রতিবেদক

নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন ‘আনসার আল ইসলাম’র সক্রিয় ৩ সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে দাবি করেছে র‌্যাব-১৫ কক্সবাজার এবং র‍্যাব-৭ চট্টগ্রামের যৌথ টিম। বৃহস্পতিবার (২৭ জুন) রাতে কক্সবাজার সদরের চৌফলদন্ডী হতে তাদের গ্রেফতারের পর শুক্রবার সকালে র‍্যাব-১৫ এর কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তাদের আটকের বিষয়টি জানানো হয়।

এসময় উগ্রপন্থী ১০টি বই, ২৯টি লিফলেট, একটি ডায়েরী, দুটি মাদ্রাসা পরিচয়পত্র, দুটি এনআইডি, একটি এন্ড্রয়েড ও একটি বাটন মোবাইল এবং ৪ হাজার ৫৯০ টাকা উদ্ধার করা হয়।

র‍্যাবের ফোর্সেস আইন ও গনমাধ্যম শাখা পরিচালক আরাফাত ইসলাম বলেন, নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠনগুলো একত্রিত হয়ে বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা জঙ্গিদের নিয়ে দেশে হামলা ও নাশকতার পরিকল্পনা নিচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে কক্সবাজারে বৈঠক করতে এসেছিল আটককৃতরা। একই সাথে ১৮-২০ বছরের ছেলেদের টার্গেট করে সদস্য সংগ্রহও করছে তারা। বর্তমানে পাশ্ববর্তী একটি দেশ থেকে নিষিদ্ধ সংগঠন “আনসার আল ইসলাম” সংগঠনটি পরিচালিত হচ্ছে। বাংলাদেশকে তাদের একটি শাখা বলে দাবি করে সংগঠনটি।

গ্রেফতারকৃতরা হলো, জামালপুরের ইসলামপুরের আবদুল ওহাবের ছেলে মো. জাকারিয়া মন্ডল (১৯), ভোলার বোরহান উদ্দিনের নুরুল আমিনের ছেলে মো. নিয়ামত উল্লাহ (২১) ও ফেনীর সোনাগাজীর ইদ্রিস আলীর ছেলে মো. ওজায়ের।

আরাফাত ইসলাম বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা জানায়, তারা নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন ‘আনসার আল ইসলাম’র সক্রিয় সদস্য। তারা আফগানিস্থানে তালেবানের উত্থানে উদ্বুদ্ধ হয়ে আল কায়েদা মতাদর্শের জঙ্গি সংগঠন ‘আনসার আল ইসলামে’ যোগদান করে। র‌্যাবসহ অন্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর নিয়মিত অভিযানের ফলে আনসার আল ইসলামর কার্যক্রম প্রায় স্তিমিত হয়ে পড়ে। পরে সংগঠনের নতুন সদস্য সংগ্রহসহ অন্যান্য কার্যক্রম পরিচালনা করতে “আনসার আল ইসলাম মতাদর্শী ‘আস-শাহাদাত’ নামে নতুন একটি জঙ্গি গ্রুপ তৈরি করে নতুন সদস্য সংগ্রহসহ দাওয়াতী কার্যক্রম পরিচালনা করছিল। এই গ্রুপটি পার্শ্ববর্তী একটি দেশ হতে পরিচালিত হচ্ছে এবং এই সংগঠনের সদস্য সংখ্যা আনুমানিক ৮৫-১০০ জন।

 এই গ্রুপটির প্রতিষ্টাতা হলেন পার্শ্ববর্তী দেশের নাগরিক হাবিবুল্লাহ এবং কথিত আমির সালাহউদ্দিন।

তবে, কক্সবাজারে কার সাথে তারা বৈঠক করছিল বা তারা তিন জেলার তিন তরুণ কিভাবে একত্রিত হলো সেই বিষয়ে কোন তথ্য খোলাসা করা হয়নি।

তবে দেশের কোথাও জঙ্গি হামলার আশঙ্কা নেই বলে উল্লেখ করেছেন গোয়েন্দা সংস্থার দায়িত্বশীল সূত্র। এ ধরনের কোন তথ্যও নেই বলে জানান তারা।


মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

নিবন্ধনের জন্য আবেদিত
Desing & Developed BY MONTAKIM