বৃহস্পতিবার, ২৫ Jul ২০২৪, ১১:০৬ অপরাহ্ন

বঙ্গোপসাগরে ট্রলার ডুবির ঘটনায় উদ্ধার ৫৫ জন

বঙ্গোপসাগরে ট্রলার ডুবির ঘটনায় উদ্ধার ৫৫ জন

অনলাইন বিজ্ঞাপন

ছবি সংগ্রহীত।

 

বিশেষ প্রতিবেদক:

বঙ্গোপসাগরে ঝড়ের কবলে পড়ে বেশ কিছু মাছ ধরার ও লবন বোঝাই ট্রলার ডুবির ঘটনা ঘটেছে। এ পর্যন্ত কক্সবাজার ও চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপকূল থেকে ৫৫ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে কক্সবাজার সদর উপজেলার খুরুশকুল এলাকার নেজাম উদ্দিনের মালিকানাধীন একটি ট্রলার থেকে ২১ জন ও কুতুবদিয়া এলাকার বাসিন্দা আবুল কাশেমের মালিকানাধীনসহ কয়েকটি ট্রলারের আরও ৩৪জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া আরও প্রায় অর্ধশত মাঝি-মাল্লা নিখোঁজ রয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে।

বুধবার (৮ মে) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে কক্সবাজার থেকে প্রায় ১৫ কিলোমিটার দুরে বঙ্গোপসাগর এবং চট্টগ্রামের আনোয়ারা ‍উপকূলে ঝড়েরে কবলে পড়ে এ দুর্ঘটনাটি ঘটে।

নিখোঁজ ট্রলার মালিক নেজাম উদ্দিন বলেন, বুধবার (৮মে) ভোর সাড়ে চারটার দিকে আমার মালিকানাধীন ট্রলারটি সাগরে মাছ ধরতে যায়। কিন্তু দূর্ভাগ্যবসত সকাল সাড়ে নয়টার দিকে কালবৈশাখী ঝড়ে কবলে পড়ে। এতে ট্রলারটি ডুবে গেলে সব জেলে সাগরে ভাসতে থাকে। খবর পেয়ে দ্রুত জাতীয় সেবা ৯৯৯ নাম্বারে ফোন করি এবং আমরা অন্য একটি ট্রলার নিয়ে সাগরে এসে তাদের উদ্ধারে গিয়ে সবাইকে উদ্ধার করতে সক্ষম হই। কিন্তু মূল্যবান ট্রলারটি খোঁজে পায়নি।

এদিকে একই দিন ঝড়ের কবলে পড়ে চট্টগ্রামের আনোয়ারার উপকূলে লবণবাহী ট্রলার ডুবির ঘটনায় ৩৪ জনকে উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড ও নৌ-পুলিশ। ট্রলারগুলো কুতুবদিয়া, মহেশখালী এবং বাঁশখালী এলাকার বলে জানা গেছে।

উদ্ধার হওয়া মাঝি-মাল্লাদের মধ্যে ১৩ জনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তারা হলেন, কুতুবদিয়া উপজেলার তৌফিক এলাহী ট্রলারের মাঝি মো. মানিক, নুরুল আমিন, মো. আনিস, বাঁশখালী উপজেলার আল্লাহ্ দান ট্রলারের মো. জিয়া মাঝি, মোহাম্মদ আলী, মো. মানিক, মো. সোহেল, মো. মনছুর, জাবেদ আহমদ, বার আউলিয়া ট্রলারের মাঝি মো. ফারুক, বদি আলম, আবু হানিফ ও আবু তৈয়ব।

তাদের উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গহিরা বার আউলিয়া নৌ পুলিশের ইনচার্জ টিটু দত্ত।

নিখোঁজ বার আউলিয়া ট্রলারের মালিক কক্সবাজারের কুতুবদিয়া এলাকার বাসিন্দা আবুল কাশেম বলেন, আমার ট্রলারটি লবণ নিয়ে কুতুবদিয়া থেকে চট্টগ্রামের দিকে যাচ্ছিলো। বঙ্গোপসাগরে ঝড়ের কবলে পড়লে এটি ডুবে যায়। ট্রলারে থাকা সব মাঝি-মাল্লাদের উদ্ধার করা হলেও নষ্ট হয়েছে লবন ও ২০ লাখ টাকা মূল্যের ট্রলারটি।

গহিরা নৌ-পুলিশের ইনচার্জ টিটু দত্ত বলেন, ট্রলার ডুবির খবর পেয়ে কোস্টগার্ড ও নৌ পুলিশ দুুটি টিম বঙ্গোপসাগরে অভিযান চালিয়ে ৩৪ জনকে উদ্ধার করেছি। এখনও অনেকে নিখোঁজ রয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। আমরা তাদের উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রেখেছি।


মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

নিবন্ধনের জন্য আবেদিত
Desing & Developed BY MONTAKIM