বুধবার, ২৪ Jul ২০২৪, ০৫:৪৬ অপরাহ্ন

কক্সবাজারে বৃষ্টির জন্য দোয়া কামনা

কক্সবাজারে বৃষ্টির জন্য দোয়া কামনা

অনলাইন বিজ্ঞাপন

ওয়াহিদুর রহমান রুবেল।।

তীব্র তাপপ্রবাহ থেকে রক্ষা পেতে বৃষ্টির প্রার্থনায় নামাজ আদায় করেছেন মুসল্লিরা। বৃহস্পতিবার (২৫ এপ্রিল) সকালে শহরের হাশেমিয়া কামিল মাদ্রাসা মাঠে প্রচন্ড রুদে দাঁড়িয়ে ইসতিসকার (বৃষ্টির জন্য যে নামাজ পড়া হয়) নামাজ আদায় করেন তারা।

নামাজ শেষে আল্লাহর কাছে বৃষ্টির জন্য প্রার্থনা করা হয়। পাপ মোচনের ক্ষমা চাওয়া হয়।

মুসল্লিরা জানান, এ বছর গ্রীষ্মের প্রচন্ড তাপে পুড়ছে দেশ। কোথসও স্বস্তি নেই। শিশু ও বৃদ্ধরা কঠিন সময় পার করছেন। শুকিয়ে যাচ্ছে কৃষকের ফসলের মাঠ। তাই আল্লাহর কাছে ক্ষমা চেয়ে বৃষ্টির জন্য নামজ ও দোয়ার আয়োজন করা হয়। সকালে দশটার দিকে নামাজ আদায় করার কথা থাকলেও সাড়ে দশটার দিকে শুরু হয় নামাজ। এতে বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ ও রাজনৈতিক নেতারা অংশ নেন।

দুই রাকাত নামাজ আদায় করেন। নামাজ শেষে দুই হাত তুলে প্রচণ্ড গরম, তীব্র তাপপ্রবাহ ও খরা থেকে রক্ষা পেতে বৃষ্টি চেয়ে আল্লাহর কাছে মোনাজাত করেন তারা।

মুসল্লি হিসেবে উপস্থিত আব্দু জাব্বার বলেন, প্রচন্ড তাপ। বিভিন্ন স্থানে নলকূলে পানি উঠছে না। ক্ষেত নষ্ট হচ্ছে। তাই বৃষ্টি চেয়ে নামাজের মাধ্যমে কান্নাকাটি করে আল্লাহর কাছে সবাই দোয়া করেছেন।

এম ইউ বাহদুর নামে আরেক মুসল্লি বলেন, দীর্ঘদিন অনাবৃষ্টির কারণে মানুষ, পশুপাখি গাছপালাসহ সবাই কষ্টে আছে। সে জন্য আল্লাহর কাছে বৃষ্টি চেয়ে নামাজ পড়েছি।

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, কোরআন-হাসিদের আলোকে যতটুকু জানা গেছে, তা হলো মানুষের সৃষ্ট পাপের কারণেই মহান আল্লাহ এমন অনাবৃষ্টি ও খরা দেন। বৃষ্টিপাত না হলে আমাদের প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মদ (স.) সাহাবিদের নিয়ে খোলা ময়দানে ইসতিসকার নামাজ আদায় করতেন। সে জন্য তারা মহান সৃষ্টিকর্তার কাছে পাপের জন্য তওবা করে এবং ক্ষমা চেয়ে দুই রাকাত নামাজ আদায় করে বৃষ্টির জন্য প্রার্থনা করেছেন।

এদিকে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, গেল সপ্তাহে এভারিজ হিসেব করলে ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। তবে ১৩ এবং ১৪ এপ্রিল মৌসুমের সর্বোচ্চ ৩৮ ডিগ্রি সেলিসিয়াস তাপমাত্রার রেকর্ড হয়েছে কক্সবাজারে।


মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

নিবন্ধনের জন্য আবেদিত
Desing & Developed BY MONTAKIM