সোমবার, ২০ মে ২০২৪, ০৩:১২ অপরাহ্ন

দক্ষিণ মেরুর বরফেই অবতরণ করল ‘বোয়িং ৭৪৭’

দক্ষিণ মেরুর বরফেই অবতরণ করল ‘বোয়িং ৭৪৭’

অনলাইন বিজ্ঞাপন

আলোকিত কক্সবাজার ডেক্স॥

দক্ষিণ মেরু বা অ্যান্টার্কটিকা পৃথিবীর শুধু দক্ষিণতমই নয়, শীতলতম ও শুষ্কতম মহাদেশ। এখানে বিমান অবতরণের কোনো রানওয়ে নেই, নেই এয়ারপোর্টও। কিন্তু এ বরফের মাঝেই সুপরিসর বোয়িং ৭৪৭ বিমান অবতরণ করে সাড়া ফেলে দিল একটি প্রতিষ্ঠান। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে ম্যাশেবল।
বিমান যাত্রার প্রতিনিয়ত নানা উন্নতি দৃশ্যমান হচ্ছে। আর এ দৃশ্যপটে যোগ হয়েছে অ্যান্টার্কটিকার নীল বরফে সুপররিসর বিমান অবতরণ।
অ্যান্টার্কটিকার ইউনিয়ন গ্লেসিয়ার এলাকার বরফ অনেকখানি পুরু। আর সেখানে নীল বরফের বিস্তীর্ণ সমতল এলাকা থাকায় সে স্থানটিকেই বিমান অবতরণের জন্য বেছে নেয় সংস্থাটি। এ স্থানে আগেও সামরিক-বেসামরিক বিমান অবতরণ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে রাশিয়ান সামরিক বিমানও। তবে সুপরিসর বাণিজ্যিক ‘বোয়িং ৭৪৭’ এ স্থানে অবতরণ এটাই প্রথম।

কিন্তু কী কারণে এখানে বিমান অবতরণ? জানা গেছে, এ স্থানে পরবর্তীতে পর্যটকবাহী বিমান পরিবহনের সম্ভাব্যতা যাচাই করতেই লোফটলেইডির নামে সংস্থাটি এ উদ্যোগ নিয়েছে।
অ্যান্টার্কটিকা পৃথিবীর শীতলতম, শুষ্কতম এবং ঝড়ো হাওয়াপূর্ণ মহাদেশ। অ্যান্টার্কটিকাকে একটি মরুভূমি হিসেবে বিবেচনা করা হয়, কারণ সেখানে বার্ষিক বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ২০০ মিমি। এখানে স্থায়ীভাবে মানুষ বাস করে না, তবে মহাদেশজুড়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা বিভিন্ন গবেষণা স্টেশনে কয়েক হাজার মানুষ বছরের বিভিন্ন সময় অবস্থান করে। এছাড়া প্রবল শৈত্যের সাথে লড়াই করতে সক্ষম উদ্ভিদ ও প্রাণীই এ মহাদেশে টিকে থাকতে সক্ষম, যার মধ্যে রয়েছে পেঙ্গুইন, সিল, নেমাটোড, টার্ডিগ্রেড, মাইট, বিভিন্ন প্রকার শৈবাল এবং অন্যান্য মাইক্রোঅর্গানিজম এবং তুন্দ্রা উদ্ভিদ রয়েছে, যা পর্যটকদের আগ্রহ জাগাতে পারে। আর এ সুযোগ কাজে লাগাতেই পর্যটকবাহী বিমান চালানোর সম্ভাবনা যাচাই করছে সংস্থাটি।

সূত্র-কালের কণ্ঠ


মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

নিবন্ধনের জন্য আবেদিত
Desing & Developed BY MONTAKIM