রবিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০২:২২ পূর্বাহ্ন

অপহৃতের মধ্যে অপহরণকারী রয়েছে !

অপহৃতের মধ্যে অপহরণকারী রয়েছে !

অনলাইন বিজ্ঞাপন

ছবি-সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখছেন পুলিশ সুপার মো: মাহফুজুল ইসলাম।
।।ওয়াহিদ রুবেল।।
প্রায় ৩৬ ঘন্টা শ্বাসরুদ্ধকর অভিযান চালিয়ে টেকনাফ বাহারছড়ার দূর্গম পাহাড়ি এলাকা থেকে অপহৃত সাতজনকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। ১৭ মার্চ সন্ধ্যা পৌনে সাতটার তাদের উদ্ধার করা হয়। এরআগেও দিনব্যাপী উদ্ধার অভিযান চালায় পুলিশ। এ ঘটনায় জড়িত থাকার সন্দেহে দুইজনকে আটক করেছে পুলিশ।
আটককৃতরা হলেন, মোঃ সেলিম প্রকাশ ছলিম ও ইসহাক চৌকিদার।
অপহৃতদের মধ্যে গিয়াস উদ্দিন, জায়নুল ইসলাম ও আরিফ উল্লাহ সরাসরি অপহরণের সাথে জড়িত বলে ধারণা করা হচ্ছে।
আটককৃতরা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানায় যে, গেল ১৬ মার্চ অপহৃতরা পানের বরজের কিঞ্চির আনতে পাহাড়ে গেলে ৬ জনের একদল দুর্বৃত্ত তাদের ধরে নিয়ে যায়। তাদের মধ্যে দুইজনকে ছেড়ে দিয়ে বাকিদের কাছ থেকে মুক্তিপণ দাবি করে।
শনিবার (১৮ মার্চ) দুপুরে পুলিশ সুপার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেছেন পুলিশ সুপার মো: মাহফুজুল ইসলাম।
এ সময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রফিকুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।
তিনি বলেন, টেকনাফ বাহারছড়া এলাকার একই স্থানে কেন অপহরণের ঘটনা ঘটেছে তা নিয়ে কাজ করছে পুলিশ। তবে নানা কারণে স্থানীয় চৌকিদারকে আটক করা হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, অপহরণের ঘটনায় চৌকিদারের ছেলে গিয়াস উদ্দিনও ছিলো। কিন্তু চৌকিদার এ সংক্রান্ত কোন তথ্য পুলিশ কিংবা জনপ্রতিনিধি কাউকে খবর দেন নি। বরং নিশ্চুপ থেকে অন্যান্য অপহৃতের বাড়ি গিয়ে দ্রুত মুক্তিপণ দিতে চাপ দিতে থাকে। এমন কি চৌকিদারের ২য় স্ত্রীর মোবাইল নাম্বার দিয়ে অপহরণ চক্রের সদস্য আইয়ুব কথা বলেন এবং মুক্তিপণের টাকার লেনদেন করেছে। এছাড়া ছেলে গিয়াস উদ্দিন সকাল ১০টার দিকে মুক্ত হলেও পুলিশের নিকট সম্পূর্ণ গোপন রাখে।
পুলিশ সুপার আরো বলেন, অপহৃতের মধ্যে তিনজনকে কোন প্রকার আঘাত করেনি দুর্বৃত্তরা। বাকি তিনজনকে আঘাত করা হয়। তাই সন্দেহের তীর তাদের দিকে। ইতিমধ্যে বেশ কিছু লোককে নাম আমাদের হাতে এসেছে। তদন্তের স্বার্থে নামগুলো গোপন রাখা হচ্ছে।
এদিকে গত ১৬ মার্চ দুপুর সাড়ে বারোটার দিকে টেকনাফ বাহারছড়া ইউপির জাহাজপুরা পাহাড়ী এলাকা থেকে দুর্বৃত্তের হাতে অপহরণের শিকার হন টেকনাফ বাহারছড়ার জাহাজপুরা এলাকার মোহাম্মদ ইসহাক চকিদারের ছেলে গিয়াস উদ্দিন (১৭),  মৃত বশির আহমদের ছেলে ফজল করিম(৩৮), মৃত নজির আহম্মাদের ছেলে আরিফ উল্লাহ(২২), মৃত হায়দারের ছেলে রশিদ আলম (২৮), তার ভাই জাফর আলম(৩৮), জাফর আলমের ছেলে জাফরুল ইসলাম (৩৫) এবং জাফর আলমের ছেলে জায়নুল ইসলাম (৪৫)।


মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

নিবন্ধনের জন্য আবেদিত
Desing & Developed BY MONTAKIM