শনিবার, ১৩ Jul ২০২৪, ১০:০৪ পূর্বাহ্ন

পর্যটন শিল্প বিকাশে ভূমিকা রাখবে “টিএম বার্মিজ মার্কেট”

পর্যটন শিল্প বিকাশে ভূমিকা রাখবে “টিএম বার্মিজ মার্কেট”

অনলাইন বিজ্ঞাপন

ছবি- কলাতলীতে নির্মিত “টিএম বার্মিজ মার্কেট।

 

 

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

অবশেষে কক্সবাজারে পর্যটন শিল্পের সাথে যুক্ত হচ্ছে “টিএম বার্মিজ মার্কেট”। এ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানটি সম্পূর্ণ চালু হলে ভ্রমনে আসা পর্যটকদের চাহিদা পূরণ করবে বলে মনে করেন ব্যবসায়ীরা। কক্সবাজার শহরের কলাতলী সমুদ্র সৈকতের পার্শ্বে স্থাপিত এ মার্কেটে বার্মিজ পণ্যসহ পর্যটকদের চাহিদা মতো দেশি বিদেশী সব ধরনের পণ্যের সমহার থাকবে।

মার্কেটের স্বত্বাধিকারী এনামুল হক জানান, দেশী-বিদেশী পর্যটকদের কথা চিন্তা করে কক্সবাজারে বৃহত্তম মার্কেটটি নির্মাণ করা হয়েছে। ৩৫ শতক জায়গার উপর গড়ে তোলা টিএম বার্মিজ মার্কেটে মোট ৭০ টি দোকান রয়েছে। ইতিমধ্যে ব্যবসায়ীদের কাছে দোকান হস্তান্তর করা হয়েছে। ব্যবসায়ীরাও নিজেদের মনের মতো করে সাজিয়ে নিচ্ছেন দোকান।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, সরকার কক্সবাজারে পর্যটন শিল্প বিকাশে মাস্টারপ্ল্যান হাতে নিয়েছে। আর এক শ্রেণীর লোক পর্যটন শিল্প বিকাশে বাঁধাগ্রস্ত করতে নানামুখি ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে। যারফলে অনেক সময় বেসরকারি উদ্যোগ মুখথুবড়ে পড়ে থাকে। ভবিষ্যতে কেউ যেন পর্যটন শিল্প বিকাশে বাঁধাগ্রস্ত করতে না পারে সেজন্য সংশ্লিষ্টদের কঠোর হতে হবে।

পর্যটক সংশ্লিষ্টরা জানান, করোনাকালীন লকডাউনের কারণে বড় ধরনের বিপর্যয়ের মুখে পড়েন ব্যাবসায়ীরা। আধুনিক সুবিধা সম্পন্ন ‘টি এম বার্মিজ মার্কেট’ চালু হলে বিগত বছরগুলোর লোকসান কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ পাবে তারা।

ব্যবসায়ীরা জানান, টিএম বার্মিজ মার্কেটে বার্মিজ আচার, চকলেট, কাপড়, জুতা, খেলনা, কসমেটিকস, শামুকের তৈরী বিভিন্ন পণ্য ও পর্যটকদের চাহিদা অনুযায়ী থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়ান ও দেশী-বিদেশীয় পণ্যের সরবরাহ করা হবে।

ব্যবসায়ী মোঃ ওসমান বলেন, বার্মিজ ও দেশী-বিদেশী পণ্যে নিয়ে সাজানো হচ্ছে প্রতিটি দোকান। আশা করছি লোকসান উঠা সম্ভব হবে।

আরকে ব্যবসায়ী সিরাজুল ইসলাম বলেন, প্রতিবছর কয়েক লাখ পর্যটক কক্সবাজারে আসেন। ফিরে যাওয়ার সময় তারা পরিবার ও প্রিয়জনের জন্য অনেক পণ্য উপহার হিসেবে নিয়ে যান। কিন্তু এতদিনও পর্যটকদের চাহিদা পূরণে ব্যর্থ হয়েছি আমরা। কলাতলীতে টিএম বার্মিজ মার্কেটটি চালু হলে পর্যটকদের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি ব্যবসায়ীরাও সফলভাবে ব্যবসা করতে পারবেন।

তবে পর্যটক ও ব্যবসায়ীদের নিরাপত্তায় আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর আরো নজরদারি বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন পর্যটন সংশ্লিষ্টরা।

জানতে চাইলে কক্সবাজার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ রফিকুল ইসলাম ব্যবসায়ীদের নিরাপত্তায় সচেষ্ট রয়েছেন বলে জানান।

ট্যাুরিস্ট পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার সেহরিন আলম বলেন, পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সব সময় মাঠে থাকে ট্যাুরিস্ট পুলিশের সদস্যরা।##


মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

নিবন্ধনের জন্য আবেদিত
Desing & Developed BY MONTAKIM