বাংলাদেশ, , রোববার, ২৭ নভেম্বর ২০২২

তারেক রহমান মানে দুর্নীতির বরপুত্র : তথ্যমন্ত্রী

আলোকিত কক্সবাজার ।।  সংবাদটি প্রকাশিত হয়ঃ ২০২২-১১-১৯ ২২:০৩:৩৮  

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, তারেক রহমান মানে হচ্ছে দুর্নীতিতে পরপর পাঁচবার চ্যাম্পিয়ন, দুর্নীতির বরপুত্র। আলী বাবার চল্লিশ চোরের বড় চোরের নাম আমি জানি না, কিন্তু কাউকে যদি জিজ্ঞেস করা হয় হাওয়া ভবনের সবচে বড় চোর কে? সবাই বলবে, তারেক জিয়া। হাওয়া ভবনের সবচেয়ে বড় চোর ও সন্ত্রাসীদের হাতে দেশ তুলে দেওয়া যাবে না।

আজ শনিবার (১৯ নভেম্বর) দুপুরে চট্টগ্রাম ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে চট্টগ্রাম উত্তর জেলা কৃষক লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

এর আগে তথ্যমন্ত্রী আগামী ৪ ডিসেম্বর চট্টগ্রামের পলোগ্রাউন্ড মাঠে প্রধানমন্ত্রীর জনসভাস্থল পরিদর্শন করেন। এ সময় দলের দায়িত্বশীল নেতারাও সাথে ছিলেন।

তিনি বলেন, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল সাহেব বলেছেন উনারা যদি আওয়ামী লীগকে বিদায় দিতে পারেন তাহলে তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার গঠন করবেন। আর বিএনপি নেতা আসাদুল হক দুলু নাকি বলেছেন যদি তারা ক্ষমতায় যায়, পিঠের চামড়া তুলে ফেলবে। ওরা যদি আবার ক্ষমতায় যেতে পারে তাহলে সব মানুষের পিঠের চামড়া তুলে ফেলবে। যারা মানুষের পিঠের চামড়া তুলে ফেলতে চায় তাদের হাতে দেশ তুলে দিতে পারি না, তাই সবাই ঐক্যবদ্ধ হোন।

উত্তর জেলা কৃষক লীগের সভাপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর সভাপতিত্বে সম্মেলন উদ্বোধন করেন কৃষক লীগের সভাপতি কৃষিবিদ সমীর চন্দ। সাংগঠনিক প্রতিবেদন পেশ করেন উত্তর জেলা সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এম এ সালাম, সাধারণ সম্পাদক শেখ আতাউর রহমান, কেন্দ্রীয় কৃষক লীগ নেতা আকবর আলী চৌধুরী, রেজাউল করিম রেজা প্রমুখ।

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, বিএনপি হচ্ছে শীতের পাখি। শীতকালে যেমন সাইবেরিয়া থেকে শীতের পাখিরা এসে আমাদের এখান থেকে ধান খেয়ে মোটাতাজা হয়ে আবার চলে যায়, বিএনপিও হচ্ছে শীতের পাখির মতো। পাঁচ বছর খবর নেই, নির্বাচন যখন আসে তখন শীতের পাখির মতো আসবে। এই শীতের পাখিদের আর সুযোগ দেওয়া যাবে না।

তিনি বলেন, বিএনপি আবার সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড শুরু করেছে, এরা জনগণের শত্রু, এরা দেশের শত্রু, এদের সর্বপর্যায়ে প্রতিহত করতে হবে। যারা হাওয়া ভবন বানিয়ে মানুষের কাছ থেকে চাঁদা তুলত, যারা বিদ্যুৎ না দিয়ে খাম্বা লাগাত, যারা একুশে আগস্টে গ্রেনেড হামলা করেছে, যারা এস এম কিবরিয়া, আহসান উল্লাহ মাস্টার, মঞ্জুরুল ইমামকে হত্যা করেছে, যারা সারা দেশে বাংলা ভাই সৃষ্টি করে গাছের সাথে টাঙিয়ে মানুষ হত্যা করেছে, পাঁচ শ জায়গায় বোমা ফাটিয়েছে, তাদের হাতে দেশ তুলে দিতে পারি না।

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী বলেন, কৃষক লীগ জননেত্রী শেখ হাসিনার অত্যন্ত পছন্দের সহযোগী সংগঠন। করোনা মহামারির সময় যেভাবে কৃষক লীগের নেতাকর্মীরা মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে সেটি সত্যিই অনন্য। কৃষকরা যখন ধান কাটার মানুষ পাচ্ছিল না, তখন কৃষক লীগের নেতাকর্মীরা ধান কেটে মাথায় করে কৃষকের বাড়ি পৌঁছে দিয়েছে। চৌদ্দ বছর আগে দেশের অবস্থা কি ছিল, সেটি কৃষক লীগের নেতাকর্মীদের মানুষকে মনে করিয়ে দিতে হবে। জননেত্রী শেখ হাসিনার ক্যারিশমাটিক যাদুকরী নেতৃত্বের কারণে দেশের এই পরিবর্তন হয়েছে।

তিনি বলেন, দেশের পরিবর্তন অনেকের পছন্দ নয়, এই পরিবর্তনের কারণে দেশের মানুষ আজকে শেখ হাসিনার পেছনে ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। এজন্য এই পরিবর্তন তাদের সহ্য হয় না। এজন্য বিএনপি এখন সারাদেশে সমাবেশ করছে। সমাবেশ করে সন্ত্রাসীদের জড়ো করছে। গতকাল কাঁচপুর ব্রিজের নামফলক জ্বালিয়ে দিয়েছে। অর্থাৎ তারা আবার সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড শুরু করেছে।

ফখরুল-রিজভী এবং গয়েশ্বর বাবুরা যাই বলুক না কেন, কয়েক দিন আগে বিশ্বব্যাংকের ভাইস প্রেসিডেন্ট এসে প্রধানমন্ত্রীর সাথে দেখা করে বলে গেছেন বাংলাদেশ যে অগ্রগতি করেছে এটা পৃথিবীর জন্য উদাহরণ, বিস্ময়কর অগ্রগতি- বলেন তথ্যমন্ত্রী।

সূত্র-কালেরকণ্ঠ


পূর্ববর্তী - পরবর্তী সংবাদ
                                       
ফেইসবুকে আমরা