বাংলাদেশ, , রোববার, ২৭ নভেম্বর ২০২২

সম্পদ আত্মসাৎ করতেই মসজিদ নিয়ে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে

আলোকিত কক্সবাজার ।।  সংবাদটি প্রকাশিত হয়ঃ ২০২২-১১-০৫ ১৬:১৯:৪৩  

 

কক্সবাজার শহরের তারাবনিয়ার ছরা জামে মসজিদের নগদ টাকা এবং সম্পদ আত্মসাৎ করতেই মসজিদের কর্তৃত্ব নিতে মরিয়া ইয়াবা ব্যবসায়ী হাবিবুল্লাহ ও দখলবাজ আব্দুল করিম গ্যং। ইতিমধ্যে মসজিদের মার্কেট ও জব্বার ঘোনা নামক স্থানের মাছের ঘের দখল করেছেন জাফর আলম নামে আরেকজন। আর পুরো ষড়যন্ত্রের কলকাটি নাড়ছেন সাবেক পৌর কাউন্সিলর আব্দুল খালেক। এমন অভিযোগ তুলেছেন মসজিদ পরিচালনা কমিটি সভাপতি মুহাম্মদ শফিকুল হক।

শনিবার (৫ নভেম্বর) সকালে শহরের রুমালিয়ারছড়ায় শহীদ তিতুমীর ইনস্টিটিউট হলরুমে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব অভিযোগ তুলেছেন।

শফিকুল হক বলেন, সংবিধান মতে সাবেক কাউন্সিলর আব্দুল খালেক মসজিদ কমিটিতে আসার কোন সুযোগ নেই। বিষয়টি বুঝতে পেরে মসজিদ নিয়ে ষড়যন্ত্র করছেন। অথচ মসজিদ উন্নয়নে তিনি কোন ভূমিকা রাখেননি।

তিনি আরো বলেন, বর্তমানে মসজিদের মালিকানাধীন ১২৬টি দোকান রয়েছে। আরো আয় বৃদ্ধির জন্য খালি জমিতে ছয়শত সুপারি গাছ ও প্রায় ৮ শত লেবুর চারা রোপণ করা হয়েছে। দোকান ভাড়ার টাকা ও অন্যান্য আয় দিয়ে ইমাম, মুয়াজ্জিনের বেতন ও আনুষঙ্গিক ব্যয় নির্বাহ করে বাকি টাকা ব্যাংকে জমা থাকে। জমানো টাকায় কবরস্থানের পাকা সীমানা প্রাচীর, প্রধান ফটকে গেইট স্থাপন, জানাজার মাঠ পাকাকরণ, বেষ্টনীর অভ্যন্তরের চতুরপার্শ্বে প্রশস্ত রাস্তা নির্মাণ, অফিস গৃহ নির্মাণ, শৌচাগার, অজুখানা নির্মাণ করা হয়েছে। সুন্দরভাবে মসজিদ পরিচালনা হচ্ছে এটিই তাদের সহ্য হচ্ছেনা। তারা সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে মতোয়াল্লি করতে চাইছেন। কিন্তু আমরা যতদিন আছি ঋণ খেলাফী ও ইয়াবা ব্যবসায়ীদের মসজিদের টাকা আত্মসাতের সুযোগ দেওয়া হবেনা।

তিনি বলেন, শুধু মসজিদের জমি নয়, ভূয়া দলিল সৃজন করে প্রবাসির জমি দখলেরও অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে।

মসজিদ কমিটির সদস্য মোহাম্মদ সৈয়দের সভাপতিত্বে সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় বাসিন্দা শাহ আলম, আব্দুল মালেক, শামসুল আলম, জানে আলম, নজির আহমদ, নুরুল আলম, মোহাম্মদ ইসমাঈল, রাশেদুল হক রাসেল, মোহাম্মদ হাসান, মোহাম্মদ ফেরদাউস, আবুবকর ছিদ্দিক, মাহমুদুর রহমান ও মতিউর রহমান।

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে অভিযুক্ত আব্দুল খালেক বলেন, আমার দাদা তিন একর জমি মসজিদে দান করেছেন। যার বাজার মূল্য প্রায় দেড় কোটি টাকা। সভাপতি থাকা অবস্থায় তিনি (মুহাম্মদ শফিকুল হক) নিজে অনেক দোকান দখল করেছেন। মসজিদের টাকা আত্মসাৎ করেছেন। নিজের অপরাধ আড়াল করতেই আমার বিরুদ্ধে এখন মিথ্যা অভিযোগ তুলেছেন।

আব্দুল খালেক বলেন, আমি কমিটির কোন দায়িত্ব নিতে চাইনি। শুধু আয় ব্যয়ের হিসেব চেয়েছি। এতেই তাদের মাথা খারাপ হয়ে গেছে।


পূর্ববর্তী - পরবর্তী সংবাদ
                                       
ফেইসবুকে আমরা