বাংলাদেশ, , শনিবার, ১ অক্টোবর ২০২২

স্টাফ কোয়ার্টার থেকে হোটেল ম্যানেজারের লাশ উদ্ধার

আলোকিত কক্সবাজার ।।  সংবাদটি প্রকাশিত হয়ঃ ২০২২-০৮-০৭ ১২:৫৭:০০  

ছবি- নিহত খালেদ আশরাফ বাপ্পী।

 

হোটেল ওয়ার্ল্ড বীচ এবং আলম গেস্ট হাউসের পর এবার “সী কক্স” নামে একটি হোটেলের স্টাফ কোয়ার্টার থেকে ম্যানাজারের খালেদ আশরাফ বাপ্পীর (২৪) লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

আজ শনিবার (৬ আগষ্ট) দিবাগত রাত এগারোটার দিকে হোটেল সী কক্সের স্টাফ কোয়ার্টারের একটি কক্ষ থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় তার লাশ উদ্ধার করে সহকর্মীরা হাসপাতালে নিয়ে আসে। হাসপাতালে চিকিৎসক তার মৃত্যু নিশ্চিত করেছেন।

নিহত আশরাফ বাপ্পী পিএমখালী বাংলা বাজারস্থ নোয়াপাড়া এলাকার প্রবাসি আব্দুল গফুরের ছেলে।

এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের সদস্যরা মুফিজ নামে এক যুবককে হাসপাতালে আটকে রেখেছে।

হোটেলের এজিএম রিদুয়ান হাসান বিপু বলেন, বাপ্পী সকাল ৬ টা থেকে বিকেল ৩ টা পর্যন্ত হোটেলে ডিউটি করেছেন। স্টাফ কোয়ার্টারে গিয়ে মূলত দূর্ঘটনাটি ঘটেছে। ডিউটি পালনরত অবস্থায় তিনি খুবই স্বাভাবিক ছিলেন। আমরাও বুঝতে পারছি না কেন সে আত্মহত্যা করবে।

তিনি বলেন, হোটেলে ম্যনেজারের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি টুকটাক ব্যবসাও করতো বাপ্পী। মোবাইল ফোনে টাকা লেনদেনের বিষয়ে বিভিন্ন সময় কথা বলতে শোনতাম তাকে।

হোটেল কর্তৃপক্ষের দেয়া তথ্য মতে, রাত অনুমানিক এগারোটার দিকে সহকর্মীরা তাকে সিলিং ফ্যানের সাথে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে পুলিশ ও তার পরিবারকে খবর দেয়। জীবিত নাকি মৃত সেটি বুঝতে না পেরে সহকর্মীরা তাকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যায়।

খালেদ আশরাফ বাপ্পীর ছোট ভাই রিহাদ জানান, আমাদের পাশের বাড়ির চাচা নুরুল আজিমের মোবাইলে একটি কল আসে। অপর প্রান্ত থেকে বলা হয় বাপ্পী মারা গেছে আপনারা তাড়াতাড়ি আসেন। আমরা দ্রুত হোটেলে যায়। আমরা যাওয়ার আগেই তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

আমি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তপূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনের প্রতি অনুরোধ জানাচ্ছি।

নিহত খালেদ আশরাফ বাপ্পীর মা রোকেয়া বেগমের বলেন, আত্মহত্যা করতে পারে এমন ছেলে বাপ্পী নয়। তাকে হত্যা করা হয়েছে। আমার ছেলের সাথে মুফিজ নামের এক যুবকের সাথে ব্যবসার ৮ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা লেনদেন ছিলো।

দীর্ঘদিন মুফিজ টাকা ফেরত দেয়ার কথা বলে প্রতারণা করে আসছে। আমার ধারণা মুফিজ আমার ছেলেকে হত্যা করতে পারে।

এদিকে হোটেল সী কক্স এবং হোটেলের স্টাফ কোয়ার্টার পরিদর্শন করছেন র‍্যাব-১৫ এর সদস্যরা।

কক্সবাজার সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) সেলিম উদ্দীন জানান, আমাদের পুলিশের একটি টিম রাত থেকে কাজ করছে। ময়না তদন্তের পর বলা যাবে।

পরিবার থেকে অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলে জানান তিনি।


পূর্ববর্তী - পরবর্তী সংবাদ
                                       
ফেইসবুকে আমরা