সোমবার, ২০ মে ২০২৪, ০৩:১৭ অপরাহ্ন

সচিব বিহীন ইউনিয়ন-ভোগান্তিতে জনগণ

সচিব বিহীন ইউনিয়ন-ভোগান্তিতে জনগণ

অনলাইন বিজ্ঞাপন

টেকনাফ প্রতিনিধি 
পর্যটকদের স্বপ্নের দ্বীপ টেকনাফ সেন্টমার্টিন ইউনিয়নের বাসিন্দারা সচিব ও ই-সেবার কর্মচারী না থাকায় ভোগান্তির শিকার হচ্ছে। এ ব্যাপারে কারও মাথা ব্যাথা নেই। সেন্টমার্টিন ইউনিয়নের বাসিন্দারা জানায়, বিগত প্রায় ১৫ বছর ধরে ইউনিয়ন সচিব নেই। ফলে ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয় রয়েছে বন্ধ। ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্য-সদস্যরা ঘরে বসে ইউনিয়নের কাজ কর্ম সারে। ইউপি সচিব না থাকায় ইউনিয়নের বাসিন্দাদের জাতীয় সনদ, ওয়ারিশ সনদ, জন্ম সনদ ও মৃত্যু সনদ সহ বিভিন্ন কর্মকান্ডে বিঘœ সৃষ্টি হচ্ছে। এ ছাড়া ই-সেবা কেন্দ্রের কর্মচারী না থাকায় জন্ম ও মৃত্যু সনদ নিতে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে জনগণকে। এ সমস্যার কারনে সরকার এ খাতে হারাচ্ছে বিপুল রাজস্ব। ইউনিয়নের পরিষদের সরকারী বার্ষিক রাজস্ব আদায় হচ্ছে না। ফলে বিলুপ্তি হওয়ার পথে ইউনিয়ন পরিষদ। সম্ভাবনাময় একটি পর্যটন ইউনিয়ন হওয়ার স্বর্তেও রাজস্ব থেকে কেন বঞ্চিত হচ্ছে প্রশ্ন সর্বমহলের। এর দায় চাপাচ্ছেন ইউনিয়নের বাসিন্দাগণ নির্বাচিত চেয়ারম্যান মেম্বারদের উপর। কেন না তাদের অদক্ষতা দূরদর্শিতা ও প্রশাসন থেকে দূরে সরে থাকার কারনে এ সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে। নির্বাচিত চেয়ারম্যান, মেম্বারগণ, ইউনিয়ন ও ইউনিয়নের বাসিন্দাদের প্রতি নূন্যতম যদি দৃষ্টি থাকত তাহলে এই সম্ভাবনাময় পর্যটন ইউনিয়ন হয়ে উঠত একটি মডেল ইউনিয়ন। ইউপি সচিব না থাকায় ইউনিয়নের সরকারী হিসাবপত্রের কোন সঠিক পরিসংখ্যান নেই। নেই কোন চেয়ারম্যান, মেম্বারদের জবাব দেহিতা। সরকারী হিসাবপত্র দেখার জন্য প্রশাসনিক ভাবে কোন চিঠিপত্র আসলে মেম্বার চেয়ারম্যানদের সাব জবাব থাকে ইউপি সচিব নেই এবং হিসাবপত্র দাখেল করতে হয়না। এতে নির্বাচিত চেয়ারম্যান মেম্বারদের লাভ হয় বেশী। কেন না ইউপি সচিব থাকলে মাসিক কয়টি জাতীয় সনদ, কয়টি জন্ম ও মৃত্যু সনদ এবং কোন কোন খাত থেকে রাজস্ব আদায় করেছে তার সঠিক হিসাব লিপি বদ্ধ থাকত। আদায়কৃত রাজস্ব থেকে কোন অর্থ আত্মসাত করতে পারতনা কেহ। কিন্তু ইউপি সচিব না থাকায় নির্বাচিত চেয়ারম্যান, মেম্বার ইহাকে ব্যবসায় পরিনত করেছে। এভাবে প্রতিবারে ইউপি সচিব বিহীন রাখছেন নির্বাচিত প্রতিনিধিরা বলে জানালেন দ্বীপের বাসিন্দারা। যে সমস্ত ইউনিয়ন পরিষদের জন্য সরকারী আসবাবপত্র ও মূল্যবান বিভিন্ন সামগ্রী আসছে তা চেয়ারম্যান, মেম্বার বাড়িতে নিয়ে যাচ্ছে। তা ব্যবহার করছে তাদের নিজস্ব সম্পত্তির মত। যেমন, ই-সেবা কেন্দ্র ব্যবহার করছেন সেন্টমার্টিন ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের পুত্রগণ বলে এলাকাবাসি জানায়। এ সংক্রান্ত ব্যাপারে সেন্টমার্টিন ইউপি চেয়ারম্যান  নুরুল আমিনের সাথে মোবাইলে একাধিক বার যোগাযোগ করেও সংযোগ না পাওয়ায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।


মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

নিবন্ধনের জন্য আবেদিত
Desing & Developed BY MONTAKIM