সোমবার, ২০ মে ২০২৪, ০৩:৫৬ অপরাহ্ন

টেকনাফে ক্রীড়া ও বিনোদনে সরকারী পৃষ্টপোষকতা না থাকায় বাড়ছে অপরাধ প্রবনতা

টেকনাফে ক্রীড়া ও বিনোদনে সরকারী পৃষ্টপোষকতা না থাকায় বাড়ছে অপরাধ প্রবনতা

অনলাইন বিজ্ঞাপন

ফয়েজুল ইসলাম রানা, টেকনাফ

দেশের সীমান্ত ও বাণিজ্যি শহর টেকনাফ উপজেলায় ক্রিড়া ও বিনোদনে সরকারী পৃষ্টপোষকাত না থাকায় দিন দিন অপরাদের দিকে ধাবিত হচ্ছে কিশোর ও যুব সমাজ। এতে সামাজিক নানা অপরাধ ও পারিবারিক কলহ বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে জানিয়েছেন সচেতন মহল। এ অবস্থায় অপরাধ প্রবনতা থেকে রক্ষা করতে উপজেলায় ক্রিড়া ও বিনোদনের প্রতিষ্টান গড়ে তোলার দাবি জানিয়েছেন তারা।

জানা যায়, উপজেলায় স্বাধীনতার পর হতে গড়ে উঠেনি শিশু, কিশোরদের ও যুবসমাজের জন্য ক্রিড়া ও বিনোদনের কোন সু-ব্যবস্থা। ফলে এ সীমান্ত উপজেলায় প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি পাচ্ছে নানা অপরাধ প্রবনতা। পাশাপাশি শিশু, কিশোর ও যুব সমাজ ক্রীড়া ও বিনোদনের ব্যবস্থা না থাকায় ক্রমান্বয়ে অপরাধ জগতে পা বাড়াচ্ছে। তাছাড়া সীমান্ত এলাকা হওয়ায় টাকার প্রতি লোভে পড়ছে এসব নতুন প্রজন্ম।

সচেতম মহলের দাবি উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্টান যেমন স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসায় ক্রীড়া ও বিনোদনের জন্য শিক্ষক নিয়োগ করেছে সরকার। কিন্তু এ শিক্ষকেরা মাসের পর মাস সরকারি বেতন নিয়ে গেলেও কোন অনুষ্টান পালন করছেন না। তাছাড়া এসব শিক্ষকরার নামে মাত্র ক্রীড়া ও বিনোদনের বিল ভাউচার দেখিয়ে সরকারি টাকা আত্মসাত করে যাচ্ছে। এতে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। তাদের দাবি প্রতি বছর বার্ষিক ক্রিড়া না হলেও বছর বছর এখাত থেকে টাকা আত্মসাত করে যাচ্ছে। এতে মেধার বিকাশ ঘটাতে পারছেনা তারা।

সচেতন মহলের দাবি, শিক্ষা প্রতিষ্টান ছাড়া উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদে ক্রীড়া ও বিনোদনের জন্য আলাদা বাজেট থাকে। অথচ এ বাজেট দিয়ে কোন ক্রীড়া বিনোদনের ব্যবস্থা করা হয় না টেকনাফে। এ অর্থ গুলো যায় কোথায় প্রশ্ন তুলেছেন সচেতন মহল।

জানা যায়, বিগত ২/৩ বছর পূর্বে টেকনাফ উপজেলা পরিষদের মাধ্যমে উপজলো ক্রীড়া সংস্থার উদ্যেগে উপজেলা পর্য্যায়ে ফুটবল টুর্নামেন্টের আয়োজন করা হয়েছিল। ইদানিং তাও বন্ধ হয়ে পড়েছে।

উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক ফরহাদুজ্জামান জানান, আমরা সরকারী কোন সাহায্য সহযোগিতা না পাওয়ায় টেকনাফের ক্রীড়া ও বিনোদনকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারছিনা। জনসাধারণের আর্থিক সহযোগিতা নিয়ে চলতি বছরে ৮টি টুর্নামেন্ট শেষ করেছি। প্রচুর ক্রীড়ামোদী যুবক উপজেলার সেরা খেলোয়াড় হিসেবে নৈপূর্ণ্যতা দেখিয়েছে। বর্তমানে টেকনাফের ৩জন যুবক জেলার অনুর্ধ-(১৫) এর সেরা খেলোয়াড় হিসেবে নিবন্ধিত হয়েছে।

এরা হচ্ছেন মোঃ আয়ুব রানা, মোঃ ফারুক ও শাকিব। এদের মধ্যে মোঃ শাকিব জেলায় সেরা খেলোয়ার হিসেবে জাতীয় ফুটবল ফেডারেশনের পক্ষ থেকে ডাক এসেছিল। কিন্তু সরকারী পৃষ্টপোষকতা ও আর্থিক সংকটের কারনে যেতে পারেনি। ফলে দিন দিন যুব সমাজ অপরাধের দিকে ধাবিত হচ্ছে।


মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

নিবন্ধনের জন্য আবেদিত
Desing & Developed BY MONTAKIM