বুধবার, ২৪ Jul ২০২৪, ০৬:০৩ অপরাহ্ন

‘আমি পিতৃত্বের পরিচয় চাই’

‘আমি পিতৃত্বের পরিচয় চাই’

অনলাইন বিজ্ঞাপন

দেশের আলোচিত সাবেক এমপি বদির বিরুদ্ধে পিতার দাবি নিয়ে মোহাম্মদ ইসহাকের দারা করা মামলায় আসামি বদির অনুপস্থিতির জন্য শুনানি হয়নি। ফলে হতাশা নিয়ে বাড়ি ফিরতে হলো পুত্রের দাবিদার মামলার বাদিকে। বৃহস্পতিবার (১৪ জানুয়ারি) মামলার নির্ধারিত তারিখ ছিল।

গেল বছরের ১৩ ডিসেম্বর পুত্রের স্বীকৃতি চেয়ে দায়ের করা মামলায় বিবাদী আব্দুর রহমান বদিসহ বিবাদীদের ১৪ জানুয়াারী স্বশরীরে উপস্থিত হয়ে জবানবন্দি দেয়ার আদেশ দিয়েছিলেন আদালত। কিন্তু বিবাদি পক্ষের কেউ উপস্থিত না হওয়ায় শুনানি হয়নি।

বাদীর আইনজীবী কফিল উদ্দিন চৌধুরী তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

এতে হতাশা প্রকাশ করে গণমাধ্যমকে মামলার বাদি ইসহাক বলেন, আবদুর রহমান বদি আমার পিতা। আমি তার কোন সম্পদ দাবি করছি না, শুধু পিতৃত্বের দাবি করছি। আর কিচ্ছুই চাই না। তিনি মেনে নিলেই তো হয়। কিন্তু আদালতে না আসার ফলে আমি হতাশ হয়েছি।

আমি বিশ্বাস করি তিনি আদালতে উপস্থিত না হলেও আমি সুষ্ঠু বিচার পাবো। আমার শরীরে তার রক্ত প্রবাহিত হচ্ছে। সেটি প্রমাণ করতে প্রস্তুত রয়েছি। তবে আমি নিজের নিরাপত্তা নিয়ে কিছুটা শংকিত থাকি।

মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী কফিল উদ্দিন চৌধুরী জানান, মামলার আসামীদের বিরুদ্ধে আদালত কর্তৃক ইস্যু করা সমনপত্র এখনো ফেরত আসেনি। তাই মামলার নির্ধারিত দিনে শুনানী অনুষ্ঠিত হয়নি। যেহেতু সমনপত্র ফেরত আসেনি সেহেতু আসামী সময় পেয়েছেন। জারি করা সমনপত্র ফেরত আসার পর আদালতের পরবর্তী সিদ্ধান্ত জানা যাবে বলে জানান তিনি।

উল্লেখ্য পিতার দাবিতে করা মামলায় বাদি দাবি করেছেন, ১৯৯২ সালের ৫ এপ্রিল টেকনাফ পৌরসভার ইসলামাবাদ ধুমপাড়ার বাসিন্দা আবুল বশরের মেয়ে সুফিয়া খাতুনকে (বাদির মা) বিয়ে করেন সাবেক সংসদ সদস্য বদি। বদির বাবার হোটেলে কর্মরত মৌলভী আব্দুস সালাম তাদের বিয়ে পড়ান। হোটেলের দারোয়ান এখলাস মিয়াসহ আরও তিন-চারজন বিয়েতে সাক্ষী ছিলেন। কিন্তু বদির বাবা এজাহার মিয়া কোম্পানী এ বিয়ে মেনে নেননি। পরে জোর করে তাদের বাড়ির মিস্ত্রী মোহাম্মদ ইসলামের সঙ্গে তার মাকে ১৯৯৪ সালের ৪ এপ্রিল দ্বিতীয় বিয়ে দেন। এ বিয়েও পড়ান মৌলভী আব্দুস সালাম। মোহাম্মদ ইসলামের সঙ্গে তার মায়ের বিয়ের পাঁচ মাস পর ১৯৯৪ সালের ৯ সেপ্টেম্বর ইসহাকের জন্ম হয়।

মামলায় বদি ছাড়াও বিবাদী করা হয়েছে বদির চাচা টেকনাফের পৌর মেয়র হাজী মোহাম্মদ ইসলামকে।


মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

নিবন্ধনের জন্য আবেদিত
Desing & Developed BY MONTAKIM