সোমবার, ২০ মে ২০২৪, ০৩:২৫ অপরাহ্ন

সোনাদিয়া চ্যানেলের জলদস্যূা নিয়ন্ত্রনে লেং ফরিদ

সোনাদিয়া চ্যানেলের জলদস্যূা নিয়ন্ত্রনে লেং ফরিদ

অনলাইন বিজ্ঞাপন

মহেশখালী প্রতিনিধি

মহেশখালী সোনাদিয়া চ্যানেলে যুগের পর যুগ ধরে জলদস্যূদের আস্তনায় পরিনত হয়েছে যারফলে মহেশখালীর হাজার হাজার ফিশিংবোট ও মাঝিমাল্লারা সাগরে মাছ শিকারে যেতে পাচ্ছেনা। প্রতিবারের ন্যায় এবারে ও বোটের ফিশিং শুরু হওয়ার সাথে সাথে জলদস্যুরা আবারো অস্ত্রসস্ত্র সজ্জিত হয়ে সোনাদিয়া চ্যানেলের মোহনায় হানা দিচ্ছে। সম্প্রতি সোনাদিয়া চ্যানেলে জলদস্যুরা ফিশিং বোট ও শ্রমিকদের আটকিয়ে মোটা অংকের মাসোহারা দিয়ে রেহায় পেতে হচ্ছে।

অন্যথায় মাঝিমাল্লাদের খুন ও বোটের মিশিন সহ যাবতীয় জিনিসপত্র লুটকরে নিয়ে গিয়ে খালি বোটটি কে চিদ্র করে সাগরে ডুবিয়ে দেয়। সারা দেশের যতসব বড়বড় জলদস্যুরা যে যেখানে থাকুক সবাই পরিচালিত হয় নিরাপদ আস্তনা সোনাদিয়া চ্যানেল থেকে। তাদের আশ্রয় প্রশ্রয়দাতা ও সকল জলদস্যুদের সম্্রাট কুতুবজোম নয়াপাড়া এলাকার মৃত কবির আহমদের ছেলে ফরিদ আহমদ প্রকাশ লেং ফরিদ। এটা বাদে ও গোয়েন্দা তথ্যমতে, জেলার শীর্ষ মানবপাচারকারী লেং ফরিদ গোপনে বা প্রকাশ্যে সারা বাংলাদেশের প্রতিটি স্থান থেকে তার নিযুক্ত সিন্ডিকেটের মাধ্যমে লোক সংগ্রহ করে তার গোপন আস্তনায় জমা রেখে ক্রমান্নয়ে মালয়েশিয়া সহ বিভিন্ন দেশে আকাশ ও সাগরপথে পাচারকার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। পাচার পথে হাজার হাজার লোক বঙ্গোপসাগরে ডুবে মারাগেছে যাদের কোন হদিস পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।

এতদসত্বেও জলদস্যু সম্্রাট লেং ফরিদ কুতুবজোম এলাকায় অবস্থান করছে এরপরে ও পুলিশ প্রশাসন ও কোষ্টগার্ড সহ আইনশৃংঙ্খরা বাহিনীর অন্যান্য সদস্যরা লেং ফরিদকে গ্রেপ্তার না করে জামাই আদরে রেখেছে তাই এলাকার সর্বস্থরের জনগন পুলিশ প্রশাসন ও আইন শৃংঙ্খলা বাহিনী সর্ম্পকে বিরুপ মন্তব্য করতে শুরু করেছে। এলাকার ক্ষুব্দ জনতা জানিয়েছেন এতবড় জলদস্যু সম্্রাট ও নানান অপকর্মের গড়ফাদার এতকিছু করার পরে ও যখন পুলিশ লেং ফরিদকে গ্রেপ্তার করছে না তখন আমরা এলাকাবাশিঁ ঐক্যবদ্ধ হয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয় ও পুলিশের মহপরিচালক বরাবরে স্মারকলিপি দিতে বাধ্য হব। লেং ফরিদের বিরোদ্ধে থানায় চেক প্রতারনা, মারামারি সহ অসংখ্য মামলা রয়েছে। এলাকার সচেতন মহল জানান, লেং ফরিদ প্রতিনিয়ত সোনাদিয়া চ্যানেলে বিভিন্ন জায়গা থেকে জলদস্যূদের জড়ো করে বোট ডাকাতি, বোট ও শ্রমিকদের জিম্মি করে টাকা আদায়, টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে অহরহ শ্রমিকদের খুন ও করছে। পাপাশি বিভিন্ন এলাকা থেকে লোক সংগ্রহ করে তার আস্তনায় জমা রেখে প্রতিনিয়ত সোনাদিয়া এলাকাস্থ সাগরপথে এখনো প্রতিনিয়ত বিভিন্ন দেশে মানবপাচার কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। যারফলে সারা বাংলাদেশে মহেশখালীর সোনাদিয়া চ্যানেল জলদস্যুদের আস্তনা ও কুতুবজোম ইউনিয়নকে মানবপাচারের আস্তনা হিসাবে পরিচিত করেছে।

ক্ষুব্দ জনতা আরো জানান, লেং ফরিদকে ক্রসফায়ার ছাড়া কোন ভাবেই সোনাদিয়া চ্যানেলে জলদস্যুতা, ও মহেশখালীতে মানবপাচার কার্যক্রম বন্ধ হবে না। এ ব্যাপারে জেলা পুলিশ সুপার শ্যামল কুমার নাথ জানান, সোনাদিয়া চ্যানেলে জলদস্যুদের ধৃত করতে পুলিশ প্রশাসন ও আইন শৃংঙ্খলা বাহিনীর অন্যান্য সদস্যরা নিয়মিত কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। এবং মানবপাচার বাংলাদেশের জন্য একটি মরনব্যাধি রোগ এ রোগ থেকে রেহাই পেতে হলে মানবপাচারকারীদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্ত মুলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। মহেশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ সাইকুল আহম্মেদ ভুইঁয়া জানান, সোনাদিয়া চ্যানেলের আলোচিত জলদস্যুদের ও তালিকাভোক্ত মানবপাচারকারীদের গ্রেপ্তার করতে আমরা সদাসর্বদা প্রস্তুত আছি। তাদের গ্রেপ্তারের অভিযান অব্যাহত আছে। কোন সু-হৃদয়বান ব্যক্তি উপরোল্লিখিত জলদস্যু ও মানবপাচারকারীর অবস্থানের ঠিকানা জেনে থাকলে থানা পুলিশের কাছে জানিয়ে দিবেন।


মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

নিবন্ধনের জন্য আবেদিত
Desing & Developed BY MONTAKIM