বাংলাদেশ, , শনিবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২২

জেলায় নিন্মমানের চাল সংগ্রহের অভিযোগ খাদ্য কর্মকর্তার বিরুদ্ধে

আলোকিত কক্সবাজার ।।  সংবাদটি প্রকাশিত হয়ঃ ২০১৫-১০-১৮ ২০:৪৬:৩৩  

নিজস্ব প্রতিবেদক॥

দূর্নীতির মাধ্যমে নিন্মমানের চাল সংগ্রহ করে সরকারের কোটি টাকা আত্মসাত করেছে জেলা খাদ্য কর্মকতা। আর কর্মকর্তার দূর্নীতির বিরোদ্ধে মন্ত্রনালয়ে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন মিল মালিক কতৃপক্ষ। যার ফলে সংগ্রহিত এসব চাল গ্রহণ করেনি কতৃপক্ষ। এতে গুদামে সংগ্রহিত এসব চাল দ্রুত নষ্ট হয়ে যেতে পারে বলে আশংকা করা হচ্ছে। যার ফলে সরকারের মহৎ উদ্দ্যোগ ভেস্তে যাবে বলে আশংকা প্রকাশ করছেন সচেতন মহল। এ অবস্থায় আপদকালীন সময় খাদ্য নিরাত্তা নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়বে। এ অবস্থায় জেলা খাদ্য কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দূর্নীতির অভিযোগ তদন্তে করে লিখিত  অভিযোগের ভিত্তিতে চলতি মাসের শুরুতে অভিযোগ তদন্তে আসেন খাদ্য মন্ত্রনালয়ের উপ-সচিব জহিরুল ইসলাম। এ ব্যাপারে খাদ্য কর্মকর্তার মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে ফোন রিসিভ না করায় বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।

জানা যায়, জানা যায়, দেশে আপদকালীণ সময় খাদ্য শস্যের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করতে সরকার প্রতিবছর চাল সংগ্রহ করে থাকে। এ বছর জেলায় ৮ হাজার ৪ শত ৯২ মে:টন বোরো চাল সংগ্রহের লক্ষ্য মাত্রা ধরা হয়েছে।  আর এ লক্ষ্যে অর্জনে জেলায় ২২ জন মিল মালিকের চাল সংগ্রহের চুক্তি করে জেলা খাদ্য অফিস। স্থানীয় কৃষকের কাছে নায্যমূল্যে এসব চাল সংগ্রহের কাজ করে থাকেন কতৃপক্ষ । সরকার এ বছর মিল মালিকদের কাছ থেকে ৩১ টাকা দরে প্রতি কেজি চাল সংগ্রহের মূল্য নির্ধারণ করেছেন। কিন্তু খাদ্য কর্মকর্তা মিল মালিকদের কাছ থেকে কাছ থেকে কমিশন নিয়ে নিন্মমানের চাল সংগ্রহ করেছে। দূর্নীতির মাধ্যমে তিনি এসব টাকা আত্মসাত করেছন বলে নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন মিল মালিক জানিয়েছেন। যার ফলে তারা নিন্মমানের চাল চাল সংগ্রহ করতে বাধ্য হয়েছেন। এ ব্যাপারে তারা খাদ্য মন্ত্রনালয়ে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন।

অভিযোগ রয়েছে মিল মালিকের কাছ থেকে প্রতিকেজি চাল ৩-৫% টাকা কমিশন নিয়েছেন জেলা খাদ্য অফিসার।

এদিকে নিন্মমানের চাল সংগ্রহের অভিযোগ আমলে নিয়ে চলতি মাসের শুরুতে তদন্তে আসেন খাদ্য মন্ত্রনালয়ের উপ-সচিব জহিরুল ইসলাম। তিনি  গত ৮ অক্টোবর তদন্ত শেষ করে ফিরে গেছেন বলে জেলা খাদ্য অফিস সূত্রে জানা গেছে।
অভিযোগ রয়েছে প্রতি শুক্রবারে তিনি বিমান যোগে ঢাকা শহর আসা যাওয়া করতেন। অভিযোগ তদন্তে কথা প্রকাশ হলে তিনি গাড়িতে আসা যাওয়া করছেন বলে দাবি করেছেন কর্মকর্তারা।

জানতে চাওয়া হলে জেলা খাদ্য কর্মকর্তা মো: তানবির হোসেন’র ০১৯১২৮৮৪৪১১ নম্বারে ফোন দেয়া হলে তিনি রিসিভ করেননি। অভিযোগ রয়েছে দূর্নীতি ধরা পড়ার আশংকায় তিনি কারো ফোন ধরেন না। বর্তমানে তিনি ঢাকায় নিজেদের দূর্নীতি ধামাচাপার জন্য টাকার মিশনে নেমেছেন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে অনেক মিল মালিক কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, জোর করে তাদের কাছ থেকে কমিশনের নামে টাকা আদায় করেছেন জেলা খাদ্য কর্মকর্তা। যার ফলে তারা নি¤œমানের চাল সংগ্রহ করতে বাধ্য হয়েছেন। এতে চাল সংগ্রহের কাজ শেষ হলেও তা গ্রহণ করেনি কতৃপক্ষ। এতে তারা আতংকের মধ্যে রয়েছেন বলে জানিয়েছেন।


পূর্ববর্তী - পরবর্তী সংবাদ
                                       
ফেইসবুকে আমরা