বাংলাদেশ, , শনিবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৩

মহেশখালী কুতুবজোমের লেং ফরিদকে গ্রেপ্তার করতে মরিয়া পুলিশ

আলোকিত কক্সবাজার ।।  সংবাদটি প্রকাশিত হয়ঃ ২০১৫-১০-১৭ ২০:৪৬:৪০  

মহেশখালী প্রতিনিধি

কক্সবাজার জেলার শীর্ষ মানবপাচারকারী কুতুবজোম ইউনিয়নের ফরিদ আহমদ প্রকাশ লেং ফরিদকে গ্রেপ্তার করতে মহেশখালী থানা পুলিশের সাড়াশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে। লেং ফরিদ কুতুবজোম নয়াপাড়া এলাকার মৃত কবির আহমদের ছেলে।

গোয়েন্দা তথ্যমতে, জেলার আলোচিত মানবপাচারকারী রেবী  ম্যাডামের সেকেন্ডিং কমান্ডার লেং ফরিদ গোপনে বা প্রকাশ্যে সারা বাংলাদেশের প্রতিটি স্থান থেকে তার নিযুক্ত সিন্ডিকেটের মাধ্যমে লোক সংগ্রহ করে তার গোপন আস্তনায় জমা রেখে ক্রমান্নয়ে মালয়েশিয়া সহ বিভিন্ন দেশে আকাশ ও সাগরপথে পাচারকার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। পাচার পথে হাজার হাজার লোক বঙ্গোপসাগরে ডুবে মারাগেছে যাদের কোন হদিস পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। আলোচিত মানবপাচারকারী লেং ফরিদ কে আটক করতে ডিবি, গোয়েন্দা, যৌথ বাহিনী, র‌্যাব ও থানা পুলিশ শতবার চেষ্টা করার পরে ও ব্যর্থ হয়েছে। এখনো লেং ফরিদ ভিন্ন কৌশলে বিভিন্ন দেশে মানবপাচার কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। সম্প্রতি লেং ফরিদ পুলিশের অভিযান অব্যাহত দেখে ঘনঘন তার আস্তনা পরিবর্তন করছে। এছাড়া ও লেং ফরিদের বিরোদ্ধে থানায় চেক প্রতারনা, মারামারি সহ অসংখ্য মামলা রয়েছে। এলাকার সচেতন মহল জানান, লেং ফরিদ বিভিন্ন জায়গা থেকে লোক সংগ্রহ করে তার আস্তনায় জমা রেখে প্রতিনিয়ত সোনাদিয়া এলাকাস্থ সাগরপথে এখনো প্রতিনিয়ত বিভিন্ন দেশে মানবপাচার কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। যারফলে সারা বাংলাদেশে মহেশখালীর কুতুবজোম ইউনিয়নকে মানবপাচারের আস্তনা হিসাবে পরিচিত করেছে। তারা আরো জানান, লেং ফরিদকে ক্রসফায়ার ছাড়া কোন ভাবেই মানবপাচার কার্যক্রম বন্ধ হবে না।

এ ব্যাপারে জেলা পুলিশ সুপার শ্যামল কুমার নাথ জানান, মানবপাচার বাংলাদেশের জন্য একটি মরনব্যাধি রোগ এ রোগ থেকে রেহাই পেতে হলে মানবপাচারকারীদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্ত মুলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। মহেশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ সাইকুল আহম্মেদ ভুইঁয়া জানান, লেং ফরিদ একজন তালিকাভোক্ত মানবপাচারকারী এছাড়া ও তার বিরোদ্ধে অসংখ্য মামলা এবং অভিযোগ রয়েছে। শিঘ্রিই তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।


পূর্ববর্তী - পরবর্তী সংবাদ
                                       
ফেইসবুকে আমরা