বাংলাদেশ, , বুধবার, ৩০ নভেম্বর ২০২২

অবসর নিলেন জহির খান

আলোকিত কক্সবাজার ।।  সংবাদটি প্রকাশিত হয়ঃ ২০১৫-১০-১৫ ১৫:৪৫:৫০  

আলোকিত কক্সবাজার ডেক্স॥
শেষ হলো ভারতীয় ক্রিকেটের একটি অধ্যায়। আন্তর্জাতিক ও ফার্স্ট ক্লাস ক্রিকেট থেকে আজ বৃহস্পতিবার অবসরের ঘোষণা দিলেন ফাস্ট বোলার জহির খান। আন্তর্জাতিক অভিষেকের ১৫ বছর পর বিদায় নিলেন তিনি। আইপিএলে আরো এক মৌসুম খেলবেন তিনি।

সব ফরম্যাট মিলিয়ে ৬১০ উইকেটের মালিক জহির। ভারতের ইতিহাসের অন্যতম সফল বোলার। সব ফরম্যাট মিলিয়ে ভারতের চতুর্থ সেরা বোলার তিনি। টেস্টে ভারতীয় পেসার হিসেবে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উইকেট তার। ৩১১ উইকেট নিয়েছেন। কপিল দেবের উইকেট ৪৩৪। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ইনজুরির কারণে ঠিকমতো খেলতে পারছিলেন না জহির। ২০১৪ সালের মে মাসে হাতের ইনজুরির কারণে লম্বা সময়ের জন্য মাঠের বাইরে ছিটকে পড়তে হয় তাকে। তারপরও গেলো আইপিএলে সাতটি ম্যাচ খেলেছিলেন।
২০০০ সালে বাংলাদেশের অভিষেক টেস্টে জহিরের অভিষেক। এরপর শেষ টেস্ট খেলেছেন গত বছর। ওয়েলিংটনে নিউজিল্যান্ড ছিল প্রতিপক্ষ। শেষ ওয়ানডে খেলেছেন তিন বছরের বেশি সময় আগে। পাল্লেকেলেতে প্রতিপক্ষ ছিল শ্রীলঙ্কা। ৯২ টেস্ট, ২০০ ওয়ানডে ও ১৭টি টি-টোয়েন্টি খেলেছেন জহির। ওয়ানডেতে উইকেটের সংখ্যা ২৮২। ৩৭ বছরের জহির একটি বিবৃতিতে অবসরের কথা জানিয়েছেন। টুইটও করেছেন। বিবৃতিতে যাদের সাথে খেলেছেন তাদের সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। আর ২০১১ বিশ্বকাপ জয়কে নিজের সেরা মুহূর্ত হিসেবে বর্ণনা করেছেন। জহির জানিয়েছেন, “গত দুই দশক ধরে ক্রিকেট আমার একমাত্র জীবন ছিল। আসলে এই একটা ব্যাপারই ভালোভাবে জানতাম। আমি আজ যা তা আমাকে ক্রিকেট বানিয়েছে। জীবনে যতোটা দরকার তার চেয়ে অনেক বেশি দিয়েছে। আমি চলে যাচ্ছি অসাধারণ স্মৃতি, জীবন বদলে দেওয়া অভিজ্ঞতা ও দুর্দান্ত বন্ধুত্ব নিয়ে। আমার সিদ্ধান্তকে আমার মা সংক্ষেপে খুব ভালোভাবে বলতে পেরেছেন, ‘ঠিক আছে। তোমার সফরটা খুব ভালো ছিল’।”

মহারাষ্ট্রের ছোটো একটি শহর শ্রীরামপুর থেকে উঠে এসেছেন জহির। ১৯৯৬ সালে ব্যাঙ্গালোরের জাতীয় ক্রিকেট একাডেমিতে যান। এরপর এমআরএফ পেস একাডেমিতে থেকেছেন। ২০০০ সালে শুরু হয় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পথ চলা।
টেস্টে জহিরের গড় ছিল ৩২.০৪। ওয়ানডেতে গড়টা ২৯.৪৩। টেস্টে তার সেরা পারফরম্যান্স এসেছে ২০০৭ সালের ইংল্যান্ড সফরে। ২০.৩৩ গড়ে ১৮ উইকেট নিয়ে সিরিজ শেষ করেছিলেন। ওয়ানডেতে ২০১১ বিশ্বকাপে পেস আক্রমণের নেতা ছিলেন। ২১ উইকেট নিয়ে দলকে শিরোপা জেতানোয় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। হয়েছিলেন যুগ্ম সর্বোচ্চ উইকেট শিকারী।


পূর্ববর্তী - পরবর্তী সংবাদ
                                       
ফেইসবুকে আমরা