মঙ্গলবার, ২৮ মে ২০২৪, ০২:০৫ পূর্বাহ্ন

চকরিয়ার ফাঁসিয়াখালী বনাঞ্চল পর্যটকদের আনন্দ দেবে

চকরিয়ার ফাঁসিয়াখালী বনাঞ্চল পর্যটকদের আনন্দ দেবে

অনলাইন বিজ্ঞাপন

মোস্তফা কামালঃ

কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগের চকরিয়া উপজেলার ফাঁসিয়াখালী রেঞ্জের এলাকা জুড়ে এখন সবুজের সমারোহ। বনবিভাগের সৃজিত এবং প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্ট বাগানে বেসুমার বৃক্ষ রাজিতে ভরপুর হয়ে উঠেছে রেঞ্জের প্রায় সাড়ে ১৩ হাজার হেক্টর বনাঞ্চল।
বনবিভাগের দৃষ্টি নন্দন এ বনাঞ্চল এখন পর্যটক-দর্শনার্থীদের কাছে বিনোদনের বাড়তি আকর্ষণ হিসেবে পরিলক্ষিত হচ্ছে। চট্টগ্রাম কক্সবাজার মহা সড়ক দিয়ে যাত্রা পথে অনেক পর্যটক চলন্ত গাড়ি থামিয়ে সড়কের পাশের বনাঞ্চলে বসে কিছুক্ষণের জন্য প্রাকৃতির অপার স্বাদও নিচ্ছেন।

বনবিভাগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ফাঁসিয়াখালী রেঞ্জে বনবিট রয়েছে ৫টি। বনাঞ্চলের আয়তন রয়েছে প্রায় সাড়ে ১৩ হাজার হেক্টর (৩৩ হাজার ৭৫০ একর)। বনবিভাগের এ বনাঞ্চলে স্বাধীনতার আগে ১৯৫২-৫৩ সাল থেকে শুরু করে এখনও অব্যাহত রয়েছে বাগান সৃজনের কাজ। বর্তমানে রেঞ্জের ৫টি বনবিট থাকলেও  রিংভং, মানিকপুর এবং ডুলাহাজার বনবিটে সংরক্ষিত বনাঞ্চলে রয়েছে বেসুমার  বৃক্ষরাজি। জানতে চাইলে ফাঁসিয়াখালী রেঞ্জ কর্মকর্তা এ.বি.এম জসিম উদ্দীন বলেন, ফাঁসিয়াখালী রেঞ্জের আয়াতন প্রায় সাড়ে ১৩ হাজার হেক্টর। এ বনাঞ্চলের বৃক্ষরাজির মধ্যে রয়েছে, সেগুন, গর্জন, ঢাকিজাম, আকাশমনি ও আগর গাছ। তিনি বলেন, বনাঞ্চলের এ মূল্যবান বৃক্ষরাজি রক্ষায় বনকর্মীরাও প্রাণপণ প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। ফাঁসিয়াখালী রেঞ্জে এখন বনভূমি বে-দখল ও বৃক্ষ নিধন হচ্ছে না ।

তিনি বলেন, পরিসংখ্যান মতে, এসব বৃক্ষরাজি নির্ধারিত সময়ে নিলামে বিক্রি করা হলে সরকার প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব আয় করতে পারবে। জানতে চাইলে উক্ত রেঞ্জ কর্মকর্তা এ.বি.এম জসিম উদ্দীন আরো বলেন, কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগের বিভাগীয় বনকর্মকর্তা (ডি.এফ.ও) মো: শাহ-ই-আলমের সততা ও দক্ষতায় এ বনাঞ্চল এখন বৃক্ষরাজিতে ভরপুর হয়ে উঠেছে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, চকরিয়া উপজেলার ফাঁসিয়াখালী রেঞ্জ ও খুটাখালী মেধাকচ্ছপিয়ার বনাঞ্চল এখন বৃক্ষরাজিতে দেশের মডেল বনাঞ্চলের পরিণত হয়েছে।


মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

নিবন্ধনের জন্য আবেদিত
Desing & Developed BY MONTAKIM