বাংলাদেশ, , শনিবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৩

ভারতীয় দর্শকদের এ কেমন আচরণ!

আলোকিত কক্সবাজার ।।  সংবাদটি প্রকাশিত হয়ঃ ২০১৫-১০-০৫ ২৩:৩১:৩১  

আলোকিত কক্সবাজার ডেক্স॥

ক্রিকেটে দর্শকদের উচ্ছৃঙ্খলতার সবচেয়ে কলঙ্কিত নজিরটি ভারতেরই। ইডেনে ১৯৯৬ বিশ্বকাপ সেমিফাইনালটাই পণ্ড হয়ে গিয়েছিল দর্শক হাঙ্গামায়। আজ আবারও ভারতীয় দর্শকদের উচ্ছৃঙ্খল আচরণের কারণে বিঘ্ন হলো ক্রিকেট ম্যাচ। কটকে ভারত-দক্ষিণ আফ্রিকা দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি বন্ধ ছিল প্রায় আধঘণ্টা। কিন্তু আবারও দুই ওভার খেলা হওয়ার পরই দুদলই মাঠ ছেড়ে বেরিয়ে যায়।
মাত্র ৯২ রান করে অলআউট হয়ে যায় ভারত। এ নিয়ে হয়তো বরাবতী স্টেডিয়ামে গ্যালারির একটি অংশ ক্ষুব্ধ হয়ে থাকতে পারে। দল ভালো না করলে হতাশা থাকা স্বাভাবিক। কিন্তু সেটার প্রকাশ সংযমের মাত্রা ছাড়ালেই সর্বনাশ। দক্ষিণ আফ্রিকার ইনিংসের ১১তম ওভার শেষে থামিয়ে দিতে হয় খেলা। বৃষ্টির মতো গ্যালারি থেকে উড়ে আসতে থাকে পানির বোতল।
তখন ৫৪ বলে ২৯ রান দরকার ছিল দক্ষিণ আফ্রিকার। বাধ্য হয়ে দুই আম্পায়ার খেলা থামিয়ে দেন। ম্যাচ রেফারি ক্রিস ব্রড মাঠে নেমে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে আসেন। গ্যালারির ওই অংশ থেকে দর্শকদের বের করে দেন নিরাপত্তাকর্মীরা। অনাকাঙ্ক্ষিত বিরতির পর আবার শুরু হয় খেলা। দুই ওভারে প্রোটিয়ারা তোলে ৬ রান। কিন্তু আবারও দর্শকদের একটি অংশে বোতল ছোড়াছুড়ি শুরু হলে খেলা থেমে যায়। এবার পুরো গ্যালারিই ফাঁকা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এ কারণে বন্ধ আছে খেলা। কখন শুরু হবে জানা নেই।
এই অবস্থায় খেলা শেষ হলেও দক্ষিণ আফ্রিকা ডি/এল পদ্ধতিতে জিতে যাবে। কিন্তু জয়-পরাজয় ছাপিয়ে ক্রিকেটে ভদ্রলোকের খেলার যে চেতনাবোধ বড় করে দেখা হয়, সেটি আরও একবার কলঙ্কিত হলো।
গত জুলাইয়ে কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামেও দর্শকদের হাঙ্গামায় বন্ধ হয়ে গিয়েছিল শ্রীলঙ্কা-পাকিস্তানের একটি ওয়ানডে ম্যাচ।


পূর্ববর্তী - পরবর্তী সংবাদ
                                       
ফেইসবুকে আমরা