বাংলাদেশ, , শনিবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৩

নবরাত্রিতে নিষিদ্ধ মুসলিমরা, দর্শনার্থীদের গায়ে ঝরবে গো-মূত্র!

আলোকিত কক্সবাজার ।।  সংবাদটি প্রকাশিত হয়ঃ ২০১৫-১০-০৪ ১০:৩৩:৪৬  

আলোকিত কক্সবাজার ডেক্স॥

ব্যান-এ বিরাম নেই গেরুয়াবাহিনীর! গো-মাংস, ইন্টারনেট, পর্ন হলো– এবার নবরাত্রি। না, নবরাত্রি অবশ্য সকলের নিষিদ্ধ নয়। শুধুমাত্র একটি নির্দিষ্ট সম্প্রদায়ের জন্য। নবরাত্রি উত্‍‌সবের গড়বা অনুষ্ঠানে প্রবেশ ও অংশগ্রহণ নিষিদ্ধ করা হলো গুজরাটের কুচের মান্ডভি তালুকে । এই ফতোয়া জারি করেছে হিন্দু সংগঠন যুব মোর্চা নামে একটি গেরুয়া সংগঠন ও স্থায়ী গড়বা অনুষ্ঠানের উদ্যোক্তারা।

ফতোয়া এখানেই শেষ নয়। গড়বা অনুষ্ঠানে হিন্দুদের প্রবেশেও কয়েকটি নিয়ম বেঁধে দিয়েছে ওই গেরুয়া বাহিনী। মান্ডভায় নবরাত্রির অনুষ্ঠানে হিন্দুদের নাকি মাথায় ও গায়ে গো-মূত্র ছিটিয়ে ঢুকতে হবে। এবং কপালে অবশ্যই তিলক থাকতে। যুব মোর্চা ও অনুষ্ঠানের উদ্যোক্তাদের দাবি, গড়বা একটি পবিত্র অনুষ্ঠান। তাই গো-মূত্র মাথায় ছেটালেই হিন্দুরা পবিত্র হয়ে যাবেন। তবে মুসলিমরা যোগ দিতে পারবেন না।

গেরুয়া সংগঠনটির নেতা রঘুবীরসিংহ জাডেজার কথায়, ‘গত বছরের মতো এবারও গড়বা অনুষ্ঠানে আমরা ধর্মের মানুষদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করেছি। এই নিয়ম লঙ্ঘন করা যাবে না। এ বছর আরও কঠোর ভাবে পালন করা হবে।’ আপনারা নিষিধাজ্ঞা জারি করার কে? এই প্রশ্নে রেগে গিয়ে ওই গেরুয়া নেতার যুক্তি, ‘নবরাত্রি একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান, যেখানে ৯ দিন ধরে দেবীর আরাধনা করা হয়। আমরা তো লাভ জিহাদের বাড়বাড়ন্তকেও এবার রুখে দেওয়ার পথে নামব।’ প্রসঙ্গত, যুব মোর্চা নামে সংগঠনটি বিশ্ব হিন্দু পরিষদের বেশ ঘনিষ্ঠ।

গেরুয়া বাহিনীর নিষেধাজ্ঞায় যারপরনাই ‘অপমানিত’ স্থানীয় মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষ। স্থানীয় মুসলিম নেতা আজম আঙ্গাড়িয়ার কথায়, ‘মান্ডভিতে হিন্দু-মুসলিমের মধ্যে সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি কয়েকশো বছরের। এই ধরনের ফতোয়া কখনও শুনিনি। আমরা কয়েক দিনের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে আমাদের অবস্থান ঠিক করব।’


পূর্ববর্তী - পরবর্তী সংবাদ
                                       
ফেইসবুকে আমরা