বাংলাদেশ, , বুধবার, ৩০ নভেম্বর ২০২২

নেতা-কর্মীরা রাস্তায়, গতি কমে গেছে গাড়ির

আলোকিত কক্সবাজার ।।  সংবাদটি প্রকাশিত হয়ঃ ২০১৫-১০-০৩ ১৮:০৯:৫৬  

আলোকিত কক্সবাজার ডেক্স॥
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে স্বাগত জানাতে রাজধানীর বিমানবন্দর থেকে গণভবন পর্যন্ত সড়কে জড়ো হয়েছেন আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা। ফলে ওই সড়কের যান চলাচলের গতি কমে যায়। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তা অনেকটাই স্থবির হয়ে পড়ে। এর ফলে দুর্ভোগে পড়েছেন পথচলা ​লোকজন।

সরেজমিনে দেখা গেছে, প্রধানমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানাতে বিমানবন্দর থেকে খিলক্ষেত পর্যন্ত উত্তরা, দক্ষিণখান, উত্তরখান, তুরাগ, টঙ্গী ও গাজীপুর, খিলক্ষেত থেকে কুড়িল ফ্লাইওভার পর্যন্ত বাড্ডা, মতিঝিল, খিলগাঁও, সবুজবাগ; কুড়িল ফ্লাইওভার থেকে হোটেল র‍্যাডিসন পর্যন্ত গুলশান, রমনা, ক্যান্টনমেন্ট, ডেমরা, শ্যামপুর; র‍্যাডিসন হোটেল থেকে বনানীর কাকলি মোড় পর্যন্ত কাফরুল, মিরপুর; কাকলির মোড় থেকে জাহাঙ্গীর গেট পর্যন্ত বনানী, তেজগাঁও থানা; জাহাঙ্গীর গেট থেকে গণভবন পর্যন্ত মোহাম্মদপুর, লালবাগ, কামরাঙ্গীরচর, ধানমন্ডি, নিউমার্কেট, কলাবাগান ও হাজারীবাগ থানা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা দাঁড়িয়েছেন। তাঁরা এসেছেন মিনিবাসে চড়ে, বাসে চড়ে, ট্রাকে করে, কেউ কেউ ছাট ছোট মিছিল নিয়ে। প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে তাঁদের হাতে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের ব্যানার, ফেস্টুন, প্ল্যাকার্ড ও ছোট ছোট পতাকা। সড়কের কোনো কোনো স্থানে আবার ব্যান্ড পার্টি বাজানো হচ্ছে। চলছে দেশাত্মবোধক গান।

রাজধানীর এ সড়কে চাপ গিয়ে পড়েছে টঙ্গী পর্যন্ত। বাইরে থেকে ঢাকায় ফেরা দূরপাল্লার অনেক গাড়ির গতি টঙ্গীতে এসে কমে গেছে। এর মধ্যে রয়েছে আলম-এশিয়া, বন্যা, আশিয়ান, জলসিঁড়ি, ইসলাম পরিবহনের বাস।
তিতুমীর কলেজের শিক্ষার্থী নাজমুল হোসেন। বিমানবন্দরের সামনে বেলা ১টা ২০ মিনিটে কথা হয় তাঁর সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘ভাই আমার পরীক্ষা দুপুর ২টায়। গাড়ি না চললে আমি কীভাবে যাব। আগে থেকে টিভিতে একটু প্রচার করতে পারতো রাস্তা বন্ধ থাকবে। উপায় না পেয়ে উত্তরা থেকে হাঁটা শুরু করেছি।’
সালপিন আহমেদ ও শওকত কিশোরগঞ্জ থেকে ছেড়ে আসা অনন্যা পরিবহনের যাত্রী। সঙ্গে রয়েছে অনেক ব্যাগ। আবদুল্লাপুরে গাড়ি তিন ঘণ্টা আটকে থাকার কারণে বাধ্য হয়ে নেমে হাঁটা শুরু করেন তাঁরা।
মোহাম্মদ নামের এক সিএনজিচালিত অটোরিকশার চালক বলেন, বিমানবন্দর থেকে বের হয়ে বিমানবন্দরের সামনেই আড়াই ঘণ্টা দাঁড়িয়ে আছেন। তিনি বলেন, ‘সরকারের লোকজন আগে থেকে জানাতে পারত এ রোড দিয়ে আসা যাবে না। তাহলে আসতাম না। আজকে তো জমার টাকাও হবে না।’

প্রাইভেটকারের চালক লাভলু শেখ বিমানবন্দর থেকে তাঁর মালিককে নিয়ে বের হন। তিনি বলেন, ‘আমাদের আগে থেকে জানানো হতো এ সময় থেকে ওই সময় পর্যন্ত এ সড়ক ব্যবহার করা যাবে না। তাহলে এয়ারপোর্ট থেকে বের হতাম না। গাড়িতে এসি নাই। স্যার অসুস্থ। এমন একটা জায়গায় আটকা পড়েছি আশপাশে পানিও নাই।’


পূর্ববর্তী - পরবর্তী সংবাদ
                                       
ফেইসবুকে আমরা