বুধবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২১, ০৬:২৩ পূর্বাহ্ন
নোটিশঃ
আলোকিত কক্সবাজার অনলাইন পত্রিকার  উন্নয়ন কাজ চলছে ; সাময়িক সমস্যার জন্য আন্তিরকভাবে দুঃখিত - আলোকিত কক্সবাজার পরিবারে যুক্ত থাকায় আপনার কাছে কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ।

ফারজানার বিরুদ্ধে ১০০ কোটি টাকার মামলা ধর্ষণের মিথ্যা অভিযোগ করায়...

জসিম উদ্দীন,
  • প্রকাশিত সময় : বুধবার, ১১ নভেম্বর, ২০২০
  • ১৭৯ বার পড়া হয়েছে

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ ( বিজিবি’র) কক্সবাজারের একটি চেক পোস্টে তল্লাশি করার জেরে ক্ষুদ্ধ হয়ে বিজিবির সদস্যদের বিরুদ্ধে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের মিথ্যা অভিযোগ তোলে নিজেই ফেঁসে গেলেন বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা (এনজিও) ব্লাস্টের কর্মী ফারজানা আকতার (২৮)।

অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণিত হওযায় ফারজানার বিরুদ্ধে ১০০ কোটি টাকার মানহানি মামলা করেছে বিজিবি।

মঙ্গলবার (১০ নভেম্বর) কক্সবাজারের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তামান্না ফারাহর আদালতে বিজিবির পক্ষে মামলাটি দায়ের করেন টেকনাফ বিজিবি-২ ব্যাটালিয়নের দমদমিয়া তল্লাশি ফাঁড়ির দায়িত্বপ্রাপ্ত জেসিও নায়েব সুবেদার মোহাম্মদ আলী মোল্লা।

মামলায় এক মাত্র আসামী বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা (এনজিও) ব্লাস্টের কর্মী ফারজানা আকতার।তিনি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে কর্মরত আছেন বলে জানাগেছে।

বাদী মামলার অভিযোগে উল্লেখ করেছেন, বিজিবি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে দেশমাতৃকার স্বাধীনতার জন্য লড়াই করে বিজয় ছিনিয়ে আনা একটি বাহিনী। এমন একটি বাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধে ওই এনজিও নারী কর্মী অহেতুক উদ্দেশ্যপূর্ণভাবে গণধর্ষণের মতো মিথ্যা অপপ্রচার চালিয়েছেন, যা বিজিবির মতো একটি বাহিনীর ভাবমূর্তিতে মারাত্মকভাবে আঘাত হেনেছে। এ জন্যই বিজিবি আইনি পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে করে মামলার বাদীর নিয়োজিত আইনজীবী অ্যাডভোকেট সাজ্জাদুল করিম ও অ্যাডভোকেট জিয়া উদ্দিন আহমদ জানান, আসামি ফারজানা আকতার কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নে এনজিওটির কর্মী হিসেবে কর্মরত। তিনি অন্যান্য দিনের মতো গত ৮ অক্টোবর সকালে হ্নীলা থেকে সিএনজিচালিত ট্যাক্সিতে চড়ে টেকনাফ উপজেলা সদরে যাচ্ছিলেন।

এসময় কক্সবাজার-টেকনাফ মহাসড়কের দমদমিয়া বিজিবি তল্লাশি ফাঁড়িতে যথারীতি সিএনজিটি থামানো হয়। সিএনজির পাঁচজন যাত্রীর মধ্যে অন্য চারজন যথারীতি নেমে নিয়মমাফিক তল্লাশির কাজ সারেন। কিন্তু ওই নারী নিজেকে ব্লাস্ট এনজিওর কর্মী পরিচয় দিয়ে দাম্ভিকতা দেখিয়ে তল্লাশি এড়ানোর চেষ্টা করতে থাকেন। এতে বিজিবি সদস্যদের কাছে সন্দিগ্ধ হন তিনি।

পরে বিজিবির নারী সদস্যরা এসে তাঁকে সিএনজি থেকে নামিয়ে তল্লাশি করেন। এতে নারী কর্মী ফারজানা আকতার বিজিবির ওপর ক্ষুব্ধ হন। তিনি ক্ষোভের বশবর্তী হয়ে ফাঁড়ির পুরুষ সদস্যরা তাঁকে গণধর্ষণ করেছেন মর্মে অভিযোগ তোলেন। এমনকি তিনি ধর্ষণের অভিযোগ নিয়ে টেকনাফ থানায় বিজিবি সদস্যদের বিরুদ্ধে মামলাও দায়ের করতে যান।

কিন্তু মামলায় মেডিক্যাল সনদ দরকার জানালে ওই নারী কক্সবাজার সদর হাসপাতালে আসেন।

হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক শাহীন আবদুর রহমানের নেতৃত্বে গঠিত একটি মেডিক্যাল বোর্ড তাঁকে পরীক্ষা করে ধর্ষণের আলামত পাওয়া যায়নি বলে সনদ প্রদান করে।

এ বিষয়ে আসামি এনজিওকর্মী ফারজানা আকতারের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

অনলাইন বিজ্ঞাপন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

অনলাইন বিজ্ঞাপন

নিবন্ধনের জন্য আবেদিত
Design and Develop By MONTAKIM
themesba-lates1749691102