বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২০, ০৬:১৯ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
আলোকিত কক্সবাজার অনলাইন পত্রিকার  উন্নয়ন কাজ চলছে ; সাময়িক সমস্যার জন্য আন্তিরকভাবে দুঃখিত - আলোকিত কক্সবাজার পরিবারে যুক্ত থাকায় আপনার কাছে কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ।

‘তিন পুকুরে বদলে যাবে কক্সবাজারের সৌন্দর্য্য’ আজ উদ্বোধন হচ্ছে গোলদীঘি..

ওয়াহিদ রুবেলঃ
  • প্রকাশিত সময় : বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২০
  • ১৬১ বার পড়া হয়েছে

পর্যটকদের অন্যতম তীর্থস্থান কক্সবাজার। সাগর আর পাহাড়ের মিথালি বাড়িয়ে তুলেছে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য। পাহাড় থেকে বয়ে নামা ঝর্ণা আর ইনানী সৈকতের পাহাড় কিংবা প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিন হাতছানি দিয়ে ডাকে ভ্রমন পিপাসুদের। প্রকৃতির মনোমুগ্ধকর এমন পরিবেশের সাথে কক্সবাজারের সৌন্দর্য্য বৃদ্ধি করতে কক্সবাজারের পরিত্যাক্ত তিনটি পুকুরকে সাজিয়ে নিয়েছে কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (কউক)। সমুদ্র সৈকতের পাশাপাশি পুকুর তিনটির মনোমুগ্ধকর চিত্র পর্যটকদের আনন্দ দেবে। এমনটাই মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

এদিকে আজ বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) গোলদীঘির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন সরকারের গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শরিফ আহমেদ।

কউক কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, পর্যটন নগরি কক্সবাজারকে পরিকল্পিতভাবে সাজাতে শুরু থেকে উদ্যোগ নিয়েছে কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ। এছাড়া সমুদ্র সৈকত ছাড়া কক্সবাজারে বিনোদনের জন্য তেমন কোন কিছুই নেই। তাই শহরের অভ্যন্তরে দীর্ঘদিন পরিত্যাক্ত লালদীঘি, গোলদীঘি এবং নাপিতের পুকুরকে সাজাতে উদ্যোগ নেয়া হয়। পুকুর তিনটির মধ্যে গোলদীঘির কাজ ৯৯ ভাগ শেষ হয়েছে। যেটি বৃহস্পতিবার উদ্বোধন করা হচ্ছে। পুকুর তিনটির সৌন্দর্য্য কক্সবাজারে আগত পর্যটকদের বাড়তি বিনোদন দিবে।

পরিবর্তীত পুকুর তিনটিতে ভৌত সুযোগ সুবিধার উন্নয়ন ঘটিয়ে আধুনিকায়ন করা হয়েছে বলেও জানানো হয়। এছাড়া সবুজ বেস্টনী, সাইকেল স্ট্যান্ড, পুকুরের পাড় বাধাই, ওয়াকওয়ে নির্মাণ, রিটেনিং ওয়াল নির্মাণ, আলোকসজ্জা, বিদ্যুতায়ন, পয়:নিষ্কাশন ও পানি সরবরাহ ব্যবস্থা থাকবে। সুন্দর্য্য বর্ধন করতে প্রকল্প তিনটিতে ব্যয় করা হয়েছে ৩৬ কোটি টাকা।

প্রকল্প পরিচালক লে:কর্ণেল মোহাম্মদ আনোয়ার উল ইসলাম বলেন, শুরুতে পুকুরের আশেপাশে থাকা মানুষগুলোর অসহযোগিতা পেয়েছিলাম। কিন্তু কক্সবাজার শহরের সৌন্দর্য্য বৃদ্ধি ও দীঘি তিনটির আধুনিকায়নের স্বার্থে আমরা পিছ পা হয়নি। সরকারি জমি পুণরুদ্ধার করে উন্নয়নের কাজ শেষ করেছি। মানুষ এবার সৌন্দর্য্য উপভোগ করবে।

তিনি বলেন, গোলদীঘি পাড়ের কাজ শেষ হয়েছে। অন্য দুটির কাজও প্রায় শেষ পর্যায়ে। তিনটি পুকুরের কাজ শেষ হলে বদলে যাবে কক্সবাজারের চেহরাও।

উন্নয়ন কতৃপক্ষের চেয়ারম্যান লে:কর্ণেল ফোরকান আহমদ বলেন, কক্সবাজারকে ঢেলে সাজাতে প্রধানমন্ত্রীর দেয়া দায়িত্ব চার বছরের মতো হয়েছে। প্রথম বছর গোটা জেলার সমস্যা ও সম্ভাবনাগুলো সনাক্ত করেছি। ২য় বছরে এগুলোর প্রকল্প তৈরি ও একনেকে অনুমোদনের জন্য সম্ভাব্য বাজেট চেয়ে মন্ত্রনালয়ে প্রস্তাবনা দেয়া হয়েছে। দ্বিতীয় মেয়াদে এসে যেই প্রকল্পগুলোর অনুমোদন ও বাজেট পেয়েছি সেগুলোর কিছু কাজ শেষ করছি এবং কয়েকটি প্রকল্প চলমান রয়েছে। তার মধ্যে কউকের বহুতল ভবণও রয়েছে। আশা করছি যথা সময়ে প্রকল্পগুলোর কাজ শেষ হবে। যানজটে নাকাল প্রধান সড়কের ব্যপারে হলিডের মোড় থেকে বাসটার্মিনাল পর্যন্ত দু-লেনের রাস্তার প্রস্তাবণা দেয়া হয়েছে অনেক আগে। একটি পুকুরের সৌন্দর্য্য বর্ধনের কাজ শেষ হয়েছে। সেটি আজ উদ্বোধন করা হবে। পাশাপাশি প্রধান সড়ক উন্নয়নের কাজও শুরু করা হবে এ সপ্তাহে।

অনলাইন বিজ্ঞাপন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

অনলাইন বিজ্ঞাপন

নিবন্ধনের জন্য আবেদিত
Design and Develop By MONTAKIM
themesba-lates1749691102