সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৭:০৭ পূর্বাহ্ন
নোটিশঃ
আলোকিত কক্সবাজার অনলাইন পত্রিকার  উন্নয়ন কাজ চলছে ; সাময়িক সমস্যার জন্য আন্তিরকভাবে দুঃখিত - আলোকিত কক্সবাজার পরিবারে যুক্ত থাকায় আপনার কাছে কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ।

টেকনাফে পুলিশের গুলিতে সাবেক সেনা কর্মকর্তার মৃত্যু

ডেস্ক নিউজঃ
  • প্রকাশিত সময় : শনিবার, ১ আগস্ট, ২০২০
  • ৫১৪ বার পড়া হয়েছে

কক্সবাজারের টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের বাহারছড়াস্থ চেকপোস্টে পুলিশের গুলিতে সেনা বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত এক মেজর নিহত হয়েছেন। শুক্রবার (৩১ জুলাই) রাত সাড়ে ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত সেনা কর্মকর্তা সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান (৩৬) যশোরের ১৩ বীর হেমায়েত সড়কের সেনানিবাস এলাকার মৃত এরশাদ খানের ছেলে।

পুলিশ জানিয়েছে, ওই সেনা কর্মকর্তা তার ব্যক্তিগত গাড়িতে করে অপর সঙ্গীসহ টেকনাফ থেকে কক্সবাজার আসছিলেন। মেরিন ড্রাইভ সড়কের বাহারছড়া চেকপোস্টে পুলিশ গাড়িটি থামিয়ে তল্লাশি করতে চাইলে তিনি বাধা দেন। এ নিয়ে তর্কাতর্কির এক পর্যায়ে সেনা কর্মকর্তা তার কাছে থাকা পিস্তল বের করলে পুলিশ গুলি চালায়। এতে ওই সেনা কর্মকর্তা গুরুতর আহত হয়। পরে তাকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। শনিবার দুপুরে তার ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে।

কক্সবাজারের পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেন জানিয়েছেন, ঈদের দিন সারাদেশে আততায়ীরা হামলা চালাতে পারে এমন একটি সতর্কবার্তা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো ছিল। এ নিয়ে বাড়তি সতর্কতায় ছিল জেলা পুলিশ। বিশেষ করে উখিয়া-টেকনাফে রোহিঙ্গা অধ্যষিত এলাকা হওয়া রেড এলার্টে ছিল শৃংখলাবাহিনীর সদস্যরা। এমনই সময়ে শুক্রবার রাতে শাপলাপুরের একটি পাহাড় থেকে নেমে বোরকা সদৃশ বস্তু পরিহিত দু’তিনজন মানুষ কারে উঠলে স্থানীয় লোকজন গাড়ির আরোহীদের ডাকাত বা আততায়ী সন্দেহ করে পুলিশকে খবর দেয়। বিষয়টি গুরুত্ব নিয়ে পুলিশ মেরিন ড্রাইভ চেকপোস্টে গাড়িটি থামানোর চেষ্টা করে। কিন্তু গাড়ির আরোহী একজন তার পিস্তল বের করে পুলিশকে গুলি করার চেষ্টা করলে আত্মরক্ষার্থে পুলিশ গুলি চালায়। এতে ওই ব্যক্তি মারা যায়।

এসপি আরও জানান, এ ঘটনায় দুটি মামলা হয়েছে। আটক রয়েছে ২ জন। পুলিশ পিস্তলটি জব্দ করেছে। এছাড়া গাড়ি তল্লাশি করে ৫০ পিস ইয়াবা, কিছু গাঁজা এবং দুটি বিদেশি মদের বোতল উদ্ধার করা হয়েছে। একই ধরনের মদের বোতল এবং নানা ধরনের মাদক মিলেছে তাদের অবস্থান করা রিসোর্টেও।

নিহত অব. মেজর সিনহা একটি তথ্য চিত্র ধারণের কাজে এক নারী ও অপর ৩ পুরুষ সঙ্গীসহ গত এক মাস ধরে হিমছড়ি এলাকার নীলিমা রিসোর্টে অবস্থান করছিলেন বলে জানতে পেরেছি। ঘটনার সময় তার গায়ে সেনাবাহিনীর গেঞ্জি পরিহিত ছিলেন। এ কারণে সন্দেহ আরও বেড়েছিল।

অপর একটি সূত্র জানিয়েছে, মেজর অব. সিনহা মোহাম্মদ রাশেদের মেরিন ড্রাইভে পুলিশের গুলিতে নিহত হওয়ার বিষয়টি তদন্তে একজন উপ-সচিবের নেতৃত্বে তদন্ত কমিটি গঠন করেছে সরকার। তিনি ইতোপূর্বে এসএসএফে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি বিএমএ লং কোর্সের ৫০তম ব্যাচের কর্মকর্তা।

সূত্র-জাগোনিউজ

অনলাইন বিজ্ঞাপন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

অনলাইন বিজ্ঞাপন

নিবন্ধনের জন্য আবেদিত
Design and Develop By MONTAKIM
themesba-lates1749691102