শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২০, ০৮:১৬ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
আলোকিত কক্সবাজার অনলাইন পত্রিকার  উন্নয়ন কাজ চলছে ; সাময়িক সমস্যার জন্য আন্তিরকভাবে দুঃখিত - আলোকিত কক্সবাজার পরিবারে যুক্ত থাকায় আপনার কাছে কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ।

চাঁদাবাজির অভিযোগ এসআই আরিফ’র বিরুদ্ধে ফৌজদারি দরখাস্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক:
  • প্রকাশিত সময় : রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ১৮০ বার পড়া হয়েছে

এবার কক্সবাজার মডেল থানার এসআই আরিফ উল্লাহর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ ফৌজদারি দরখাস্ত দায়ের করা হয়েছে। কক্সবাজার সদর উপজেলার ঝিলংজার উত্তর ডিককুল এলাকার হাজী শামশুল আলমের ছেলে আবুল কাশেম বাদী হয়ে কক্সবাজার সিনিয়র জুড়িসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৪ (সদর) এর বিচারক তামান্না ফারাহ’র আদালতে অভিযোগ দায়ের করা হয়।

আদালত মামলাটি শোনানির জন্য রেখেছেন।

বাদী তার আরজিতে উল্লেখ করেন, বাদীর ভাগিনা জাহাঙ্গীর আলম সোহেল (২৬) কক্সবাজার সরকারি কলেজ থেকে ২০১৯ সনে ডিগ্রী ফাইনাল পরিক্ষায় অংশ গ্রহণ করেন। শিক্ষার্থী হিসেবে সে মেধাবী এবং কোন ধরনের সামাজিক বা রাষ্ট্রবিরোধী অপরাধের সাথে জড়িত ছিল না। তার নামে থানায় কোন অভিযোগ বা সাধারণ ডাইরিও নেই। এর পরও গত ৫ জুন রাত সাড়ে বারোটার দিকে বাড়ি ফেরার পথে কক্সবাজার শহরের আলির জাহাল নামক স্থান হতে সোহেলকে ফোর্সসহ আটক করে থানায় নিয়ে যান আসামী এসআই মো: আরিফ উল্লাহ (বিপি-৮৫০৩০৪৮৫৬৯) কক্সবাজার সদর থানা। খবর পেয়ে আমরা(বাদী) ভাগিনাকে আটকের বিষয়ে জানতে থানায় গেলে আসামী ৪৫ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করে। আমার বোনের অসহায়ত্ব আর কান্না সহ্য করতে না পেরে ভাগিনাকে ছাড়িয়ে নিতে তার কথায় সম্মত হয়ে আমি (বাদী) থানায় আসামীর অফিস কক্ষে গিয়ে নিজ হাতে ৪৫ হাজার টাকা প্রদান করি। আসামী ভাগিনাকে ছেড়ে দিতে আরো ৪৫ হাজার টাকা দাবি করে। অন্যথায় ইয়াবার মামলা দিয়ে কারাগারে চালান দিবে বলে হুমকি দেয়। কিন্তু পিতাহীন ভাগিনার অসহায়ত্বের কথা বলে তার কাছে আকুতি মিনতি করি। কিন্তু আসামী ভাগিনাকে ছেড়ে না দিয়ে উল্টো ৪০০পিস ইয়াবায় মামলায় আসামী করে কারাগারে প্রেরণ করে (কক্সবাজার সদর থানা মামলা নং ১০/২০২০। জিআর ৪৪১/২০২০)। আমার সাথে প্রতারণা করে ৪৫ হাজার টাকা আত্মসাৎ করেন আরিফ। উক্ত টাকার ব্যাপারে কাউকে জানালে আমাকেও (বাদী) মামলায় জড়ানোর হুমকি দেয়।

বাদী তার আরজিতে আরো উল্লেখ করেছেন, আসামী আরিফ উল্লাহর দায়ের করা মামলায়, কক্সবাজার শহরের রুমালিয়ারছড়ার গোদারবলি এলাকার জনৈক ইয়াসিনের ভাড়া বাসার দুই নাম্বার কক্ষ থেকে ৪০০পিস ইয়াবাসহ আমার ভাগিনাকে আটক করা হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। অথচ সোহেলকে আটক করা হয়েছে আলির জাহাল এলাকা থেকে। তার কাছ থেকে কোন প্রকার ইয়াবা উদ্ধার করা হয়নি।

বাদী পক্ষের আইনজীবী ছিলেন মো: ইব্রাহীম।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে অভিযুক্ত এসআই আরিফ উল্লাহ বলেন, ক্সবাজার শহরের রুমালিয়ারছড়া গোদারপাড়া এলাকার জনৈক ইয়াসিনের ভাড়া ১ নং বাসায় ইয়াবা মজুদ রয়েছে খবর পেয়ে অভিযান চালানো হয়। সেখানে ইয়াবাসহ যাকে পাওয়া যায় তিনি স্বীকারোক্তি দিয়েছিলেন জাহাঙ্গীর আলম সোহেল তার পার্টনার। সে সূত্রে তাকে আটক করে মামলায় আসামী করে চালান দেয়া হয়েছে। টাকা নেয়া বা দাবির বিষয়টি সঠিক নয়।

অনলাইন বিজ্ঞাপন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

অনলাইন বিজ্ঞাপন

নিবন্ধনের জন্য আবেদিত
Design and Develop By MONTAKIM
themesba-lates1749691102