শনিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২১, ১১:৩৬ পূর্বাহ্ন
নোটিশঃ
আলোকিত কক্সবাজার অনলাইন পত্রিকার  উন্নয়ন কাজ চলছে ; সাময়িক সমস্যার জন্য আন্তিরকভাবে দুঃখিত - আলোকিত কক্সবাজার পরিবারে যুক্ত থাকায় আপনার কাছে কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ।

ঘুষ ছাড়া কাজ হয় না বারবাকিয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসে !

মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন, পেকুয়া
  • প্রকাশিত সময় : সোমবার, ১১ অক্টোবর, ২০২১
  • ৩৭ বার পড়া হয়েছে

কক্সবাজার জেলার পেকুয়া উপজেলার বারবাকিয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসে ঘুষ ছাড়া কাজ হয় না! সেবা নিতে সেখানে পদে পদে ঘুষ দিতে হচ্ছে বলে জানিয়েছেন একাধিক সেবাপ্রার্থী। ঘুষ দিতে না চাইলে সেবা প্রার্থীদের কোন কাজ করেনা তহশিলদার!

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, ইউনিয়ন ভূমি অফিসের তহশিলদার হেলাল উদ্দিন ও উম্মেদার মৌলভী নুরুল আবছারের নেতৃত্বে দীর্ঘদিন ধরেই চলছে ঘুষ বাণিজ্য। ঘুষ না পেলে একটি ফাইলও ছাড়েন না। শুধু তাই নয়, তারা একজনের জমি আরেকজনকে খারিজ দিয়ে চেক কাটেন এবং সংশোধনের নামে আবারও মোটা অংকের টাকা দাবি করে থাকেন।

ইতোমধ্যে বারবাকিয়া ভূমি অফিসে ঘুষের টাকা লেনদেনের একটি ভিডিও ক্লিপ সাংবাদিকদের হাতে এসেছে।

জানা গেছে, বারবাকিয়া ভূমি অফিসের তহশিলদার ও উম্মেদার নুরুল আবছারের কাছে সাধারণ মানুষ জিম্মি। ভূমি অফিসে গিয়ে তারা অসহায় হয়ে পড়েন। অনেকে দালালদের দিয়ে কাজ করিয়েছেন। অনেকে আবার টাকা দিয়ে প্রতারিতও হয়েছেন। দালাল টাকা নিয়েছে ঠিকই, তবে কাজ করে দেয়নি। সেখানে কথা বলে নানা হয়রানির কথা জানা গেল।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, নাম প্রস্তাব, সার্ভে রিপোর্ট, নামজারি, ডিসিআর সংগ্রহ, মিস কেস ও খাজনা দাখিল থেকে শুরু করে সবকিছুতেই বারবাকিয়া ভূমি অফিসে ঘুষের কারবার চলছে সমানতালে। জমির দামের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে ঘুষ লেনদেন! এখানে দালালদের সিন্ডিকেট অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠেছে।

ভূক্তভোগীদের অভিযোগ, বৈধ কাজে গিয়েও প্রকৃত মালিকদের নানা হয়রানির শিকার হতে হয়। অসাধু উম্মেদারকে ‘ম্যানেজ’ করে খারিজ পার করতে হয়। জমির মালিকরা টাকা দিয়েও জমি খারিজ করতে গিয়ে হয়রানির শিকার হচ্ছেন। অফিসের দালাল ও উমেদারের উৎপাত বেশি। সাধারণ মানুষ অতিষ্ঠ। তবে টাকা দিলে তদন্ত প্রতিবেদন, সার্ভে রিপোর্ট আর নামজারি খতিয়ানের অবৈধ কাগজ বের করা কোনো ব্যাপারই না।

অনুসন্ধানে জানা যায়, খাস জমি, বনের জমি, একজনের জমি অন্যের নামে নামজারি করে দেয়াসহ নানা অনিয়ম হয় বারবাকিয়া ভূমি অফিসে। সেখানকার উমেদার নুরুল আবছারসহ আরো কয়েকজন সরকারি বা বেসরকারিভাবে কোনো বেতন পান না। জমির মালিকদের কাছ থেকে প্রাপ্ত ঘুষের টাকা থেকে তারা ভাগ পান।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে বারবাকিয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসের তহশিলদার হেলাল উদ্দিনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি তার বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ সঠিক নয় দাবি করেন। তিনি বলেন, তার কার্যালয়ে ঘুষের কোন লেনদেন হয়না।

অনলাইন বিজ্ঞাপন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

অনলাইন বিজ্ঞাপন

নিবন্ধনের জন্য আবেদিত
Design and Develop By MONTAKIM
themesba-lates1749691102