শনিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২১, ১২:০১ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
আলোকিত কক্সবাজার অনলাইন পত্রিকার  উন্নয়ন কাজ চলছে ; সাময়িক সমস্যার জন্য আন্তিরকভাবে দুঃখিত - আলোকিত কক্সবাজার পরিবারে যুক্ত থাকায় আপনার কাছে কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ।

গৃহহীনদের ঘর দিয়ে রাজপথের শ্লোগান বাস্তবে রুপ দিলেন প্রধানমন্ত্রী বসতি দিবসের সেমিনারে বক্তারা...

ওয়াহিদ রুবেল:
  • প্রকাশিত সময় : মঙ্গলবার, ৫ অক্টোবর, ২০২১
  • ৯০ বার পড়া হয়েছে

এক সময় বিভিন্ন রাজনৈতিক দল শ্লোগান দিতেন, ‘কেউ খাবে কেউ খাবে না, তা হবে না, তা হবেনা’। ‘কেউ থাকবে গাছ তলায় কেউ থাকবে উপর তলায়, তা হবে না, তা হবেনা’। রাজপথের এ শ্লোগান এখন বাস্তব। মুবিজবর্ষে দেশের প্রায় ৯ লাখ গৃহহীন মানুষকে ঘর নির্মাণ করে দিয়ে সে শ্লোগানকে বাস্তবে রুপ দিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পৃথিবীর ইতিহাসে এমন রাষ্ট্র নায়ক খোঁজে পাওয়া যাবে না যা প্রধানমন্ত্রী করেছেন। একই সাথে দেশে এখন কেউ না খেয়েও থাকে না।

মঙ্গলবার (৫ অক্টোবর) সকালে কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (কউক) আয়োজিত বিশ্ব বসতি দিবসের এক সেমিনারে অংশ নিযে সভায় বক্তারা এসব কথা বলেছেন।

“নগরী কর্মপন্থা প্রয়োগ করি, কার্বন মুক্ত বিশ্বগড়ি” এ শ্লোগানে অনুষ্ঠিত সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন কউক চেয়ারম্যান লেঃ কর্ণেল অবঃ ফোরকান আহমেদ।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, কুতুবদিয়া-মহেশখালী আসনের সাংসদ আশেক উল্লাহ রফিক।

সেমিনারে বক্তারা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাতাসে কার্বণ বেড়ে যাওয়ায় আতংকে রযেছে বিশ্ববাসি। কার্বণের মাত্রা কমিয়ে আনতে বৃক্ষ রোপনের মাধ্যমে সবুজায়নের বিকল্প নেই। তাই প্রত্যেকের উচিত নিজ নিজ আঙ্গিনায় অন্তত একটি করে বৃক্ষ রোপন করা। কারণ বিভিন্ন উৎস থেকে নিসৃত কার্বণ গ্রহণ করে গাছ। মনে রাখতে হবে কার্বণ নিঃসরণ বন্ধ করা যাবে না, কিন্তু এটি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।


কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের সুন্দর্য রক্ষার দাবি জানিয়ে বক্তারা আরো বরেন, বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজারকে পরিকল্পিতভাবে সাজিয়ে দেশী পর্যটকদের পাশাপাশি বিদেশি পর্যটকদের আকৃষ্ট করতে তাদের জন্য আলাদা জোন করতে হবে। একই সাথে শিশুদের জন্যও কিডস জোন স্থাপন করতে হবে। যদি পর্যটকদের জন্য সুযোগ সুবিধা বৃদ্ধি করা যায় তবে বিশ্ব দরবারে আরেক ধাপ এগিয়ে যাবে পর্যটন রাজধানী কক্সবাজার। তাই কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে স্থাপিত সব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করতে করতে হবে।

রোহিঙ্গা প্রভাবের কথা উল্লেখ করে বক্তারা বলেন, আমাদের সীমিত ভূমিতে বেড়ে চলা জনসংখ্যার আবাস নিশ্চিত করতে গিয়ে ইতিমধ্যে অপরিকল্পিতভাবে অনেক ভূমির হারিয়ে গেছে। এখন যোগ হয়েছে রোহিঙ্গাদের বিশাল একটি গোষ্ঠী। রোহিঙ্গাদের স্থান দিতে গিয়ে কৃষি জমির পাশাপাশি ধ্বংস হয়েছে প্রায় ৯ হাজার একর সবুজ বনভূমিও। তাই কক্সবাজারকে ঘিরে নেযা মাস্টার প্লানটি দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে।

কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সচিব (কউক) আবু জাফর রাশেদের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সেমিনারে বক্তব্য রাখেন, কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট ফরিদুল ইসলাম চৌধুরী, কউক সদস্য (প্রকৌশল) লেঃ কর্ণেল খিজির খান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (মানব সম্পদ) নাসিম আহমেদ, ট্যুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মহি উদ্দিন আহমেদ, কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি রেজাউল করিম, উত্তর বনবিভাগের বিভাগীয় বনকর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন সরকার, গণপূর্ত বিভাগের প্রধান নির্বাহী প্রকৌশলী ইমতিয়াজ আহমেদ, নগর পরিকল্পনা কর্মকর্তা নাজিম আহমেদ।

অনলাইন বিজ্ঞাপন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

অনলাইন বিজ্ঞাপন

নিবন্ধনের জন্য আবেদিত
Design and Develop By MONTAKIM
themesba-lates1749691102