রবিবার, ২০ জুন ২০২১, ০১:১২ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
আলোকিত কক্সবাজার অনলাইন পত্রিকার  উন্নয়ন কাজ চলছে ; সাময়িক সমস্যার জন্য আন্তিরকভাবে দুঃখিত - আলোকিত কক্সবাজার পরিবারে যুক্ত থাকায় আপনার কাছে কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ।

ক্ষতিপূরণের দাবিতে উচ্চ আদালতে যাবো

প্রেস বিজ্ঞপ্তি:
  • প্রকাশিত সময় : বুধবার, ২ জুন, ২০২১
  • ১৬৯ বার পড়া হয়েছে

গত ২১ মে বাঁশখালীর পুঁইছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি সদস্য মোঃ কামাল হোসাইনের সাথে পেকুয়া আরব শাহ্ বাজারে মাছ বিক্রি করতে না দেওয়ায় ১৫ লক্ষ টাকার ক্ষতি হওয়ার ঘটনা ঘটে।

কামাল জানান গত ১০ এপ্রিল আরব শাহ্ বাজারে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ উপ-কমিটির প্রোগ্রামে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ উপ কমিটির সদস্য, এরশাদুর রহমান চৌধুরীর সাথে উপস্থিত ছিলেন বিধায় এই প্রতিহিংসার শিকার হয়েছেন।

তিনি আরো বলেন, আপনারা অবগত আছেন যে গত শুক্রবার (২১) মে বিকাল ৩ ঘটিকার সময় মাছ বিক্রি করার উদ্দেশ্যে দুটি ইঞ্জিন চালিত ফিশিং বোটে প্রায় ১৫ লক্ষাধিক টাকার মাছ নিয়ে আমি আরবশাহ্ বাজার গেলে রাজাখালী আরব শাহ্ বাজারের পাহারাদার নুরুন্নবী ও রিদওয়ান এসে মাছ আনলোড করতে বাধা প্রদান করেন। কেন আমাকে বাধা প্রদান করা হচ্ছে জানতে চাইলে বাজারের পাহারাদার নুরুন্নবী ও রিদওয়ান স্থানীয় বিএনপি নেতা গিয়াস উদ্দিন মিয়ার হুকুমে বাধা প্রদান করা হচ্ছে বলে জানায়। এক পর্যায়ে মাছ বিক্রি করতে না পেরে আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছি বিধায় রাজাখালী ইউনিয়নের মিয়া পাড়ার মরহুম আহমদ কবীর চৌধুরীর পুত্র এ জে এম গিয়াস উদ্দিন চৌধুরী প্রকাশ গিয়াস উদ্দিন মিয়ার বিরুদ্ধে পেকুয়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করি।

থানায় প্রথম বৈঠকে গিয়াস উদ্দিন অনুপস্থিত থাকায় দ্বিতীয় বৈঠকের সময় নির্ধারণ করেন গত ২৪ মে সন্ধ্যা সাতটায় দ্বিতীয় বারের মতো বৈঠকে গিয়াস উদ্দিন অনুপস্থিত থাকায় থানার উপর আস্থা হারিয়ে পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে ক্ষতিপূরণ চেয়ে অভিযোগ দাখিল করেন ইউপি সদস্য কামাল হোসেন। কামাল হোসেনের আবেদনের প্রেক্ষিতে অদ্য ২ জুন সকাল ১১ঘটিকার সময় শুনানির দিন ধার্য করে গিয়াস উদ্দিনকে হাজির থাকার জন্য নোটিশ দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মোতাছেম বিল্যাহ।

কিন্তু বরাবরের মতই গিয়াস উদ্দিন মিয়া আজকেও অনুপস্থিত তবে উনি তার পক্ষ হতে প্রতিনিধি পাঠিয়েছেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দীর্ঘ এক ঘন্টা ব্যাপি উভয় পক্ষের কথা শুনেন এবং সিদ্ধান্ত দেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মোতাছেম বিল্যাহ বলেন, যেহেতু ক্ষতিপূরণ দেওয়ার এখতিয়ার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নেই সেহেতু ক্ষতিপূরণের জন্য উচ্চ আদালতে যেতে হবে এবং আরব শাহ বাজার নিয়ে যদি আর কেউ কোন রকমের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করে আমি সাথে সাথে ব্যবস্থা নিবো।

কামাল হোসেন বলেন, আমি থানা এবং ইউএনও’র কাছে অভিযোগ দিয়ে ক্ষতিপূরণ না পেয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছি ক্ষতিপূরণের দাবিতে উচ্চ আদালতে যাবো।

অনলাইন বিজ্ঞাপন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

অনলাইন বিজ্ঞাপন

নিবন্ধনের জন্য আবেদিত
Design and Develop By MONTAKIM
themesba-lates1749691102