রবিবার, ২০ জুন ২০২১, ০১:২৩ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
আলোকিত কক্সবাজার অনলাইন পত্রিকার  উন্নয়ন কাজ চলছে ; সাময়িক সমস্যার জন্য আন্তিরকভাবে দুঃখিত - আলোকিত কক্সবাজার পরিবারে যুক্ত থাকায় আপনার কাছে কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ।

ওসি প্রদীপ এখন কক্সবাজার কারাগারে

ওয়াহিদ রুবেল:
  • প্রকাশিত সময় : বৃহস্পতিবার, ১০ জুন, ২০২১
  • ৪০ বার পড়া হয়েছে

দীর্ঘ সাত মাস পর অবশেষে অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান হত্যার প্রধান আসামী টেকনাফ থানার সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশকে চট্টগ্রাম কারাগার থেকে কক্সবাজার কারাগারে স্থানান্তর করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১০ জুন) বিকেল ৩টা ২৫ মিনিটে তাকে বহনকারী প্রিজনভ্যানটি কক্সবাজার কারাগারে পৌঁছে।

চট্টগ্রাম কারাগারের জেলার খন্দকার গোলাম হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি সাংবাদিকদের বলেন, আলোচিত সিনহা হত্যা মামলায় অভিযুক্ত ওসি প্রদীপকে দুদকের একটি মামলায় হাজির হতে চট্টগ্রাম কারাগারে রাখা হয়েছিল। বৃহস্পতিবার সকাল পৌনে ১১টার দিকে চট্টগ্রাম কারাগার থেকে প্রিজন ভ্যানে করে ওসি প্রদীপকে কক্সবাজার কারাগারের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তবে, করোনার কারণে আদালত বন্ধ থাকায় তাকে সরাসরি কক্সবাজারের কারা কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলে জানান তিনি।

কক্সবাজার কারাগারের জেলার মোঃ মোস্তাফা কামাল জানান, বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে চট্টগ্রাম কারাগারের একটি প্রিজন ভ্যানে করে কড়া নিরাপত্তাব্যবস্থার মধ্য দিয়ে ওসি প্রদীপকে নিয়ে কক্সবাজারে পৌঁছে। এর পর নিয়ম অনুযায়ী আমরা ওসি প্রদীপকে গ্রহণ করেছি।

উল্লেখ্য, ২০২০ সালের ৩১ জুলাই রাত সাড়ে ৯টার দিকে টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের মেরিন ড্রাইভ সড়কের শামলাপুর এপিবিএন তল্লাশি চৌকিতে পুলিশের তৎকালীন পরিদর্শক লিয়াকত আলীর গুলিতে মেজর (অব.) সিনহা নিহত হন। ৫ আগস্ট মেজর সিনহার বড় বোন শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌস বাদী হয়ে পুলিশের নয় সদস্যকে আসামি করে কক্সবাজার আদালতে হত্যা মামলা করেন।

আদালত বাদীর এজাহারটিকে সরাসরি হত্যা মামলা হিসেবে রুজু করার জন্য টেকনাফ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) আদেশ দেন। একই সাথে মামলাটি তদন্তের জন্য র‌্যাব-১৫কে দায়িত্ব দেন।

একই বছরের ১৩ ডিসেম্বর ওসি প্রদীপ কুমার দাসসহ ১৫ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দিয়েছে তদন্ত কর্মকর্তা র‌্যাব-১৫-এর সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মো. খায়রুল ইসলাম।

মামলায় গ্রেফতার ১৪ আসামিকে র‌্যাবের তদন্তকারী কর্মকর্তা বিভিন্ন মেয়াদে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। তাদের মধ্যে টেকনাফ থানার সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশ ও কনস্টেবল রুবেল শর্মা ছাড়া ১২ জন আসামি আদালতে ঘটনার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

অনলাইন বিজ্ঞাপন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

অনলাইন বিজ্ঞাপন

নিবন্ধনের জন্য আবেদিত
Design and Develop By MONTAKIM
themesba-lates1749691102