শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২০, ০৮:৩৭ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
আলোকিত কক্সবাজার অনলাইন পত্রিকার  উন্নয়ন কাজ চলছে ; সাময়িক সমস্যার জন্য আন্তিরকভাবে দুঃখিত - আলোকিত কক্সবাজার পরিবারে যুক্ত থাকায় আপনার কাছে কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ।

ইসলামপুর চেয়ারম্যান আবুল কালামের বিরুদ্ধে সমাবেশ

ওয়াহিদ রুবেল:
  • প্রকাশিত সময় : বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ৩৪৩ বার পড়া হয়েছে

কক্সবাজার সদর উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে খাল দখল, পাহাড় কাটা, বনের জায়গা দখল, খাল দখল, রেললাইনে শ্রমিকের বেতন থেকে কমিশন আদায়, সরকারি ত্রাণে বিতরেণ অনিয়মসহ নানা অভিযোগে তুলেছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। বুধবার (৯সেপ্টেম্বর) বিকাল চারটায় ইউনিয়নের নতুন অফিস বাজারে এক সমাবেশে এসব অভিযোগ তুলেছেন তারা। সমাবেশে বক্তারা তার বিরুদ্ধে আইন গত ব্যবস্থ নেয়ার দাবি জানান।

এ সময় বৃষ্টি উপেক্ষা করে শত শত মানুষে প্রতিবাদ সমাবেশে যোগ দেন।

বক্তারা বলেন, ইসলামপুর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান আবুল কালাম এবং তার দুই ভাই আরিফ ও শরিফ এলাকায় রাম রাজত্ব কায়েম করেছে। চেয়ারম্যান হওয়ার আগেও যাদের অবস্থা ছিলো শূণ্যের কৌটায় সেখানে এখন তারা শত কোটি টাকার মালিক। এত টাকার উৎস কি তা খোঁজে বের করতে হবে। দিন দুপুরে বনভ‚মি দখল করে পাহাড়ের মাটি বিক্রি করলেও বনবিভাগ থেকে কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। পরিবেশ অধিদপ্তর নামে মাত্র নোটিশ প্রদান করলেও কার্যকর কোন ব্যবস্থা না নেয়া হাতশাজনক। যার ফলে ফলে তারা দ্বিগুণ উৎসাহ নিয়ে তারা অপরাধ করে যাচ্ছে। মাথার ঘাম পায়ে ফেলে যেসব শ্রমিক কাজ করছে অমানবিকভাবে তাদের বেতন থেকে কমিশন নিচ্ছে চেয়ারম্যান। করোনকালিন সময়ে সরকারি ত্রাণ বিতরনে অনিয়ম করে কয়েকবার সংবাদের শিরোনাম হয়েছেন এ চেয়ারম্যান। তারপরও কি এমন অদৃশ্য শক্তির ইশারায় তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছেনা এমন প্রশ্ন রাখেন বক্তারা।

বক্তারা বলেন, গত কয়েক মাস আগে ‘কৌলাশের ঘোনা’ নামে একটি চিংড়ি ঘের মোটা অংকের টাকায় ইজারা নিয়ে জমির মালিকদের ন্যায্য পাওনা দিচ্ছেন না চেয়ারম্যান। টাকা চাইতে গেলে উল্টো মেরে ফেলার হুমকি ধমকি দেন বলেও অভিযোগ তুলেন ভোক্তভ‚গীরা। একই সাথে উক্ত ঘেরের পার্শ্বে নাফিতখালী খাল ও প্যারাবন দখল করে কয়েক হাজার কেওড়া গাছ কেটে ঘের করেছে চেয়ারম্যান গ্যাং। খাল দখল হওয়ায় একদিকে যেমন ইসলামপুরের লবন ইন্ড্রাস্ট্রিতে আনা লবন বোঝাই ট্রলার চলাচলে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে, তেমনি অন্যদিকে প্যারাবন ধ্বংস হওয়ায় প্ররিবেশ ও প্রতিবেশের মারাক্তক ক্ষতি সাধণ হচ্ছে। আর মাছ ধরতে পারছেন না জেলেরা। এ অবস্থায় জনপ্রতিনিধির মুখোশ পড়ে থাকা অপরাধীদের গডফাদার আবুল কালাম ও তার বাহিনীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, ইঞ্জিনিয়ার সাহেদুল ইসলাম, মোঃ সিরাজুল ইসলাম আজাদ, মোঃ সাখাওয়াত রিসাদ, মোঃ হুমায়ুন, মোঃ সালাহউদ্দিন আহামেদ।

এ বিষয়ে জানতে কৌলাশের ঘোনা পরিচালনা কমিটির সভাপতি শের আলী বলেন, ঘোনা লীজ দেয়ার পর আমরা চেষ্টা করেছি জমির মালিকদের প্রাপ্য তুলে দিতে। কিন্তু চেয়ারম্যান আজ দিবে কাল দিবে বলে কালক্ষেপন করতে থাকে। এতে ভোক্তভ‚গীরা ক্ষিপ্ত হয়ে এ সমাবেশ করেছে। আমরা চেষ্টা করবো মানুষের প্রাপ্য ফিরিয়ে দিতে। আজ (বৃহস্পতিবার) আমাদের একটি মিটিং রয়েছে। সেখানে পরবর্তী করণীয় নির্ধারণে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

অনলাইন বিজ্ঞাপন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

অনলাইন বিজ্ঞাপন

নিবন্ধনের জন্য আবেদিত
Design and Develop By MONTAKIM
themesba-lates1749691102