বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২০, ০৪:৫৯ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
আলোকিত কক্সবাজার অনলাইন পত্রিকার  উন্নয়ন কাজ চলছে ; সাময়িক সমস্যার জন্য আন্তিরকভাবে দুঃখিত - আলোকিত কক্সবাজার পরিবারে যুক্ত থাকায় আপনার কাছে কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ।

আজ রবিবার থেকে শুরু হচ্ছে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাম্পেইন জেলায় ৪৭৯৩৫৩ শিশুকে খাওয়ানো হবে ভিটামিন-'এ'

ওয়াহিদ রুবেলঃ
  • প্রকাশিত সময় : রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২০
  • ৮৭ বার পড়া হয়েছে

সারা দেশে আজ রবিবার থেকে শুরু হচ্ছে ভিটামিন-এ ক্যাম্পেইন। এবারে দুই কোটির বেশি শিশুকে খাওয়ানো হব  ভিটামিন ‘এ’। পক্ষকালব্যাপী এ ক্যাম্পেইন চলবে ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত।

ক্যাম্পেইনের আওতায় কক্সবাজারের ৮ উপজেলা ও ১ টি পৌরসভায় ১৯৫১ টিকা কেন্দ্রে ৪৭৯৩৫৩ শিশুকে খাওয়ানো হবে ভিটামিন-‘এ’। এ ক্যাম্পেইন বাস্তবায়ন করতে ২০৮ জন স্বাস্থ্য সহকারী ১৭৩ জন পরিবার কল্যাণ সহকারী এবং ৫৪০৭ জন স্বেচ্ছাসেবক মাঠে কাজ করবে। আর পুরো ক্যাম্পেইন তত্ত্বাবধানে থাকবে ২১৬ জন কর্মকর্তা।

ভিটামিন-এ ক্যাম্পেইন নিয়ে গত বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন সফল বাস্তবায়নের লক্ষ্যে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ আযোজিত এক অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, জেলায় ৬ থেকে ১১ মাসের ৬২৪২৮ শিশুকে খাওয়ানো হবে নীল রঙের এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী ৪১৬৯২৫ শিশুকে খাওয়ানো হবে লাল রঙের ভিটামিন এ ক্যাপসুল। যেখানে ৯টি স্থায়ী এবং ১৮৪০ টি অস্থায়ী টিকাদান কেন্দ্রের পাশাপাশি ২৭ টি ভ্রাম্যমান টিকাদান কেন্দ্র ও অতিরিক্ত ৭৫ টি টিকাদান কেন্দ্র থাকবে।

কক্সবাজারের ভারপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন মহি উদ্দিন আলমগীর বলেন, করোনাকালিন সময় সবার সহযোগিতায় আমরা কক্সবাজারকে তুলনামূলকভাবে নিরাপদ রাখতে পেরেছি। পক্ষকালব্যাপী শুরু হওয়া ভিটামিন-‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনেও আমরা একই পদ্ধতি অবলম্বনে গুরুত্ব আরোপ করছি। প্রতিটি টিকাদান কেন্দ্রে দায়িত্বরত কর্মী এবং আগত অভিভাবকদের মাস্ক পরার পাশাপাশি স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে তাগাদা দেয়া হয়েছে। অতীতের ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনেও শতকরা ৯৯ ভাগ সফলতা পাওয়া গেছে। এবারও একইভাবে সফল হওয়ার আশাবাদী বলে জানান ভারপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন।

তিনি বলেন, পর্যটন মৌসুম কক্সবাজারে অনেক পর্যটক আসবে। তাই পর্যটন এলাকায় একাধিক স্পটে বুথ স্থাপন করে পর্যটকদের পরিক্ষার আওতায় আনা হবে। পর্যটকদের ভ্রমনের পাশাপাশি স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে কাজ করবে স্বাস্থ্য বিভাগ।

সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার সৌনম বড়ুযা বলেন, যেহেতু করোনাকাল চলছে সেহেতু করোনা আক্রান্ত শিশুরা ভিটামিন-‘এ’ ক্যাপসুল খেতে পারবে কিনা এ নিয়ে সঞ্চয় কাজ করতে পারে। আমাদের কাছে নির্দেশনা এসেছে করোনা আক্রান্ত শিশুরাও ভিটামিন-এ ক্যাপসুল খেতে পারবে অনায়াসে। ক্যাম্পেইনের সফলতার জন্য ইতিমধ্যে ইউনিয়ন, পৌরসভা, উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে অবহিতকরণ কর্মশালার পাশাপাশি মাইকিং করা হচ্ছে। মসজিদ মন্দির, গির্জায় বিষয়টি সম্পর্কে আলোচনা করতে কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করা হয়েছে।

এদিকে পুষ্টি ও জনস্বাস্থ্যের লাইন ডিরেক্টর ডা. মুস্তাফিজুর রহমান গতকাল শনিবার জানান, এবার এক লাখ ২০ হাজার সেন্টারে দুই লাখ ৪০ হাজার স্বেচ্ছাসেবকসহ স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের স্থায়ী কর্মীরা এই ক্যাপসুল খাওয়াবেন। এ ক্ষেত্রে ছয় মাস থেকে ১১ মাস বয়সী ২৪ লাখ শিশু পাবে একটি করে নীল রঙের ক্যাপসুল। আর এক বছর থেকে পাঁচ বছর পর্যন্ত বয়সের এক কোটি ৯৩ লাখ শিশু পাবে একটি করে লাল ক্যাপসুল।

অনলাইন বিজ্ঞাপন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

অনলাইন বিজ্ঞাপন

নিবন্ধনের জন্য আবেদিত
Design and Develop By MONTAKIM
themesba-lates1749691102