বিভিন্ন আসনে জামায়াতকে মনোনয়নঃ বিএনপিতে ক্ষোভ

বিভিন্ন আসনে জামায়াতকে মনোনয়নঃ বিএনপিতে ক্ষোভ

ভাগ

ডেক্স নিউজ:

বেজে উঠেছে নির্বাচনী দামামা। ‘যাবো না’ ঘোষণা দিয়েও একরকম ‘নাকে খত দিয়েই’ নির্বাচনে আসছে দেশদ্রোহী বিএনপি জামায়াত জোট। যদিও বা তথাকথিত ‘ঐক্যফ্রন্টে’ বিএনপির বিলীন হয়ে যাবার মতো সুখকর দৃশ্য চলে আসছে দেশবাসীর সামনে।

সন্ত্রাস-দুর্নীতির দায়ে জর্জরিত দলটি পাপমোচন করতে পারছে না কিছুতেই। তাদের সকল পাপের চিরসঙ্গী জামায়াতকে নিয়ে তারা এবার পড়েছে নতুন সমস্যায়। জামায়াত ইস্যুতে ক্ষোভের আগুন ঝরছে বিএনপিতে।

জানা যায়, ‘নিবন্ধনবিহীন জামায়াতকে’ প্রায় ৬০ টি আসনে মনোনয়ন দিতে যাচ্ছে বিএনপি। বিএনপির সমর্থন নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে এসব আসনে নির্বাচনী মাঠে থাকবেন জামায়াত নেতাকর্মীরা। জামায়াতকে ৬০ টি আসন ছেড়ে দেয়া নিয়ে বিএনপিতে দেখা দিয়েছে তীব্র অসন্তোষ।পাবনা,রাজশাহী,পটুয়াখালী,চাঁপাইনবাবগঞ্জ সহ বিভিন্ন জেলায় বিএনপি ও জামায়াত নেতাকর্মীদের মধ্যে বিরাজ করছে তীব্র মতবিরোধ। বিশ্লেষকদের আশংকা, ভোটযুদ্ধের আগেই বিএনপি ও জামায়াত নেতাকর্মীদের অস্ত্র নিয়ে যুদ্ধে জড়াতে দেখা যাতে পারে। অবস্থা দিন দিন খারাপের দিকেই যাচ্ছে। এসব এলাকায় একরকম মুখ দেখাদেখি বন্ধ দুই দলের নেতাদের।
তবে বন্ধ নেই বিএনপি নেতাকর্মীদের মুখ। তাদের প্রশ্ন, গত এক যুগে আন্দোলনসহ রাজনৈতিক মাঠে জামায়াত বিএনপির জন্য কি কোনো কাজে এসেছে!
খালেদা জিয়া কারাগারে যাবার পরে ১ মিনিটের জন্যেও জামায়াত কোথাও মাঠে নামেনি। যুদ্ধাপরাধী তকমা এবং তাদের জামায়াতের সাথে মিলে জ্বালাও পোড়াও আন্দোলনের জন্য বিএনপিকে ব্যাপক খেসারত দিতে হচ্ছে। ৭১’ এর রাজাকারদের দলের লোকদের যদি বিএনপি মনোনয়ন দেয়, তাহলে তৃনমূলের বিএনপি সেই প্রার্থীকে প্রতিহত করবে,এমনটাই জানাচ্ছেন কর্মীরা।
তাদের কথার প্রমাণও পাওয়া গেলো বেশ কয়েকটি আসনে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, বাগেরহাট-৩ আসনে দলের মনোনয়নের জন্য কাজ করছেন বাগেরহাট জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি লায়ন ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম। কিন্তু এই আসনটিতে ছাড় পেতে বিএনপির সঙ্গে জামায়াত শীর্ষ নেতারা আলোচনা করছেন বলে জানা গেছে। এ খবর জানতে পেরে ফরিদুল ইসলামের অনুসারীরা ব্যাপক ক্ষুব্ধ। ধারাবাহিকভাবে গণসংযোগ করে যাওয়া লায়ন ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, গত এক যুগে এলাকায় বিএনপিকে ঐক্যবদ্ধ রাখতে কাজ করেছেন। কোন প্রতিকূল অবস্থাতেই জোটের শরিকদের পাননি বিএনপি ও ২০ দলীয় জোটের নেতাকর্মীরা। তাই এই আসন থেকে নেতাকর্মীদের পছন্দের নেতা মনোনয়ন না পেলে নেতাকর্মীরা সহিংস হয়ে উঠবে।

এমনই অবস্থা জামায়াতের দাবিকৃত সব আসনেই। এ যেন ‘বোয়ালের ডিম বোয়ালেই ভেঙেছে’। সূত্র-বাংলা আমার

ভাগ

কোন মন্তব্য নেই

একটি উত্তর ত্যাগ