ইনানী বেড়াতে যাওয়া হলো না মিশুকের

ইনানী বেড়াতে যাওয়া হলো না মিশুকের

ভাগ

ওয়াহিদুর রহমান রুবেল

অনেক দিনের ইচ্ছা ছিলো পরিক্ষা শেষ করে বন্দুদের সাথে ইনানী বেড়াতে যাবে মিনহাজ আহম্মদ মিশুক (১২)। তাই বৃহস্পতিবার জেএসসি পরিক্ষা শেষ করে পরিক্ষা কেন্দ্র থেকেই ৫ বন্ধুর সাথে কক্সবাজারের ইনানীতে ঘুরতে বেরিয়ে পড়ে তারা। কিন্তু ইনানী পৌঁছার আগেই রামু রেজুখাল ব্রীজ পার হওয়ার আগেই দূর্ঘটনার কবলে পড়ে তারা। তাদের বহন করা গাড়িটি (ইজিবাইক) খাদে পড়ে গেলে এ দূর্ঘটনা ঘটে। এতে গুরুত্বর আহত হন তারা।

বৃহস্পতিবার (১৫ নভেম্বর) দুপুর দুইটার দিকে এ দূর্ঘটনা ঘটে। নিহত মিশুক দক্ষিণ খুরুশকুল এলাকার ফিরোজ আহম্মদের পুত্র।

প্রত্যক্ষদর্শী মো: হাকান হোসেন জানান, আহত ছয় শিক্ষার্থী একটি টমটম (ইজিবাইক) নিয়ে সোনার পাড়া বাজারে একটি ফার্মেসিতে চিকিৎসা সেবা নিতে আসেন। কিন্তু তাদের আঘাত আশঙ্কাজনক দেখে ফার্মেসি কর্তৃপক্ষ তাদের জেলা সদর হাসপাতালে পাঠিয়ে দেয়। আমার গাড়িতে করে তাদের জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে আসি। হাসপাতালে কর্তব্যরত এক চিকিৎসক একজনকে মৃত ঘোষনা করেন। অন্যন্যদের ভর্তি করিয়ে দেয়।

আহতরা হলেন, খুরুশকুল রাখাইন পাড়া এলাকার কলাচিং রাখানের পুত্র মংসাচিং (১৪), পালপাড়া এলাকার মমতাজের পুত্র হোসাইন (১৩), জোহেল (১৫) পিতা অজ্ঞাত, খুরুশকুল পাল পাড়া এলাকার জিয়াউলেরর পুত্র আফসান স্বাধীন (১৪), মনিরুল ইসলামের পুত্র ফয়সাল(১৩)। তারা সবাই কক্সবাজার সদর উপজেলার খুরুশকুলের ডেফডিল কিন্ডার গার্টেন স্কুলের শিক্ষার্থী এবং জেএসসি পরিক্ষার্থী।

আহত মংসাচিং এর পিতা কলাচিং জানান, ছেলেরা পরিক্ষা দিয়েই ঘুরতে যায়। কিন্তু পথের মধ্যেই দূর্ঘটনার কবলে পড়ে তারা। শিক্ষকদের অবহেলার কারণে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি করেছেন তিনি।
হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার শাহিন আব্দু রহমান জানান, দূর্ঘটনায় পতিত শিক্ষার্থীদের হাসপাতালে নিয়ে আসার আগেই মিশুকের মৃত্যু ঘটে।

কক্সবাজার মডেল থানা পুলিশের এসআই মহি উদ্দিন জানান, দূর্ঘটনায় আহত শিক্ষার্থীদের আহত হওয়ার খবর পেয়ে আমরা হাসপাতালে আসি। মিশুকের মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে রাখা হয়েছে।

ভাগ

কোন মন্তব্য নেই

একটি উত্তর ত্যাগ