ঝুকিঁপূর্ণ পোকখালী গোমাতলীর সাইক্লোন

ঝুকিঁপূর্ণ পোকখালী গোমাতলীর সাইক্লোন

ভাগ

এম আবুহেনা সাগর,ঈদগাঁও

সদরের উপকূলীয় ইউনিয়ন পোকখালীর গোমাতলীর অর্ধ লাখ মানুষের জীবন রয়েছে ভয়াবহ প্রাকৃতিক দূর্যোগ ঝুঁকিতে। তৎমধ্যে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডস্থ উত্তর গোমাতলী গাইট্যাখালী, আজিম পাড়া ও রাজঘাট। এসব এলাকায় আট হাজার মানুষের বসবাস।

গত সময়ে স্মরণ কালের কয়েকটি ঘুর্ণিঝড় ও জ্বলোচ্ছাসের ভয়াবহ আঘাতে নিহত হয়েছে এখানকার প্রায় শতাধিক লোকজন। বিভিন্ন সূত্রে এ বিষয়টি নিশ্চিত  হওয়া গেছে। পর্যাপ্ত সাইক্লোন সেল্টার, স্লুইচ গেইট অরক্ষিত, বেড়িবাঁধ ও সচেতনতা সৃষ্টি না হওয়ায় এ হতাহতের কারণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। জানা যায়, ১৯৬৩ সালের ঘূর্ণিঝড়ে নিহত হয়েছে অনেক লোক।

১৯৭০ সালের ঘুর্ণিঝড়ে কেড়ে নেয় আরো বহু লোকের জীবন। এ সময় উপকূলের সবকিছু লন্ড ভন্ড করে দেয়। যোগা যোগ ছিল বিচ্ছিন্ন। ১৯৯১ সালের স্মরণ কালের প্রলয়ংকারী ঘুর্ণিঝড়ে মৃত্যু হয় এখানকার অনেক লোকের। বিধ্বস্থ হয় হাজার হাজার ঘর বাড়ী,গাছপালা ও ফসলী জমি। গৃহহীন হয়েছে কয়েক হাজার পরিবার। ইউনিয়নে পর্যাপ্ত সাইক্লোন সেল্টার,বেড়িবাঁধ না থাকায় এবং দুর্যোগ সময়ে সরকারী প্রচারণার অপ্রতুলতার কারণে বিগত বছর গুলোতে ঘুর্ণিঝড়ে এসব লোকের প্রাণহানি ঘটেছে।

ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ড রাজঘাট পাড়ার মানুষ এখন প্রাকৃতিক দূর্যোগের মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যে বসবাস করছে। এলাকাবাসী দ্রুত এসব এলাকার চার পাশে বিধ্বস্থ বেড়িবাঁধ সংষ্কার পূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেন। গোমাতলী সমবায় কৃষি ও মোহাজের উপনিবেশ সমিতির এক নেতার মতে,প্রাকৃতিক দূর্যোগের সাথে মোকাবেলা করে বেঁচে আছে এখানকার মানুষ। বেড়িবাঁধ সংস্কার কিছুটা করা হলেও অদৃশ্য কারণে এখন বন্ধ রয়েছে।

তবে পোকখালী ইউপি চেয়ারম্যান রফিক আহমদ উপকূলের বিধ্বস্থ বেড়িবাঁধ সহসাই মেরামত করে লাখ লাখ মানুষের জীবন রক্ষা করবে এমনটাই দাবী তার।

পোকখালী আ,লীগের যুগ্ন সাধারন সম্পাদক দেলোয়ার কক্সবাজার প্রতিদিনকে জানান, এই সাইক্লোন শেন্টারটি ঝুঁকিপূর্ন অবস্থায় রয়েছে। নতুন করে ঐ এলাকায় একটি সাইক্লোন শেন্টার নির্মানের জোর দাবী তার।

ভাগ

কোন মন্তব্য নেই

একটি উত্তর ত্যাগ