কক্সবাজারে ছাত্রলীগের ‘হেলমেট নেই, পেট্রোল নেই’ প্রচারাভিযান

কক্সবাজারে ছাত্রলীগের ‘হেলমেট নেই, পেট্রোল নেই’ প্রচারাভিযান

ভাগ

বিশেষ প্রতিনিধিঃ
সড়ক দূর্ঘটনা রোধে অন্যরকম এক প্রচারাভিযানে নেমেছে কক্সবাজার জেলা ছাত্রলীগ। সড়কে অত্যাধিক দূর্ঘটনায় পড়ে মোটর সাইকেল চালকরা। তাই মোটর সাইকেল আরোহীদের মাঝে সচেতনতা বাড়ানোর মধ্য দিয়ে ‘হেলমেট নেই, পেট্রোল নেই’ শিরোনামে দূর্ঘটনা প্রতিরোধক কর্মসূচী শুরু করেছে ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীরা।
সোমবার (১০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জেলা ছাত্রলীগের শিক্ষা ও পাঠচক্র বিষয়ক উপ-সম্পাদক মারুফ আদনানের নেতৃত্বে শহরের ভোলা বাবুর পেট্রোল পাম্প, বাস টার্মিনালস্থ ক্যাপ্টেন কক্স, লিংকরোড়ের ফয়েজ এন্ড ব্রাদার্স, সদর উপজেলা গেইটস্থ আশরাফ আলী এন্ড সন্স পেট্রোল পাম্পসহ শহরে বিভিন্ন পেট্রোল পাম্পে এ কর্মসূচী পালন করে তারা। চালকদের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য ‘হেলমেট নেই, পেট্রোল নেই’ লেখা স্টিকার লাগানো হয় পাম্পে। প্রচারাভিযানে ছাত্রলীগ নেতাকর্মী ছাড়াও কক্সবাজার ট্রাফিক পুলিশের টিআই কামরুজ্জামান, শফিক এবং মহিবুলসহ অন্যন্যরা উপস্থিত ছিলেন।
এসময় হেলমেট মাথায় পেট্রোল নিতে আসা মোটর সাইকেল আরোহীদের লাল গোলাপ দিয়ে শুভেচ্ছা জানান ছাত্রলীগ নেতারা। কর্মসূচী পালনকারিদের অনুরোধে যেসব চালকদের মাথায় হেলমেট ছিলো না তাদের তেল দিতে অপারগতা জানায় পাম্প কর্তৃপক্ষ। দূর্ঘটনা রোধে অকালে প্রাণ ও অঙ্গহানি কমাতে ছাত্রলীগের এ প্রচারণাকে প্রশংসনী বলে উল্লেখ করেন সংশ্লিষ্টরা।
কর্মসূচীর নেতৃত্ব দেয়া ছাত্রনেতা মারুফ আদনান বলেন, একটি দূর্ঘটনা একটি পরিবারের জন্য সারা জীবনের কান্না হয়ে থাকে। হেলমেটহীন মোটর সাইকেল চালানোর কারণে দূর্ঘটনায় পতিত হলে অনেকের চেহারা বিকৃত ও মগজ পর্যন্ত বেরিয়ে যায়। এটি কখনো কাম্যনয়। তাই রাস্তায় অনিয়ন্ত্রিত ও অসাবধানি চালনা রোধ এবং দূর্ঘটনায় পড়লে অন্তত মুখমন্ডল এবং মাথাটা যেন রক্ষিত থাকে সেটি বুঝিয়ে হেলমেট পড়ার প্রতি সচেতনতা সৃষ্টিই আমাদের লক্ষ্য। যা কিছু ভাল তার সাথেই ছাত্রলীগের পথচলা। এটা তারই একটি অংশ।
মারুফ আরো বলেন, ছাত্রদের অধিকার আদায় ও দেশের অগ্রযাত্রায় নিজেদের সম্পৃক্ত থাকতে প্রধানমন্ত্রী মেধাবী দু’ছাত্রনেতাকে দায়িত্ব দিয়েছেন। নতুন দায়িত্ব পাবার পর বর্তমান নেতৃবৃন্দ নেত্রীর দেয়া দায়িত্ব নিরলসভাবে পালন করছে। কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের নির্দেশে আমরা পড়ালেখার পাশাপাশি সচেতনতামূলক প্রচারাভিযান শুরু করেছি।
কক্সবাজার জেলা ট্রাফিক পুলিশের পরিদর্শক (টিআই) কামরুজ্জামান বলেন, আজকের শিক্ষার্থীরাই আগামীর রাষ্ট্রচালক। সে হিসেবে জেলা ছাত্রলীগের এ উদ্যোগ প্রশংসনীয়। তাই তাদের কাজে আমরা একাত্মাতা প্রকাশ করেছি। আমরাও এ ধরনের একটি প্রচার অভিযানে নামবো।
তখন আমরা ছাত্রলীগকে সম্পৃক্ত করবো। আমাদের বিশ্বাস তারা আমাদের উদ্যোগেও সামিল হবে।
ভাগ

কোন মন্তব্য নেই

একটি উত্তর ত্যাগ