স্বপ্ন বহন করে চলছে ঢাকা চট্টগ্রাম চার লেন মহাসড়ক

স্বপ্ন বহন করে চলছে ঢাকা চট্টগ্রাম চার লেন মহাসড়ক

ভাগ

কয়েক বছর আগেও জনসাধারণের বড় দুর্ভোগের নাম ছিল ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক। যানজটের কারণে মাত্র চার ঘন্টার পথ পাড়ি দিতে লাগতো ১০ ঘন্টারও বেশি সময়, জনজীবন হয়ে পড়তো দুর্বিষহ।

বর্তমান সরকারের উদ্যোগে প্রায় ১৯১ কি.মি দৈর্ঘ্যের সড়কের জন্য প্রায় তিন হাজার ছয়শত কোটি টাকার অনুমোদন দেয় একনেক। যেটি নির্মাণের জন্য দায়িত্ব দেওয়া হয় চাইনিজ প্রতিষ্ঠান চিনা হাইড্রোকে। ২০০৮ সালে সড়কের কাজ শুরু হওয়ার কথা থাকলেও নানা সমস্যার কারণে তা শুরু হয় ২০১০ সালের ডিসেম্বরে। দীর্ঘ ছয় বছর পর ২০১৬ সালের জুন মাসে সরকার জনসাধাণের জন্য খুলে দেয় চার লেনের এ মহাসড়ক।

সরকারের জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত প্রকল্পগুলোর মধ্যে অন্যতম ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক চার লেনে উন্নীতকরণ প্রকল্প।

এ প্রকল্পের আওতায় কুমিল্লার দাউদকান্দি টোল প্লাজা থেকে চট্টগ্রাম সিটি গেট পর্যন্ত ১৯২ দশমিক ৩০ কিলোমিটার দুই লেনের মহাসড়ককে চার লেনে উন্নীতকরণের কাজ শেষ হয়েছে। এই প্রকল্প বাস্তবায়নে দুই লেনের মহাসড়ককে চার লেনে উন্নীতকরণ ছাড়াও ২৩টি সেতু, ২৪২টি কালভার্ট, ৩টি রেল ওভারপাস, ১৪টি সড়ক বাইপাস (৩২ দশমিক ১৩৭ কিলোমিটার), ৩৩টি স্টিল ফুট ওভারব্রিজ, ৩৪ মিটার দীর্ঘ ২টি আন্ডারপাস, ৬১টি বাস স্টপেজ নির্মিত হয়েছে।

বাণিজ্যিক রাজধানী চট্টগ্রামের সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ দ্রুত করার দাবি ছিল দীর্ঘদিনের। চার লেনের মহাসড়ক নির্মাণের মধ্য দিয়ে দেশবাসীর এ দাবিটি পূরণ হয়েছে।

চার লেনের সড়ক চালুর ফলে জনগণের যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ হওয়ার পাশাপাশি ব্যবসা বাণিজ্যের ব্যাপক প্রসার হচ্ছে বলে জানান সংশ্লিষ্ট্ররা। চার লেন সড়ক চালু হওয়ার পর বন্দর নগরী চট্টগ্রামের সঙ্গে রাজধানী ঢাকার সড়ক পথে যোগাযোগ সহজ, দ্রুত, যানজটমুক্ত ও উন্নততর হয়েছে।

ভবিষ্যতে ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কে মালবাহী পরিবহনের জন্য আলাদা লেন চালুর কথাও ভাবছে বর্তমান সরকার। যা হলে ব্যবসা বাণিজ্যসহ যোগাযোগের ক্ষেত্রে দেশ আরো একধাপ এগিয়ে যাবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।সূত্র- বাংলার আমরা

ভাগ

কোন মন্তব্য নেই

একটি উত্তর ত্যাগ