ভুল স্বীকার করে, ক্ষমার বিনিময়ে সরকারের সঙ্গে আলোচনা চায় বিএনপি

ভুল স্বীকার করে, ক্ষমার বিনিময়ে সরকারের সঙ্গে আলোচনা চায় বিএনপি

ভাগ

নিউজ ডেস্ক :

সরকার বিরোধী সব ষড়যন্ত্র করে ব্যর্থ হয়ে, খালেদা জিয়ার মুক্তি আন্দোলনে নেতা-কর্মীদের সাড়া না পাওয়ায় এবং জাতীয় পার্টির নির্বাচন কেন্দ্রীক চাঞ্চলতা দেখে শেষ পর্যন্ত সরকারের সাথে শর্তহীনভাবে আলোচনায় বসতে রাজি হয়েছে বিএনপি। সরকারের সব শর্ত মেনে নিয়ে দলের নিবন্ধন বাঁচাতে এবং আগামী নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে সংসদে ফিরে যেতে মরিয়া বিএনপি। তারই অংশ হিসেবে লন্ডনে পলাতক বিএনপি নেতা তারেক রহমানের বিশেষ নির্দেশে সরকারি দল আওয়ামী লীগের সাথে আলোচনায় বসতে চায় দলটি।

সূত্র বলছে, সব রাস্তায় প্রতিবন্ধকতা দেখে এবং আওয়ামী লীগ সরকারের জনপ্রিয়তায় নিজেদের অস্তিত্ব হারানোর ভয়ে আলোচনায় বসতে রাজি হয়েছে দলটি। আওয়ামী লীগের সাথে আলোচনা করতে রিজভী আহমেদকে দায়িত্ব দিয়েছেন তারেক।

লন্ডন বিএনপির সূত্র মতে, দেশের সার্বিক পরিস্থিতিতে উন্নয়ন চিত্র বিবেচনায় দেশ ও বিদেশে ব্যাপক জনপ্রিয় আওয়ামী লীগ। দলটির একান্ত চেষ্টায় বাংলাদেশ আজ আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃতি লাভ করেছে। দেশে উন্নয়ন, গণতন্ত্র, যোগাযোগ ব্যবস্থা, ব্যবসা-বাণিজ্যে ব্যাপক উন্নয়ন করেছে আওয়ামী লীগ সরকার। দেশের মানুষ সরকারের উন্নয়নে ব্যাপক খুশি। তার স্পষ্ট প্রমাণ দেয় সিটি নির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রার্থীদের বিপুল ভোটে জয়ী হওয়া। দেশের মানুষ দুর্নীতি, চুরি-বাটপারীর রাজনীতিকে প্রত্যাখ্যান করেছে। সব কিছু বিবেচনা করে বিএনপি তাদের অতীত চরিত্র থেকে বের হয়ে এসে নতুন করে জনগণের মনে জায়গা করে নিতে চায়। বিএনপি সংসদে ফিরতে চায়, বিএনপি রাজনীতির মাঠে ফিরতে চায়। আর আইসিইউতে থাকতে চায় না দলটি। অতীতের পাপের রাজনীতির জন্য বিএনপি ঝরে যাওয়া পাতার মত হয়ে পড়েছে।

অবহেলিত, অনাদারে উপেক্ষিত, ঘৃণিত আজ বিএনপি। দশ বছর সময় পেয়েও রাজনীতির দর্শন শুধরে নিতে ব্যর্থ হয়েছে দলটি। পাকিস্তানপন্থীদের থাবা থেকে বের হয়ে আসতে পারছে না দলটি। তারেক রহমানে অদূরদর্শিতা, রাজনৈতিক জ্ঞানের অভাবে দলটি ধুকে ধুকে মরছে। তাই নিজের ভুল বুঝতে পেরে তারেক রহমান বিএনপিকে নতুন করে সাজাতে চান। আগামী নির্বাচনে বিএনপির অংশগ্রহণ চান তারেক। অন্য দিকে মির্জা ফখরুলরা বিএনপিকে উপদলে পরিণত করার চক্রান্তে লিপ্ত। মির্জা ফখরুলের মত একাধিক নেতার বেঈমানীর কথা জানতে পেরে রিজভী আহমেদকে এবার সরকারের সাথে আলোচনা করার আদেশ দিয়েছেন তারেক রহমান।

তারেক রহমানের নির্দেশ হল, যেকোন উপায়ে আগামী নির্বাচনে বিএনপির অংগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। কারণ এতে বিশাল একটি বাণিজ্যের ব্যাপার জড়িত। তাই সব মিলিয়ে তারেক রহমানের সূরে গান গাওয়া শুরু করেছেন রিজভী আহমেদ। কারণ ইতোমধ্যে এরশাদ ও জাতীয় পার্টি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার প্রস্তুতি নিয়ে ফেলেছে। তাই যেকোন উপায়ে সরকারের সাথে বসে আলোচনা করতে মরিয়া বিএনপি। সূত্র-বাংলা নিউজ পোস্ট।

ভাগ

কোন মন্তব্য নেই

একটি উত্তর ত্যাগ