আন্তর্জাতিক বুদ্ধিজীবীদের ব্যবহার করছেন শহিদুল আলম

আন্তর্জাতিক বুদ্ধিজীবীদের ব্যবহার করছেন শহিদুল আলম

ভাগ

নিউজ ডেস্ক:

সরকার ও রাষ্ট্র বিরোধী বক্তব্য দেওয়া এবং রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে গোপন ষড়যন্ত্রের দায়ে চিত্রশিল্পী শহিদুল আলমকে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। সূত্র বলছে, সরকারের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে ষড়যন্ত্র করছিলেন শহিদুল আলম। তার ই-মেইল, ম্যাসেঞ্জার, হোয়াটস অ্যাপ ঘেটে এসব তথ্য পেয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

এদিকে আটক শহিদুল আলমের শিষ্যরা বিদেশি বুদ্ধিজীবীদের টাকা খাইয়ে তার মুক্তির ব্যবস্থা করার জন্য চিঠি লেখা, বিবৃতি-বক্তব্য দেওয়া ও দেন-দরবার করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

সম্প্রতি, মার্কিন বুদ্ধিজীবী নোয়াম চমস্কি, ভারতীয় লেখিকা অরুন্ধতী রায়, কানাডিয়ান লেখক নাওমি ক্লেইন, আমেরিকান চলচ্চিত্র পরিচালক ইভ এন্সলার এবং ভারতীয় বুদ্ধিজীবী বিজয় প্রসাদ, বিশিষ্ট ফটো সাংবাদিক রঘু রাই প্রমুখ ব্যক্তিরা শহিদুল আলমের অপরাধ, ষড়যন্ত্র এবং উস্কানির বিষয়গুলো সম্পর্কে বিশদভাবে না জেনেই অন্ধ হয়ে তার মুক্তির জন্য বিবৃতি দিয়েছেন। সূত্র বলছে, শহিদুল আলম দীর্ঘদিন ধরেই বাংলাদেশ এবং সরকারের বিরুদ্ধে গোপনে ষড়যন্ত্র করে আসছিলেন। তার এই অপতৎপরতার আঁচ পেয়ে দীর্ঘদিন তাকে নজরদারিতে রেখেছিল আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এমনকি বাংলাদেশকে স্থবির এবং অচল করে দেওয়ার জন্য ইসরাইলের সাথে গোপনে যোগাযোগ এবং তাদের কুপরিকল্পনায় নিজের সমর্থনও জানিয়েছিলেন। গ্রেপ্তার হওয়ার পর শহিদুল আলমের সহযোগিরা যোগাযোগ করে এইসব বিদেশি বুদ্ধিজীবীদের নিজেদের পক্ষে কাজ করার জন্য বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয় করছেন। শহিদুল আলম বাংলাদেশ সরকারের উন্নয়ন, অর্জনে ঈর্ষান্বিত হয়ে পাকিস্তান ও ইসরাইলের টাকা খেয়ে শহিদুল আলম এইসব বুদ্ধিজীবীদের ব্রেনওয়াস করে, বাংলাদেশ সম্পর্কে মিথ্যা ও বিভ্রান্তকর তথ্য দিয়ে বিষোদগার করেছেন। আধুনিক সভ্যতা, সংস্কৃতির প্রচলন, প্রচলিত নিয়ম ভাঙ্গার নামে প্রতিনিয়ত অনিয়ম করেছেন শহিদুল আলম। শিল্প-সংস্কৃতির চর্চার নামে বাণিজ্য করেছেন তিনি। শিক্ষার নামে অপশিক্ষা, অপসংস্কৃতির প্রচার ও প্রসারে প্রতিনিয়ত কাজ করেছেন শহিদুল আলম।

সূত্র বলছে, বাংলাদেশে ব্যবসা-বাণিজ্যের সুযোগ তৈরি করে দেওয়ার নামে ইসরাইলের মতো বিতর্কিত একটি রাষ্ট্রের অনুচর হিসেবে কাজ করতেন তিনি। টাকা পয়সার প্রভাব খাটিয়ে বড় বড় বুদ্ধিজীবীদের সাথে বন্ধুত্ব করতেন শহিদুল। এখন এই বিদেশি বুদ্ধিজীবীরা তার ও তার সহযোগিদের প্ররোচণায় পড়ে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে দুর্নাম ছড়াচ্ছে এবং একজন রাষ্ট্রদ্রোহীর পক্ষে সাফাই গেয়ে যাচ্ছেন। যেটি অনভিপ্রেত এবং অনাকাঙ্খিত।

বুদ্ধিজীবীদের এমন অন্ধ অনুকরণ এবং বিভিন্ন মিডিয়ায় মিথ্যা ও উস্কানিমূলক তথ্য ছড়ানোয় দেশবাসী হতাশ হয়েছেন। আইনের দৃষ্টিতে ঘৃণ্য একজন অপরাধীর জন্য আন্তর্জাতিক চক্র বানিয়ে মুক্তির নামে প্রোপাগাণ্ডা ছড়ানোয় সকলেই হতবাক হয়েছেন। অর্থ ও প্রাচুর্য নিশ্চিয়ই মানুষের অপরাধ ঢাকতে পারে না। আইন সবার জন্য সমান। ফলে শহিদুল আলমের উপযুক্ত শাস্তি কামনা করেছেন দেশবাসী। সূত্র-বাংলা নিউজ পোস্ট

ভাগ

কোন মন্তব্য নেই

একটি উত্তর ত্যাগ