মৃত্যুদণ্ডের বিধান রেখেই সড়ক পরিবহন আইনের চূড়ান্ত অনুমোদন

মৃত্যুদণ্ডের বিধান রেখেই সড়ক পরিবহন আইনের চূড়ান্ত অনুমোদন

ভাগ

নিউজ ডেস্ক:

ইচ্ছাকৃত হত্যায় ফৌজদারি আইনে চালকের মৃত্যুদণ্ডের বিধান রেখেই পরিবহন আইনের চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে সরকার। অন্যদিকে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানির ঘটনায় সর্বোচ্চ শাস্তি পাঁচ বছরের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।

আজ (সোমবার/৮ আগস্ট) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই আইনের চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হয়। বৈঠক শেষে এ তথ্য জানান মন্ত্রি পরিষদ সচিব শফিউল আলম।

মৃত্যুদণ্ডের বিষয়ে সড়ক পরিবহণ বিভাগের সচিব নজরুল ইসলাম ব্রিফিংয়ে বলেন, ‘তদন্তে দুর্ঘটনা যদি উদ্দেশ্যমূলক হিসেবে প্রমাণিত হয় তাহলে তা দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড হবে। আর চালকের কারণে প্রাণহানি হয়ে থাকলে ৩০৪(বি) ধারা অনুযায়ী সাজা দেয়া হবে।’

মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম বলেন, ‘মোটরযান দুর্ঘটনায় আহত বা প্রাণহানি হলে পেনাল কোড অনুযায়ী অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। তবে শর্ত থাকে যে, পেনাল কোডে যা কিছু থাকুক না কেন অবহেলাজনিত কারণে গুরুতরভাবে আহত বা প্রাণহানি হলে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড অথবা উভয়দণ্ডে দণ্ডিত হবে। এ সংক্রান্ত আইনে আগে দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত বা প্রাণহানির জন্য সবোর্চ্চ সাজা ছিল তিন বছরের কারাদণ্ড। এখন সব শ্রেণির সর্বসম্মত মত অনুযায়ী পাঁচ বছর করা হয়েছ, অর্থদণ্ডের বিষয়ে লিমিট দেয়া নেই।’

অনুমোদিত আইনে ইচ্ছাকৃত হত্যা প্রমাণিত হলে চালকের ফৌজদারি আইনে মৃত্যুদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। পাশাপাশি বেপরোয়া গাড়ি চালনায় দুর্ঘটনার সাজা তিন থেকে বাড়িয়ে পাঁচ বছর করা হয়েছে। অপরাধ করলে ড্রাইভিং লাইসেন্স থেকে চালকের পয়েন্ট কাটা যাবে। ১২ পয়েন্ট হারালে চালকের ড্রাইভিং লাইসেন্স বাতিলের বিধান যুক্ত করা হয়েছে। এছাড়া মোটরযান চালকের শিক্ষাগত যোগ্যতা রাখা হয়েছে অষ্টম শ্রেণি পাশ। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের ক্ষতি পূরণে ট্রাস্টি বোর্ড গঠন করার কথা বলা হয়েছে। সূত্র-বাংলা নিউজ পোস্ট।

ভাগ

কোন মন্তব্য নেই

একটি উত্তর ত্যাগ