ঈদগাঁওতে টানা ভারী বর্ষণ : জনদূর্ভোগ চরমে

ঈদগাঁওতে টানা ভারী বর্ষণ : জনদূর্ভোগ চরমে

ভাগ
Exif_JPEG_420

এম আবুহেনা সাগর,ঈদগাঁও

কক্সবাজার সদর উপজেলার বৃহত্তর ঈদগাঁওতে গত তিনদিন ধরে টানা ভারী বর্ষণে জনদূর্ভোগ চরমে উঠেছে। জন ও যানবাহন চলাফেরায় নিদারুন কষ্ট পাচ্ছে। শিক্ষা প্রতিষ্টানের শিক্ষার্থীরা দূর্ভোগ আর দূর্গতির পোহাচ্ছে।

২৫ জুলাই সকালে ঈদগাঁও বাজার ঘুরে দেখা যায়, ব্যস্তবহুল এ বাজারের বিভিন্ন পয়েন্টে ভারী বৃষ্টিপাতের পানি জমে একাকার হয়ে গেছে। হাসপাতাল সড়ক,বাঁশঘাটা সড়ক, ভূমি অফিস সড়ক,মাছ ও তরিতরকারী বাজার সড়ক,চাউল বাজার,জাগির পাড়ার বিভিন্ন অংশে পানিতে সয়লাব। প্রচন্ড বৃষ্টিপাত কোনভাবেই কমছেনা।  সে সাথে ঈদগাঁওর বিকল্প সড়ক হিসেবে পরিচিত মাদ্রাসা সড়ক টিতে যত্রতত্র স্থানে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়ে জন ও যান চলাচল অনেকটা কঠিন হয়ে পড়েছে।

দীর্ঘমাস ধরে বাজারের প্রধান সড়কটি সংস্কার না করায় এহেন অবস্থার সৃষ্টি বলে জানান বহু পথচারীরা। অন্যদিকে জালালাবাদের সওদাগর পাড়ার প্রবেশপথে পানি জমে যানবাহন ও লোকজন চলাচলে মহাদূর্ভোগে পড়েছে। দীর্ঘকাল ড্রেনেজ ব্যবস্থা সংস্কার না হওয়ায় বৃষ্টির পানি নিয়ে নানা ভাবে কষ্ট পাচ্ছে অসহায় লোকজন। পাশাপাশি এই এলাকার সড়কের পাশে ড্রেনের পঁচা দূগন্ধে বিষিয়ে তুলছে এলাকাবাসীকে। গরু মহিশের চামড়ার ধৌত করার নোংরা পানিসহ ময়লা আবর্জনা পচে গলে যাওয়ার গন্ধ যেন চলাচল রত লোকজনকে প্রতিনিয়ত হাফিয়ে তুলছে। এসব বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের সুনজর দাবী করেন সাধারন মানুষরা।

আবার ঈদগাঁওর মাইজপাড়ার ভরাখাল দিয়ে সুষ্টভাবে পানি চলাচল করতে না পারায় খালের পার্শ্ববতী বাড়ী ঘরে পানি প্রবেশ করার উপক্রম শুরু হয়েছে বলে জানান গৃহবধুরা। এমনকি খালের উপর দোকানপাঠ,বাড়ী নির্মান করার ফলে পানি চলাচল করার তেমন সুব্যবস্থাও নেই।

এদিকে ঈদগাঁও-বাঁশঘাটা যোগাযোগের একমাত্র কাঠের সাঁকোটি গেল বন্যায় ঢলের পানিতে তলিয়ে নিয়ে যাওয়ার পর থেকেই বিশাল এলাকার অসহায় নারী পুরুষ ছাড়াও পোকখালীর গোমাতলীসহ প্রত্যান্ত গ্রামাঞ্চলের মানুষজন প্রতিনিয়ত এই সড়ক দিয়ে নানা কাজেকর্মে নৌকায় করে চলাচল করে যাচ্ছে। এমনকি অনেকে প্রয়োজনীয় কাজেকর্মে জেলা সদরের বৃহৎ বানিজ্যিক উপশহর ঈদগাঁও বাজারের আসছে কষ্টের বিনিময়ে। ইসলামাবাদের হরিপুর, ইউছুপেরখীল,বাঁশঘাটা,পাঁহাশিয়াখালী,বোয়াল খালীসহ গ্রামীন জনপদের শত শত নর নারীরা কষ্টের বিনিময়ে আসা যাওয়া করছে। নৌকা দিয়ে ঈদগাঁও ফুলেশ্বরী নদী পারাপার হতে গিয়ে অনেক সময় নৌকা উল্টে যাওয়ার মত ঘটনাও ঘটেছে।

এছাড়াও কালিরছড়া,মেহেরঘোনা, চান্দেরঘোনা সহ বিভিন্ন ইউনিয়নের ফসলী মাঠ বৃষ্টিপাতের অথৈয় পানিতে ভরপুর। অন্যদিকে ঈদগাঁও বাশঁঘাটা সড়কটি বৃষ্টির পানিতে প্লাবিত হওয়ার পাশাপাশি নানা ব্যবসা প্রতিষ্টানে পানি প্রবেশ করায় হিমশিম খাচ্ছে ব্যবসায়ীরা। তবে স্থানীয় সচেতন মহলের মতে,ঈদগাঁও নদীর উপর সাঁকো নির্মান করে লোকজন চলাচলের সূর্বণ সুযোগ সৃষ্টি করা হোক।

ভাগ

কোন মন্তব্য নেই

একটি উত্তর ত্যাগ