ঈদগাঁওতে ড্রেনেজ ব্যবস্থা সংস্কারের দাবী

ঈদগাঁওতে ড্রেনেজ ব্যবস্থা সংস্কারের দাবী

ভাগ

এম আবুহেনা সাগর,ঈদগাঁও

জেলা সদরের বৃহৎ বানিজ্যিক কেন্দ্র ঈদগাঁও বাজারে অল্প বৃষ্টিপাতে পানি জমে যত্রতত্র স্থান জুড়েই কর্দমাক্তের সৃষ্টি হয়ে পড়েছে। দ্রুততম সময়ে ড্রেনেজ ব্যবস্থা সংস্কারের দাবী জানান সচেতন বাজারবাসী। যার ফলে, বর্ষা মৌমুমে মরন দশায় ভোগতে হচ্ছে ঈদগাঁও বাজার বাসীকে।

এদিকে সামান্য বৃষ্টিপাতেও বিভিন্ন অলিগলিতে পানি জমে হাটা চলার পরিবেশ থাকেনা লোকজনের। এছাড়া ঈদগাঁও, ইসলামপুর, ইসলামাবাদ,পোকখালী, ভারুয়াখালী,জালালাবাদ এবং চৌফলদন্ডী ইউনিয়নের প্রত্যান্ত গ্রামাঞ্চলের লোকজন এমনকি পাশ্বর্বতী খুটাখালী,ডুলাহাজারা,ঈদগড়, রশিদনগর,জোয়ারিয়ানালা ইউনিয়নের মানুষজন ও প্রয়োজনীয় নানা কাজেকর্মে জনবহুল ঈদগাঁও বাজারে প্রতিনিয়ত আসা যাওয়া করে থাকে। জনগুরুত্ববহ বাজারে ড্রেনটি সংস্কার এখন জরুরী বলে জানান অনেকে। অন্যথায় বর্ষা মৌসুমে ব্যবসায়ীসহ সাধারন লোকজনকে পড়তে হচ্ছে বিপাকে। এমনকি বৃহত্তর এলাকার গ্রামগন্জ থেকে সওদা করতে আসা নর নারীদেরকে পোহাতে হচ্ছে অসহনীয় দূর্ভোগ। আবার দূর্ভোগ আর দূর্গতিকে উপেক্ষা করে ঈদগাঁও বাজার হয়ে আসতে হচ্ছে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্টানে শিক্ষার্থীদেরকে।

জানা যায়,পূর্বে ডিসি সড়কের একপাশ দিয়ে বহু টাকা ব্যয়ে একটি ড্রেন নির্মান করেছিল। কিন্তু সেটি কতিপয় ব্যবসায়ীরা তাদের দোকানের ময়লা আবর্জনা ফেলে ভরাট করে ফেলার কারনে বৃষ্টির পানি ড্রেন দিয়ে যথাযথভাবে চলাফেরা করতে না পারায় অল্প বৃষ্টিতেই পানি জমে লোকজনের চলাচল অযোগ্য হয়ে পড়ে। যার কারনে, নিদারুন কষ্ট পাচ্ছে ব্যবসায়ী, শিক্ষার্থীসহ অসংখ্য পথচারীরা।

বাজার ঘুরে দেখা যায়, ঈদগাঁও হাসপাতাল সড়ক,মাছ ও তরিতরকারী সড়ক,দীর্ঘদিন ধরে বাজারে দক্ষিন অংশের সড়ক সংস্কার না করায় কাল হয়ে দাড়িঁয়েছে। এ বিষয়ে ব্যবসায়ী ছৈয়দ করিম জানান, বিগত তিনবছর পূর্বেই ঢাকা থেকে একটি সার্ভে টিম আনা হয়েছি ড্রেনের পরিমাপের জন্য। কিন্তু কেন ড্রেন নির্মান হয়নি তা সুষ্পষ্ট জানতে পারেনি।

অপরদিকে যাতায়াতের বিকল্প সড়ক হিসেবে ব্যবহৃত ঈদগাঁও আলমাছিয়া মাদ্রাসার পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া সড়কটি বৃষ্টিপাতে যত্রতত্র স্থানে ছোট বড় গর্তে পানি জমে বেহাল দশায় পরিনত হয়ে পড়েছে। বেকায়দায় পড়েছে স্কুল – কলেজ ও মাদ্রাসার অসংখ্য শিক্ষার্থীরা। এমনকি বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্টানের ছাত্রছাত্রীরা নানা দূর্ভোগ আর দূর্গতি পেরিয়ে দৈনিক তাদের প্রিয় শিক্ষাঙ্গনমুখী হতে দেখা যাচ্ছে। মাদ্রাসা সড়ক দিয়ে বর্তমানে জন ও যানবাহন চলাচল অনেকটা বেড়েই গেছে। উক্ত সড়কটি বেহাল দশার কবলে পড়ে চলাফেরার অযোগ্য হয়ে পড়েছে। মাদ্রাসা গেইট সংলগ্ন দু পাশে বড় বড় গর্ত সৃষ্টি হলেই, সকাল বেলায় অল্প বৃষ্টির পানি জমে জন ও যান চলাচল অনেকটা কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে।

পাশাশাশি কবর স্থান সংলগ্ন রাস্তার মাঝ অংশে ছোট বড় গর্তের কারনে চলাচলে দারুন ভাবে ব্যাঘাত ঘটছে। এসব পেরিয়ে শিক্ষালাভ করতে শিক্ষাঙ্গনমুখী হচ্ছে শিক্ষার্থীরা। সন্ধ্যাকালীন সময়ে যানবাহন চলাচল করতে গিয়ে যেকোন মুহুর্তে অপ্রীতিকর দূর্ঘটনার আশংকাও প্রকাশ করেন সাধারন লোকজন। পথচারী আজিম ও তাহের জানান, বর্তমানে ব্যস্তবহুল সড়ক হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে মাদ্রাসা সড়কটি। সড়ক জুড়েই প্রায় অংশে গর্ত আসলেই ঝুকিঁপূর্ন। রক্ষা পেতে হলে সংস্কারের বিকল্প নেই। কয়েক শিক্ষার্থীরা জানান, বর্তমান সময়ে যাতায়াতের গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম মাদ্রাসা সড়ক সংস্কার জরুরী হয়ে পড়েছে।

পাশাপাশি সওদাগর পাড়া হয়ে বঙ্গিম বাজার যাতায়াতের বর্তমানে জনপ্রিয় গ্রামীন সড়কটির মাঝ অংশে ড্রেনের পচাঁপানির কারনে লোকজন চলাফেরা করতে অনিহা প্রকাশ করছে। সেসাথে ড্রেনটি কদমার্ক্তে ভরাট হয়ে পড়েছে। যার ফলে বর্ষা কালে বৃষ্টির পানি ড্রেন দিয়ে পাশ্বর্বতী খালে চলে যেতে না পারায় স্থানীয় এলাকাবাসীকে কঠিন দশায় ভোগতে হচ্ছে। এ বিষয়ে মেম্বার মোকতার আহমদের মুঠোফোনে সংযোগ না পাওয়ায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

ভাগ

কোন মন্তব্য নেই

একটি উত্তর ত্যাগ