ঈদগাঁওতে বিক্রি হচ্ছে যৌন উত্তেজক পানীয়

ঈদগাঁওতে বিক্রি হচ্ছে যৌন উত্তেজক পানীয়

ভাগ

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঈদগাঁও

কক্সবাজার সদর উপজেলার বৃহত্তর ঈদগাঁওতে যত্রতত্রে বিক্রি হচ্ছে যৌন উত্তেজক কোমল পানীয়। নানা লোভনীয় নামে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের এসব পানীর প্রতি আসক্ত হচ্ছে নানা বয়সী লোকজন।

বৃহত্তর এলাকার প্রত্যান্ত গ্রামাঞ্চল  ঘুরে জানা যায়, আনাচে কানাচে, অলিগলিতে যেকোনো দোকানে হাত বাড়ালেই মিলছে বিভিন্ন নামের যৌন উত্তেজক এসব কোমল পানীয়। প্রশাসনের চোখকে ফাঁকি দিয়ে প্রত্যন্ত অলিগলির চায়ের দোকান,মুদির দোকান ও ফাষ্টফুড়ের দোকানে প্রকাশ্যে বিক্রি হচ্ছে এ জাতীয় পানি ।

এদিকে ঈদগাঁও বাজারের উপ বাজার সমুহের প্রায় গ্রামের হরেক রকমের দোকান ও ফাস্টফুডের দোকানে নানা ব্র্যান্ডের এ যৌন উত্তেজক পানি বিক্রি হচ্ছে। সূত্রে মতে ,বি-জিনসিন, জিনসিন প্লাস, জিন্টার, হর্স ফিলিংস, লিডার, মুন পাওয়ার ফিলিংস, ভিগো-বি, ম্যান পাওয়ার, হর্স ফিলিংস, ব্ল্যাক হর্স ও অ্যাকটিভ পাওয়ার ফিলিংস ইত্যাদি নামে যৌন উত্তেজক পানীয় বাজারে মিলছে দেদারছে। ত্রিশ থেকে প্রায় শত টাকার মধ্যে এসব সিরাপ পাওয়া যাচ্ছে।

ফলে যে কেউ কিনে খাচ্ছে সহজেই। সচেতন লোকজন জানান, আধুনিক মনের তরুণ-তরুণীদের আকৃষ্ট করতে এসব পানীয় নামী-বেনামি হরেক রকমের কোম্পানির নাম ও মনোগ্রাম ব্যবহার করে প্যাকেটের গায়ে আকর্ষণীয় মাশরুমের ছবি ব্যবহার করা হচ্ছে। স্টিকারে ক্রেতারা সহজেই আকৃষ্ট হচ্ছ।

তবে চিকিৎসকদের মতে, এসব পানী নিয়মিত পান করলে অঙ্গপ্রত্যঙ্গে নানা রোগ সৃষ্টি হতে পারে। মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর। কয়েক দোকানদারের মতে, ঈদগাঁওসহ উপবাজারের অধিকাংশ দোকানে এসব বিক্রি হচ্ছে। অনেকে জেনে বা না জেনে পান করছে এসব পানীয়।

তবে সুশীল সমাজের লোকজনের মতে , যারা অনুমোদন বিহীন এ যৌন উত্তেজক পানীয় তৈরী করছে এবং বিক্রি করে যুব ও ছাত্র সমাজকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে তারা দেশ ও জাতির শত্রু।

 অবিলম্বে তদন্ত পূর্বক এসব কোমল পানীয়ের বিরুদ্বে বিহীন ব্যবস্থা গ্রহনের দাবী এলাকার লোকজনের।

ভাগ

কোন মন্তব্য নেই

একটি উত্তর ত্যাগ