মহাসড়কে ঝুকিঁপূর্ন টেকবাঁক : সতর্কীকরণ চিহৃ বসানোর দাবী

মহাসড়কে ঝুকিঁপূর্ন টেকবাঁক : সতর্কীকরণ চিহৃ বসানোর দাবী

ভাগ

এম আবুহেনা সাগর, ঈদগাঁও

মহাসড়কে ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে টেক বাঁক এখন ককসবাজার মুখী পর্যটকদের মরণ দশায় পরিণত হয়ে পড়েছে। কোথাও ডানে মোড়,আঁকাবাঁকা রাস্তা বা সতর্কী করণ চিহ্ন না থাকায় প্রতিনিয়ত এসব এলাকায় দ্রুতগামী চেয়ারকোচ ও মালবাহী ট্রাক দূর্ঘটনার শিকার হচ্ছে। এতে করে ঘটছে বহু লোকের প্রাণ হানির ঘটনা।

সূত্র মতে, ককসবাজার থেকে চট্টগ্রাম যাওয়ার সময় মহাসড়কে ছোট বড় প্রায় ১৪/১৫টি টেক-বাঁক রয়েছে। তৎমধ্যে খরুলিয়া, বাংলাবাজার, রামু,পানিরছড়া,জোয়ারিয়ানালা,  ঈদগাঁও বাসষ্টেশন, ফকিরা বাজার,নাপিতখালী, মেধাকচ্ছপিয়া, ডুলাহাজারা, মালুমঘাটসহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে। দুর থেকে এসব স্থানে টেক-বাঁকগুলি দেখা না যাওয়ার কারণে এ সকল টেক-বাঁকে যানবাহন দূর্ঘটনার আশংকা করছেন স্থানীয় চট্টগ্রাম-ককসবাজারমূখী চেয়ারকোচ ও নানা যানবাহনের চালকগন। তাছাড়া মহাসড়কে অসংখ্য বাঁকের পাশাপাশি ১০/১২টির মত হাটবাজার থাকায় এটি গাড়ি চলাচলের ক্ষেত্রে মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে, লিংরোড, খরুলিয়া বাজার, পানিরছড়া বাজার, কালিরছড়া বাজার, ঈদগাঁও বাসষ্টেশন, নতুন অফিস বাজার, খুটাখালী বাজার, ডুলাহাজারা বাজার, মালুমঘাট বাজার, ভ্যান্ডিবাজাসহ আরো অনেক।

এসব ষ্টেশন ও বাজারে নানা যানবাহন দাঁড় করিয়ে রাখার কারণে যানজটের কবলে পড়তে হয়। এতে করে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা পর্যটকদেরকে অযথা সময় মহাসড়কে অপেক্ষা করতে হচ্ছে ককসবাজার পৌঁছতে। দেখা যায়, উল্লেখিত টেক-বাঁকে প্রতিবছর প্রাণহানির মত ঘটনা ঘটে। তৎমধ্যে বেশির ভাগ দূর্ঘটনা টেক বা বাঁকে অতিক্রম করার সময়। এদিকে চট্টগ্রাম ককসবাজার মহাসড়কের গুরুত্ব দিন দিন বৃদ্বি পাচ্ছে। পর্যটন শহর ককসবাজারে নানা স্থরের মানুষের যাতায়াত বেড়েছে দ্বিগুণ। ব্যস্ত মহসড়ক হিসাবে পরিচিতি পেলে টেক-বাঁক ও ষ্টেশন ভিত্তিক বাজার এবং ঝুঁকিপূর্ণ অংশের কোন কাজ করা হচ্ছেনা বহুকাল ধরে।

দুরপাল্লার কয়েক যানবাহন চালক জানান, ককসবাজার সদরের ইসলামপুরের নাপিতখালী মোড়ের বাঁকটি অত্যান্ত ঝুঁকিপূর্ণ। দ্রুতগতিতে হরেক রকমের যানবাহন চালিয়ে আসলে সহজে গতি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হচ্ছেনা। ঢাকা থেকে আসা এক পর্যটক জানান, চট্রগ্রাম – ককসবাজার মহাসড়কের কোথাও বাঁক-টেকে সতর্কীকরণ চিহৃ বসানোর তাব সাইনবোর্ড না থাকায় দূর্ঘটনা বেশিভাগই ঘটে যাচ্ছে।

ভাগ

কোন মন্তব্য নেই

একটি উত্তর ত্যাগ