ঈদগড়ে পুলিশ ফাঁড়িতে জনবল সংকট

ঈদগড়ে পুলিশ ফাঁড়িতে জনবল সংকট

ভাগ

এম আবুহেনা সাগর,ঈদগাঁও

রামু উপজেলার ক্রাইম পয়েন্ট খ্যাত পাহাড়ী ইউনিয়ন ঈদগড়ের একমাত্র আর আর এফ পুলিশ ফাঁড়ি দীর্ঘকাল ধরে পযাপ্ত জনবলের কারনে মানবসেবা ও আইনশৃংখলা নিয়ন্ত্রনে নানাভাবে হিমশিম খাচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

প্রাপ্ত তথ্যে প্রকাশ, দীর্ঘবছর ধরে ঈদগড় ইউনিয়নের আইনশৃংখলা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রনের লক্ষে চট্রগ্রাম রেন্জের নিয়ন্ত্রনাধীন আর আর এফ পুলিশের পরিচালনাধীন একটি পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপিত হয়। শুরুতে এ ফাঁড়িতে জনবল বেশি থাকলেও বর্তমানে দেখা যায়, রামু থানার একজন এএসআই, একজন ইনচার্জ, একজন হাবিলদার ও একজন নায়েকসহ ১৪জন মাত্র পুলিশ সদস্য রয়েছে।

এ এস আই মোশের্দ আলম জানান, এত স্বল্প সংখ্যক জনবল নিয়ে রামু থানার উক্তর প্রান্তে ক্রাইমপয়েন্ট এলাকা খ্যাত ঈদগড়ে অপহরন,ডাকাতি,খুনসহ বিভিন্ন অপরাদ অপকর্ম নিয়ন্ত্রন রাখা দু:সাধ্য হয়ে পড়েছে। এমনকি উদ্বর্তন কতৃপক্ষের নিদের্শনা পেলে নানা সময়ে ঝটিকা অভিযান চালিয়ে হরেক রকমের অপরাদ অপর্কম কিছুটা কমিয়ে আনলেও জনবল সংকটের কারনে পুরোটাই অপকর্ম কমিয়ে আনতে হয়তো আরো বেশ কিছুদিন সময়ের প্রযোজন রয়েছে।

জানা যায়,ঈদগড়ের আশপাশে বিভিন্ন বনাঞ্চল থাকায় মাঝে মধ্য অপহরন ও ডাকাত চক্ররা অতর্কিত তাদের অপরাদ চালিয়ে নিবিঘ্নে পাহাড়ের পাদদেশে গা ঢাকা দেয়। পাহাড়ী এলাকা ঈদগড়ের জনবহুল গোষ্টির জন্য স্বল্প সংখ্যক পুলিশী জনবলে এলাকাবাসী হতাশাগ্রস্থ। এছাড়াও বতর্মানে পুলিশের যে জনবল রয়েছে তা দিয়ে ফাঁড়ি পাহারা, চিহৃিত ষ্পর্শকাতর পয়েন্টের চেকপোস্ট প্রতিনিয়ত ডিউটিসহ বিভিন্ন অপরাদ প্রতিরোধে মরিয়া হয়ে কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।

ইনচার্জ জসিম উদ্দিনের সাথে কথা হলে তিনি – পুলিশী জনবল সংকটের পাশাপাশি আবাসন সংকট সমস্যার কথাও জানান।

বিষয়টি পুলিশ প্রসাশনের উদ্বর্তন কতৃপক্ষকে খতিয়ে দেখার আহবানসহ জনবল বৃদ্বির জোরদাবী জানান সচেতন এলাকাবাসী।

ভাগ

কোন মন্তব্য নেই

একটি উত্তর ত্যাগ