ঈদগাঁও বাজারে ফুটপাতে গরম কাপড় বিক্রয়ের হিড়িক

ঈদগাঁও বাজারে ফুটপাতে গরম কাপড় বিক্রয়ের হিড়িক

ভাগ

এম আবুহেনা সাগর,ঈদগাঁও

জেলা সদরের বহুল আলোচিত বাণিজ্যিক কেন্দ্র ঈদগাঁও বাজারের বিভিন্ন পয়েন্টসহ বৃহত্তর এলাকার প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলের হাটবাজারে শীত মৌসুমে গরম কাপড় বিকিকিনির হিড়িক পড়ছে। এছাড়াও গ্রামের সাধারণ লোকজন অল্প দামে গরম কাপড় কিনতে পেরে উৎফুল্ল হতে দেখা যায় ।

জানা যায়, শীতের তীব্রতা বৃদ্বির সাথে সাথে বৃহত্তর ঈদগাঁও তথা ছয় ইউনিয়ন- ইসলামপুর, ইসলামাবাদ, চৌফলদন্ডী, পোকখালী, জালালাবাদ ও ঈদগাঁওয়ের গ্রামগঞ্জের লোকজন গরম কাপড় ক্রয়ের জন্য ছুটছে ঈদগাঁও বাজারে বিভিন্ন মার্কেট বা খোলা আকাশের নিচে ফুটপাতে যত্রতত্র স্থানে বসা শীতকালীন কাপড় বিক্রয়ের দোকানগুলোতে। এমনকি শীত বাড়ার সাথে সাথে কাপড় বিক্রয় জমে উঠছে।

ফুটপাতে গরম কাপড় ব্যবসায়ীদের সাথে কথা হলে তারা আমাদের ককসবাজারের এ প্রতিনিধিকে জানান – প্রতিবছরের ন্যায় এ বছরেও চলতি মৌসুমে  দুরদুরান্ত থেকে এখানে এসে ব্যবসাকে জমিয়ে তুলছি। আবার অনেকে শীতের শুরুতেই ঢাকা কিংবা চট্টগ্রাম থেকে গরম কাপড়ের (নিলামের গাইড) এনে রেখে দিয়েছে। সময়মত চড়া দামে বিক্রয়ের আশায়।

দীর্ঘ বছর ধরে ঈদগাঁও বাজারের ফরাজী রাইচমিল সংলগ্ন স্থানের গরম কাপড় ব্যবসায়ী কুমিল্লার আল আমিন জানান, শীত মৌসুমে গরম কাপড় ব্যবসা আস্তে আস্তে জমছে। সামনে হয়তো শীত ঝেঁকে বসলে বিকিকিনি বাড়বে বলে আশাবাদী। তার পাশাপাশি অপরাপর ব্যবসায়ীরাও শীত মৌসুমে এ ব্যবসা হাতছাড়া করতে রাজি নয়।

এদিকে সদরের ঈদগাঁওতে ধীরে ধীরে শীতের আমেজ অনুভব হচ্ছে। তাই চলতি মৌসুমে অসহায় –পীড়িত মানুষের পাশে বিত্তবানদেরকে এগিয়ে আসার আহবান সচেতন মানুষজন। উল্লেখ্য যে, ঈদগাঁও বাজারসহ জেলার বিভিন্ন উপজেলার প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলের শীত মৌসুমে অসহায় পথকলি ছিন্নমূল লোকজনের মাঝে শীত বস্ত্র বিতরণ করার আহবান জানান এলাকাবাসী। বিশাল এলাকার প্রত্যান্ত গ্রামগঞ্জের অনেকে শীত মৌসুম বস্ত্রের অভাবে অসহায়েরা অসহায়ত্ব অবস্থায় জীবন যাপন করে চলছে। বিশেষ করে শীতের তীব্রতায় খুবই কষ্টে ছোট ছোট শিশু আর বৃদ্ধদের অবর্ণনীয় কষ্ট যেন ভুলার নয়।

শীতবস্ত্রের অভাবে খালি গায়ে বের হতে দেখা যায় অনেককে। চলতি সময়ে সকল বিত্তবান কিংবা গ্রামগন্জে সুনামের সাথে ছড়িয়ে ছিড়িয়ে থাকা নানা সংগঠনের উচিত শীতের মৌসুমে  অসহায়-পীড়িত মানুষদের পাশে দাড়ানো, শীতবস্ত্র প্রদান করে সহায়তার হাত বাড়ানো একান্ত প্রয়োজন। সেই প্রয়োজনের তাগিদে সামাজিক সংগঠনগুলো কাজ করলে অনেক শীতার্ত মানুষ শীতের তীব্রতা থেকে রক্ষা পাবে।

কারণ একটি শীতবস্ত্র একজন অসহায় শীতার্ত মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে পারে। সারাদিন কড়া রোদ থাকলেও সন্ধ্যার পর হালকা ঠান্ডা বাতাসে শান্ত হয়ে আসছে প্রকৃতি।

ভাগ

কোন মন্তব্য নেই

একটি উত্তর ত্যাগ