সুখী দাম্পত্য সম্পর্কের ৫০ পরামর্শ

সুখী দাম্পত্য সম্পর্কের ৫০ পরামর্শ

ভাগ

আলোকিত কক্সবাজার ডেস্ক:

জীবনের বিশাল এক অংশ দাম্পত্য জীবন। এ জীবনে সুখী হতে জেনে নিন ৫০টি পরামর্শ:

● সুন্দর সম্পর্ক নিজে থেকেই তৈরি হয় না, সেটি তৈরি করতে হয়। তাই আপনাকেও সেটি তৈরি করতে হবে।

● কর্মক্ষেত্রেই যদি আপনার সবটুকু কর্মক্ষমতা নিঃশেষ করে ফেলেন, তাহলে আপনার দাম্পত্য জীবন ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

● আপনার উৎফুল্ল আচরণ হতে পারে আপনার জীবনসঙ্গী/জীবনসঙ্গিনীর জন্য খুব দামি উপহার।

● কাউকে একইসাথে ভালোবাসা এবং ঘৃণা করা আপনার জন্য অসম্ভব নয়।

● আপনার জীবনসঙ্গী/জীবনসঙ্গিনীর ব্যাপারে বন্ধুদের কাছে অভিযোগ করা থেকে বিরত থাকুন। মনে রাখবেন বন্ধুদের প্রতিক্রিয়া আপনার দাম্পত্য সম্পর্কে বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে।

● দাম্পত্য জীবনে তাই নিয়ম যা দুজনের পছন্দের ভিত্তিতে ঘটে।

● সাময়িক ঝগড়া-বিবাদের কারণে দাম্পত্য সম্পর্ক পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যায় না। মনের মধ্যে জমে থাকা চাপা ক্ষোভ আর যন্ত্রণাই দাম্পত্য জীবনকে তিলে তিলে ধ্বংস করে দেয়।

● দাম্পত্য সম্পর্ক, ‘কী পেলাম?’ এর হিসাবে মেলানোর জন্য নয়। বরং সঙ্গী বা সঙ্গিনীকে ‘কী দিতে পেরেছি,’ তাই মূলকথা।

●‘জীবনসঙ্গী/জীবনসঙ্গিনী হিসেবে আমি সর্বোত্তম’-এমনটি মনে হওয়া অতি আত্মবিশ্বাসের লক্ষণ। এমনটি মনে হলে নিজেকে যাচাই করুন।

● সংসারের ক্রমাগত আর্থিক সচ্ছলতা অর্থ এই নয়, দাম্পত্য জীবনও সুখের মধ্য দিয়ে কাটছে।

● যদি বিশ্বাস ভেঙে যায়, তাহলে সেই বিশ্বাস জোড়া দেয়ার সময় এখনও পার হয়ে যায়নি। এজন্য যেকোনো সময়ই উপযুক্ত সময়।

● অধিকাংশ ক্ষেত্রেই যা নিয়ে তর্ক হয় তা আসল বিষয় থাকে না।

● ভালোবাসা কেবল অনুভূতি নয়; বরং আমাদের কাজের মাধ্যমেই ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ ঘটে।

● বেশি পাওয়ার আকাক্সক্ষা মনের হতাশা ও অতৃপ্তিকে বাড়িয়ে দেয়।

● দাম্পত্য জীবনের অনেক তর্কই হয়ত এড়িয়ে যাওয়া যায় না। তবে ক্ষতিকর বিতর্ককে এড়িয়ে যেতেই হবে।

● জীবনসঙ্গী/জীবনসঙ্গিনীর প্রতি আপনার গভীর মনোযোগ পরস্পরের জন্য হতে পারে অমূল্য উপহার।

● অনেক সময় সুখী দম্পতিরাও ভাবেন, তারা ভুল মানুষটিকে বিয়ে করেছেন।

● আপনার জীবনসঙ্গী/জীবনসঙ্গিনী আপনাকে সুখী করার শতভাগ নিশ্চয়তা দিতে না পারলেও তিনি আপনার সুখী হওয়ার ব্যাপারে অবশ্যই সাহায্য করতে পারেন।

● মিথ্যা বলে হয়ত সামান্য কিছু সুবিধা পান। কিন্তু পরিমাণে মিথ্যা বলার জন্য সুবিধার চেয়ে অনেক বেশি চড়া মূল্য দিতে হয়। অতএব, মিথ্যা বলা বর্জন করুন।

● আপনার মতামত যে সবসময় সঠিক, এমনটি ভাববেন না।

● বছরের পর বছর ধরে যে বিশ্বাস আপনি গড়ে তুলেছেন, তা এক মুহূর্তে ধ্বংস হয়ে যেতে পারে।

● সঙ্গী বা সঙ্গিনীর অপরাধবোধকে দীর্ঘায়িত করে তার অনুভূতি নিয়ে খেলা করে আপনি যা পেতে চান, তা কখনই পাবেন না।

● আপনার বন্ধুদের অবহেলা করবেন না।

● আপনার যদি মনে হয়, ‘তুমিই আমার জন্য সঠিক মানুষ, যাকে আমি বিয়ে করেছি’, তাহলে আপনি ঠিক পথেই আছেন।

● কোনোকিছু প্রমাণ করতে যাওয়ার প্রলোভনকে দমন করতে পারলে, বস্তুত আপনি অনেক কিছুই প্রমাণ করতে পারলেন।

● আত্মিক উদারতা একটি সুখী দাম্পত্য জীবনের প্রধান ভিত্তি।

● সঙ্গী বা সঙ্গিনী যদি কোনো রক্ষণাত্মক আচরণ করে, তাহলে তার রক্ষণাত্মক হওয়ার পক্ষে আপনিও কিছু কারণ দেখাতে পারেন।

● বিয়ে কোনো ৫০/৫০ সম্ভাবনা না; বরং এটি হলো ১০০/১০০।

● দাম্পত্য সম্পর্কের ক্ষেত্রে আপনি কোনোকিছু এখনও পরিশোধ করতে পারেন আবার পরেও পারেন। তবে যত দেরিতে তা করবেন, তত বেশি জরিমানা আপনাকে দিতে হতে পারে।

● সুন্দর বৈবাহিক সম্পর্কের জন্য ত্যাগ স্বীকার করা প্রয়োজন। এমনটি করতে পারলে, আপনি আপনার ত্যাগের চেয়ে ভোগই বেশি করতে পারবেন।

● ক্ষমা কোনো সাময়িক গুণ নয়; বরং ক্ষমা একটি চলমান প্রক্রিয়ার নাম।

● দাম্পত্য জীবনের কঠিন সময়গুলো আপনাকে একজন ভালো মানুষ করে তুলবে।

● বিয়ে অনেকটা রকেট উৎক্ষেপণের মতো। যখন তাতে মাধ্যাকর্ষণ টান পূর্ণ থাকে, তখন ফ্লাইট চলতে খুব সামান্য জ্বালানির প্রয়োজন হয়।

● দাম্পত্য জীবনে সাফল্য পেতে হলে, অতীতে কী হয়েছে তা নিয়ে মাথা না ঘামিয়ে, ভবিষ্যতের করণীয় নিয়ে পরিকল্পনা করতে হবে।

● আপনার সঙ্গী বা সঙ্গিনীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করুন। কৃতজ্ঞতা বোধকে নিজের ভেতর চেপে রাখবেন না।

● বাস্তবতার খাতিরে মাঝে মাঝে নীরবতা পালন করা একটি অসাধারণ উপায়।

● আপনার সঙ্গী বা সঙ্গিনীর কাছে আপনার সর্বোত্তম প্রশ্নগুলোর একটি হতে পারে, ‘আমি কীভাবে তোমাকে আরও বেশি ভালোবাসতে পারি?’

● চাইলেই দাম্পত্য জীবনকে চিরসবুজ করে রাখা যায়।

● যৌক্তিক অনুমানের ভিত্তিতে কোনো পদক্ষেপ নেয়া যেতে পারে। তবে পদক্ষেপ নেয়ার পূর্বে অনুমানকে যাচাই করে নেয়াই আবশ্যক।

● মনের ইচ্ছা বা উদ্দেশ্যই সবকিছু নয়, কিন্তু তা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর একটি।

● সার্থক যৌন সম্পর্ক সফল দাম্পত্য সম্পর্কের নিশ্চয়তা দেয় না। তবে তা সফল দাম্পত্য সম্পর্ক নির্মাণে সহায়তা করে।

● ব্যক্তিগত গোপনীয়তা রক্ষা করলে তা দাম্পত্য সম্পর্কের ক্ষতি করবে না। তবে সন্দেহজনক বিষয় নিয়ে লুকোচুরি করলে তা দাম্পত্য সম্পর্কের ক্ষতি করবে।

● সঙ্গী/সঙ্গিনীকে আঁকড়ে ধরে রাখার প্রবণতা এবং ঈর্ষাপরায়ণতার জন্ম হয় ভয় থেকে, ভালোবাসা থেকে নয়।

● বিশ্বাসযোগ্যতা জন্ম দেয় এবং বিশ্বাসযোগ্যতা বজায় রাখার অভ্যাস গড়ে তোলা থেকে।

● আপনার স্বামী বা স্ত্রী যদি কোনো কিছুকে গুরুত্বপূর্ণ ভাবে, তাহলে তা আপনার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

● দাম্পত্য সম্পর্কে প্রেমাবেগের প্রয়োজন কখনই ফুরিয়ে যায় না।

● নতুন সম্পর্কের ঔজ্জ্বল্য সবসময়ই ক্ষণস্থায়ী হয়ে থাকে।

● নীরবতাও আক্রমণাত্মক হতে পারে যখন তা অস্ত্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

● অধিক উত্তম হলো নিজে কীভাবে সঠিক কাজটি করতে পারেন সেদিনে মনোযোগ দেয়া। তারপর আপনার সঙ্গী বা সঙ্গিনী কী ভুল করেছে সেদিকে মনোযোগ দেয়া।

● দাম্পত্য সম্পর্ককে মানিয়ে নেয়া একেবারেই অসম্ভব মনে হলে, কেবল তখনই বিচ্ছেদের দিকে পা বাড়াতে পারেন। সূত্র-বিবার্তা

ভাগ

কোন মন্তব্য নেই

একটি উত্তর ত্যাগ