শিক্ষক আন্দোলনের জনগ্রহণযোগ্যতা: প্রসঙ্গ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়

শিক্ষক আন্দোলনের জনগ্রহণযোগ্যতা: প্রসঙ্গ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়

ভাগ

রাজীব মীর, 
সারা দেশে শিক্ষক আন্দোলন চলছে। দেশের সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক আন্দোলনও পাঁচ মাস ধরে অব্যাহত আছে, শুধু গতি নাই। ‍

কেন নাই, সে প্রশ্নের জবাব কয়েকবার লিখতে চেয়েছি, মুছে ফেলেছি। শিক্ষক বলে কথা, সংযম থাকা দরকার। দেখিয়েছি। বড় সামিয়ানা টানিয়ে দীর্ঘ বক্তৃতা করেছি, আলাপ পাই নাই। প্রলাপ শুনেছি।

‍শিক্ষকরা প্রাইভেট পড়িয়ে অনেক টাকা পান, মাননীয় শিক্ষামন্ত্রীর মুখে শুনেছি। কখনও দেখি নাই। তারা অজ্ঞতার বশে জ্ঞানের অভাবে আন্দোলন করছেন, মাননীয় অর্থমন্ত্রী বলেছেন।

আন্দোলন নিয়ন্ত্রণের কৌশল হিসেবে এগুলো বয়স বিবেচনায় উপেক্ষা করেছি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাদের সঙ্গে বসবেনই না, অনেক দিয়েছেন- এসব কথা শুনে খুব কষ্ট পেয়েছি, আশাহত হয়েছি।

কিন্তু মাঝে মধ্যে টিভিতে শিক্ষক ফেডারেশনের নেতাদের ভাষ্য শুনে ভালো লেগেছে, আশা হারাই নি। অবশ্য এখন আর আশা নাই, প্রত্যাশা আছে। আমি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক।

আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতিকে ফেডারেশন থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। খুব মন খারাপ! আন্দোলন করে কিছু যদি আসেও নিশ্চয়ই জগন্নাথের নাম কাটা পড়বে, আমরা আর কিছুই পাবো না! অনেক আশা ছিলো আন্দোলন সংগ্রাম করে হারানো ইজ্জত ফিরে পাবো, ক্লাসে বুকে বুক টানটান করে বলবো- প্রিয় শিক্ষার্থীগণ! তোমরা কেবল বিএসএস (সম্মান) পাস পাও আর সেটা পাওয়ার পর আমরা আরও অনেক সম্মান আদায় করেছি, আলহামদুলিল্লাহ! কিন্তু সে আশায় গুড়ে বালি, জগন্নাথের সাধারণ (অসাধারণ) শিক্ষকগণ সাধারণ সভায় শিক্ষক সমিতিকে বলেছেন যে ফেডারেশন বারবার আন্দোলনের সময় পাল্টাচ্ছে, প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে-এটা কালক্ষেপণ ব্যতিত আর কিছু নয়।

বিএনপির সরকার বিরোধী আন্দোলন আর ফেডারেশনের স্বতন্ত্র পে স্কেল আন্দোলন এর প্যাটার্ন এক হওয়ায় শিক্ষকরা বিরক্তি প্রকাশ করে নিজেরাই কিছু করার দৃঢ় প্রত্যয়ব্যক্ত করেন। যদিও এ বিষয়ে ফেডারেশনের বাইরে গিয়ে কর্মসূচি দেওয়ায় আন্দোলন ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারে আশঙ্কা ছিলো।

কিন্তু মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনের বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায দাপ্তরিক বিবৃতিতে ফেডারেশন খুব বেশি আনুগত্য প্রদর্শন করায় আন্দোলনও আবার স্তিমিত হয়ে যায় কি-না? কারও কারও এমন সংশয়ও ছিলো।

কাউকে না ক্ষেপিয়ে কিছু পাওয়ার আশায় কৌশল হিসেবে যদি নেতারা এরকম বিবৃতি দিয়ে থাকেন, সমস্যার কিছু দেখি না। আর পাওয়ার আশায় যদি কিছু চান, প্রধানমন্ত্রী যদি দয়া পরবশ হয়ে আরও কিছু দান দেন, দিতেও পারেন, সেটাও যে খুব দোষের তা-ই বা কে বললো।

কিন্তু একটা বিষয় আমার কাছে খুব পরিষ্কার নয়। প্রথম থেকেই আমাদের মূল দাবি টা আসলে কী ?

স্বতন্ত্র বেতন স্কেল যেটা বিচার বিভাগ অলরেডি পাচ্ছে নাকি সচিবগণ নিজেরা নিজেরা অর্গানোগ্রাম ভেঙে মুখ্য সচিব, সিনিয়র সচিব এসব পদ তৈরি করে সুচতুরভাবে শিক্ষকদের ক্রমশ নিচের দিকে অবনমনকরে দিয়েছেন সে বিষয়ে, সেটা ঠিক পরিষ্কার নয়।

যদি আপনার কাছে শিক্ষকতা আর অন্যান্য চাকরি একই না হয়, তাহলে অযথা তুলনা করা কেন? ১৯৭৩ এর অধ্যাদেশ তৈরির সময় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্ব অনুধাবন করে একে অনন্য মর্যাদায় ভূষিত করেছিলেন।

আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহারে এটা স্পষ্ট যে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের স্বতন্ত্র বেতন স্কেল দেওয়া হবে। যেহেতু প্রতিশ্রুতি এর বাস্তাবায়ন হতেই পারে, যদি না হয়, আমরাও চাইতে পারি। আন্দোলনও হতে পারে, হচ্ছে।

অন্যদিকে যদি শিক্ষকতা আর সরকারি অন্য চাকরি একই হয়, তাহলে দশটা-পাঁচটা অফিস হতে পারে, পাঞ্চ মেশিনে কখন ঢুকলাম বের হলাম টিপ দিয়ে দিয়ে ক্লাসে যেতে পারি, সমস্যার তো কিছু নাই।

সেক্ষেত্রে কিন্তু সচিব-শিক্ষক তুলনা আসতে পারে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এরকম তুলনা করে সাংবাদিকদের লিখতে বলেছিলেন যদিও ওখানে উপস্থিত কোনো সাংবাদিক এখন পর্যন্ত বিশেষ কিছু লিখেছেন চোখে পড়েনি।

আমি অবশ্য আমার স্যার ড. আ আ ম স আরেফীন সিদ্দিককে জানি, ভিন্ন পথে টাকা অর্জনের কোনো উদাহরণ তার আছে চরম শত্রুও বলবেন না।

আমি অধ্যাপক ড. আনোয়ার হোসেন স্যারকেও চিনি, কমদামি পাঞ্জাবি, হালকা স্লিপার পড়ে ঘুরে বেড়ান। আমি অধ্যাপক ড. হারুন অর রশীদ স্যারকে চিনি।

বাংলাদেশে একবার গণতন্ত্রের প্রাতিষ্ঠানিক আকাল হয়েছিলো। আনোয়ার হোসেন, হারুন অর রশীদ, সদরুল আমিন, মলয় ভৌমিক, সেলিম রেজা নিউটন, আবদুল্লাহ আল মামুন-এঁদের মনের শক্তির বিনিময়ে বাংলাদেশ সেবার গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করেছিলো।

আমি ঠিক জানি না,সম্মানিত পূজনীয় এসব সম্মানিত শিক্ষক এখন কতটা কষ্ট পাচ্ছেন, আমি ঠিক জানি না!

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের সিদ্ধান্তের প্রতি সম্মান জানিয়ে সরকারকে শুধু বাড়তি একটা মেসেজ দিতে চেয়েছে যে আমরা অধিকারের জন্য লড়ছি।

এটা যাতে ভিন্নখাতে প্রবাহিত না হয়। যেহেতু ফেডারেশন এতদিন বলেছে যে নিশ্চয়ই প্রধানমন্ত্রী সব সমস্যা সমাধান করবেন, তিনিই শেষ ভরসা।

কিন্তু মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় দেশের শিক্ষক সমাজ হতবিহ্বল হয়ে পড়েছেন। ভুল হোক শুদ্ধ হোক জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় একটা পদক্ষেপ নিয়ে সাহস দেখিয়েছে।

ফেডারেশন সেটাকে দুঃসাহস বিবেচনা করে জগন্নাথকে ফেডারেশন থেকে বহিষ্কার করে দিয়েছে। ফেডারেশন আর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি- দু’টোরই সমালোচনা হয়েছে প্রচুর।

ফেডারেশনকে কেউ কেউ ঠুঁটো জগন্নাথ বলেছেন। জগন্নাথকে অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা ‘ব্রাভো’ জানিয়েছেন। কিন্তু কেউ কেউ মনে করেছেন যে, শিক্ষার্থীদের জিম্মি করে অক্টোবর মাসে পরীক্ষা না নেওয়ার যে সিদ্ধান্ত সমিতি নিয়েছে সেটা ঠিক হয়নি। শিক্ষার্থীরা তো ক্ষতিগ্রস্থ হবে।

শিক্ষকরা খুবই সংবেদনশীল হন। সিদ্ধান্ত নিয়েও তারা মর্মপীড়ায় ভূগতে থাকেন। অবশেষে জগন্নাথের মাননীয় উপাচার্য জবি শিক্ষক সমিতিকে ব্যক্তিগতভাবে এবং একাডেমিক কাউন্সিলের মাধ্যমে শুধু আজকের (০৯ অক্টোবর ২০১৫) পরীক্ষাটা নিতে বিশেষ অনুরোধ করেন কারণ প্রশ্নপত্র ছাপা হয়ে গেছে।

পরীক্ষার্থী-অভিবাবকরা ইতোমেধ্যে ঢাকায় চলে এসেছেন ইত্যাদি…। সমিতি সাধারণ সভা ডেকে সেটা মান্যও করেছে।
আমি এক মাধ্যমিক স্কুল শিক্ষকের সন্তান। আমার বোন সরকারি প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষক। আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক।

আমরা বেতন নিয়ে বেঁচে থাকি না, ওটা দিয়ে বাঁচা যায় না। আমরা মান নিয়ে বেঁচে থাকি, পথে পথে ভালোবাসা পাই, আনন্দ নিয়ে সাদা ভাত খাই। অভিযোগ করি না।

জীবনের সারল্যে শিক্ষক সমাজ অভ্যস্ত। কঠিন বাস্তব হলো বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রচলন ও একটু অভিলাষী জীবন-যাপন, সেটা সংখ্যায় খুবই সামান্য কয়েকজনের ভাগ্যে জোটে। যেসব রাজনীতিক আর আমলা সেগুলোর মালিক সেখান থেকে যৎসামান্য পান শিক্ষকগণ।

তাহলে মূল মালিক কত উপার্জন করেন ভেবে দেখেছেন! দামি গাড়ি, শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ কক্ষ, অনবরত বিদেশ ভ্রমণ, স্পিড মানি, কালো টাকা এগুলো কাদের দখলে।আমার ঠিক জানা নাই।

তবে নিজের কথাই বলবো, বাপের কথা বলবো না, তাতো হয়না! আমাদের বাড়ির পাশের যে স্কুল সেটা একজন সচিবের বাবার নামে হওয়ায় তার পরোক্ষ নিয়ন্ত্রণাধীন। স্কুলটিতে প্রধান শিক্ষক নেবে। সিনিয়রিটি বিবেচনায় আমার বাবাই প্রথম।

কিন্তু সচিব গ্রামের বাড়িতে আসলে বাবাকে একটু তার কাছে যেতে হবে, বলতে হবে যে আমাকে প্রধান শিক্ষক করেন। আত্মীয়রা বললেন, যাও। বাপ প্রধান শিক্ষক হোক ছেলে চাইবে, আমিও চাই।

বললাম যান, একটু দেখা করে আসেন। বাবা বললেন, না- আমি যাবো না! তার সামনে গেলে সে বসতে বলে না।

আমার চোখে পানি চলে আসে। আমি বলি আব্বা, আমার বাবা এতো বড় যে প্রধান শিক্ষক হলে সে অনেক ছোট হয়ে যাবে, দরকার নাই। যাবেন না। বাবা কিন্তু যান নাই!সূত্রবদ্ধ কলামে তত্ত্ব কপচাতে হয়, ব্যক্তিগত কথা নয়। আমি দুঃখিত, প্রিয় পাঠক। সারা জীবন স্যারদের তাই সম্মান করে চলি, শ্রদ্ধা নিয়ে নাম করি। জগন্নাথ ঠিক করলো না ভুল করলো এ প্রসঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আমার এক শিক্ষকের গল্প দিয়ে লেখাটার ইতি টানতে চাই।

এটা এখনকার কথা নয়। গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগে নাদির জুনাইদ নামে আমার এক শিক্ষক আছেন, আমাকে খুব ভালোবাসেন আমার বিশ্বাস। খুবই একাডেমিক, বিদেশের ডিগ্রিও আছে বেশ কয়েক।

তার বাবা তখন ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যান। এক সচিব বাসায় ফোন দিয়ে নাদির জুনাইদের কাছে জানতে চাইলেন তার বাবা কোথায়?

নিজের পরিচয় দেওয়ার পরও তাচ্ছিল্য ভরা কন্ঠে অসম্মানিতভাবে তুমি সম্বোধন করায় নাদির প্রতিবাদ করলেই সচিব সাহেব ক্ষেপে ওঠেন। ইংরেজিতে যেটা বলেন তার বাংলা আমার যদি এখন ভুল না হয়ে থাকে এরকম যে , ‘তোদের ভিসিরা এসে আমাদের কাছে বসে থাকেন, আর তু্ই!’ পরে অবশ্য বিভাগের একাডেমিক কমিটি প্রতিবাদ পাঠায়, পত্রিকায় সেটা ছাপাও হয়।

সম্মান কতটা কীভাবে কোন নদীতে প্রবাহিত হয়, কারা এর জন্য দায়ী হিসেব মিলে না, মিলাতে পারিনা!

অংকে খারাপ ছিলাম না। ১০০ তে ১০০ ই পেয়েছি। বেতনও ৯১ শতাংশ বেড়েছে। মান কেন যে বাড়লো না, সেটা বুঝতে হয়তো নতুন অংক শিখতে হবে!
তবে আমার এক শিক্ষকের কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন সবাই কী আর প্রফেসর মাহমুদ হোসেন হয়! ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন উপাচার্য কে পাকিস্তানি প্রশাসন বলেন যে, কারা কারা সরকার বিরোধী আন্দোলন করছে, নামগুলো দেন।

জবাবে তিনি নাকি বলেছিলেন, আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য। পুলিশের দায়িত্ব পালনের জন্য আমি শিক্ষক হইনি। একবার তার অনুমতি ছাড়া ক্যাম্পাসে পুলিশ প্রবেশ করায় তিনি পদত্যাগ করেছিলেন। এমন একজন শিক্ষকের দিকে চোখ তুলে তাকাতেও আইয়ুব খান -মোনেম খান ভয় করত নিশ্চয়ই!

একেই বলে শিক্ষকের উঁচু মাথা আর শক্ত মেরুদণ্ড! এই যে সারা বিশ্বে আশি বছরের শিক্ষকও পড়াচ্ছেন, সেটা যদি বাদও দিই আর বাংলাদেশের সচিব ৫৯। কেন শিক্ষকের বয়স ৬৫, সেটা বিবেচনায় নেই তাহলে জটিলতা বাড়ে বৈকি!

যুক্তির শক্তি অসীম, জানেন নিশ্চয়ই। এখন কোন মেরুদণ্ড শক্ত শিক্ষক যদি থেকে থাকেন আর রাজনীতিকদের প্রতি পাল্টা প্রশ্ন ছুঁড়েন, আচ্ছা তাদের অবসরের সময় সীমা কত হওয়া উচিত?

বেয়াদবি হয়ে যাবে না তো! মেধায় সচিব ছোট, শিক্ষক বড় এগুলো যুক্তি হিসেবে খুবই করুন, মানবেতর, সংকীর্ণ!

সব পেশায়ই মেধাবীরা আছেন, বাংলাদেশের জন্য সব পেশার জনবল-ই দরকার। শিক্ষকরা শুধু তাদের ন্যায্যতা দাবি করছেন যে, তাদের জন্য স্বতন্ত্র বেতন স্কেল করা হোক।

যেহেতু শিক্ষক নিয়োগে এখন পর্যন্ত সব পর্যায়ের পরীক্ষার ফলাফলে প্রথম শ্রেণিই চাওয়া হয়, সম্মানটা কম দিলে একটু বেশি বৈষম্য হয় বৈকি!

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান স্যারের একটি লেখায় তিনি পিটার ড্রাকারকে উদ্ধৃত করে বলেছেন- ‘সঠিক কাজটি করা, সঠিকভাবে কাজটি করার চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। সবচেয়ে ভালো হয় সঠিক কাজটি যদি সঠিকভাবে করা যায়।’
বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকেদের বেতন বৈষম্য নিরসনের ক্ষেত্রে সঠিক কাজটি সঠিকভাবে কী আসলেই করা যায় না !

লেখক: সহযোগী অধ্যাপক, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়। ই মেইল- razib.mir@gmail.com

ভাগ

কোন মন্তব্য নেই

একটি উত্তর ত্যাগ