মেসির পেনাল্টি মিসের পরও জোড়া গোল

মেসির পেনাল্টি মিসের পরও জোড়া গোল

ভাগ

স্পোর্টস ডেস্ক

untitled-6_27398লিওনেল মেসির জোড়া গোল এবং নেইমার ও মার্ক বারত্রার গোলের সাহায্যে বার্সেলোনা ৪-১ গোলের বড় ব্যবধানে লেভান্তেকে পরাজিত করে স্প্যানিশ লা লিগায় শতভাগ জয়ের ধারা বজায় রেখেছে। এ ম্যাচে জয়ী হয়ে তারা রিয়াল মাদ্রিদকে দুই পয়েন্টের ব্যবধানে পেছনে ফেলে শীর্ষস্থান পুনর্দখল করেছে। আগের দিন রিয়াল ১-০ গোলে গ্রানাডাকে পরাজিত করে সাময়িকভাবে তালিকার শীর্ষে উঠেছিল। বার্সেলোনার তারকা লিওনেল মেসি দুটি গোল করলেও পেনাল্টি থেকে একটি গোল করতে ব্যর্থ হন।আগের ম্যাচগুলোতে জয়ী হলেও বার্সেলোনা খুব একটা ভালো করতে পারেনি। এ ম্যাচেও তাদের প্রথম গোলের জন্য অপেক্ষা করতে হয়েছে ৫০ মিনিট পর্যন্ত। লিওনেল মেসির ক্রস থেকে গোলটি করেন বারত্রা। এ গোলের পরই বেশ আত্মবিশ্বাসী হয়ে ওঠে বার্সেলোনা এবং প্রতিরোধ ভেঙে যায় লেভান্তের। নেইমার এর পরপরই করেন দলের দ্বিতীয় গোল। নেইমারের অর্জিত পেনাল্টি থেকে মেসি গোল করলে ৩-০ গোলে এগিয়ে যায় বার্সেলোনা। খেলা শেষ হওয়ার ২৪ মিনিট বাকি থাকতে ভিক্টর ক্যাসাডিয়াস একটি গোল পরিশোধ করেন। এরপর মেসি পেনাল্টি থেকে গোল করতে ব্যর্থ হন। এ নিয়ে চলতি মৌসুমে দুইবার পেনাল্টি মিস করলেন মেসি। অবশ্য ইনজুরি টাইমে অসাধারণ এক গোল করে মেসি তার পেনাল্টি মিসের ব্যর্থতা পুষিয়ে দেন।ম্যাচ শেষে নিজ দলের তারকার পক্ষেই অবস্থান ব্যক্ত করেন কোচ লুইস এনরিকে। তিনি বলেন, ‘সে অসাধারণ খেলেছে। নিজে দুটি গোল করেছে এবং একটি গোল করিয়েছে।’ পেনাল্টি মিস করা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘তার এ ভুল থেকেই বোঝা যায় সে মানুষ। তা নাহলে তাকেতো মানুষ বলে মনে হতো না।’ মৌসুমের শুরু থেকে গোল খড়ায় ভুগতে থাকা লুইস সুয়ারেজকে একাদশ থেকে বাদ দেন কোচ এনরিকে। দলে জায়গা পান তরুণ খেলোয়াড় স্যান্ড্রো এবং মুনিল এল হাদ্দাদি। তবে সুযোগের সদ্ব্যবহার করতে পারেননি এ দুই তরুণ। যে কারণে প্রথমার্ধে গোলবিহীন থাকতে হয় বার্সেলোনাকে। উল্টো প্রথমার্ধের মাঝামাঝি সময়ে নাবিল ঘিলাসসহ সুযোগ বাইরে মেরে নষ্ট না করলে লেভান্তেই এগিয়ে যেতে পারতো।সুয়ারেজ এবং আন্দ্রেস ইনিয়েস্তার অনুপস্থিতিতে মেসি মিডফিল্ডে বেশ খানিকটা নিচের দিকেই খেলেন। ফলে তখন গোল করার চেয়ে গোলের সুযোগ সৃষ্টি করাটাই ছিল মেসির দায়িত্ব। তিনি সে দায়িত্বই পালন করেন। তার ক্রস থেকেই বারত্রা গোলটি করেন। নেইমার গোল করেন ৫৬ মিনিটে। পেনাল্টি বঙ্ েসৃষ্ট জটলার মধ্য থেকে তিনি লেভান্তের দুইজন ডিফেন্ডারের পায়ের মাঝ দিয়ে বল জালে পাঠান। এরপর নেইমারকে অ্যাঞ্জেল ট্রুজিলো ফাউল করলে পেনাল্টি পায় বার্সেলোনা এবং মেসি সেটিকে গোলে পরিণত করেন। বার্সেলোনার নিয়মিত গোলরক্ষক ক্লদিও ব্রাভোর অনুপস্থিতিতে এ ম্যাচ খেলতে নামেন টার স্টেজেন। তার ভুলে একটি গোল পরিশোধ করে লেভান্তে। তিনি কর্নার কিকের ফ্লাইট বুঝতে ব্যর্থ হলে বল পেয়ে যান ক্যাসেডিসাস এবং তিনি গোল করেন। ৬৫ মিনিটে মেসি ফাউলের শিকার হলে দ্বিতীয় পেনাল্টি পায় বার্সেলোনা।কিন্ত মেসি সেটিকে বারের উপর দিয়ে মেরে নষ্ট করেন। এ নিয়ে বার্সার হয়ে ১৫ বার পেনাল্টি মিস করলেন মেসি। নির্ধারিত সময়ের শেষ মুহূর্তে দুইজন ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে মেসি দলের চতুর্থ গোলটি করেন। এর ফলে দলের বড় জয়ের পাশাপাশি শীর্ষস্থানও নিশ্চিত হয়। এর আগে সেল্টা ভিগো ২-১ গোলে সেভিয়াকে পরাজিত করে। ওয়েবসাইট।

ভাগ

কোন মন্তব্য নেই

একটি উত্তর ত্যাগ