বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২০, ০৪:২০ পূর্বাহ্ন
নোটিশঃ
আলোকিত কক্সবাজার অনলাইন পত্রিকার  উন্নয়ন কাজ চলছে ; সাময়িক সমস্যার জন্য আন্তিরকভাবে দুঃখিত - আলোকিত কক্সবাজার পরিবারে যুক্ত থাকায় আপনার কাছে কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ।

রমজানে যানজট-লোডশেডিংএ দুশ্চিতায় কর্মজীবি রোজাদার

প্রতিবেদক এর নামঃ
  • প্রকাশিত সময় : রবিবার, ১২ মে, ২০১৯
  • ২২৮ বার পড়া হয়েছে

এম আবুহেনা সাগর,ঈদগাঁও ১২ মে ১৯

জেলা সদরের বৃহত্তর ঈদগাঁওতে প্রতিবছরের ধারাবাহিকতায় এবারও রমজানে যানজট এবং লোডশেডিং নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কর্মজীবি মানুষসহ রোজাদারেরা। একদিকে অসহ্য গরম, অন্যদিকে কর্মব্যস্ততা শেষে বাড়ীতে ফিরে পরিবারের সঙ্গে ইফতার করার তাড়া থাকে কর্মজীবী রোজাদারদের। কিন্তু যানজটে অনেক কে পথেই ইফতারি সারতে হয়। ধর্মপ্রাণ মুসলিম দের এ যানজট ভোগান্তি কমাতে কোন উদ্যোগই নেই স্থানীয় প্রশাসনের। প্রতিবারই পত্রপত্রিকায় লেখালেখি হলেও টনক নড়েনা সংশ্লিষ্ঠদের। যত্রতত্র স্থানে যানজট,লোডশেডিংয়ের কারনে হাঁপিয়ে উঠছে সাধারন মানুষ।

সরেজমিনে দেখা যায়,রমজানের শুরু থেকে  ঈদগাঁওজুড়ে বাড়তে থাকে যানজট। ভোগান্তিতে নাকাল বাজারবাসী। যেন থমকে যাচ্ছে অলি গলি। এ যানজট অসহনীয় মাত্রায় পৌঁছে গেছে বলে জানান পথচারীরা। যানজট নিত্যদিনের ব্যাপার হলেও রমজানে ব্যবসায়ীদের আদান প্রদান ব্যস্ততা বেড়ে যাওয়ায় আরো দিগুন বৃদ্ধি পেয়েছে যানজট। এ যেন মড়ার উপর খাড়ার ঘা। বলতে গেলে কোনোভাবেই থামানো যাচ্ছে না যানজট। ঈদগাঁও বাজারবাসীর দীর্ঘদিনের নাগরিক সমস্যা বেড়েই চলছে। ট্রাফিক ব্যবস্থা না থাকায় নিয়ন্ত্রণে আসছে না যানজট।

তবে যানজটের প্রধান কারন হচ্ছে টমটমের সংখ্যা বৃদ্ধি আর ফুটপাত দখল। যানজটে সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে স্থানীয় ও বাইরে থেকে আসা লোকজনকে। বাজারের প্রধান সড়কসহ অলিগলিজুড়ে যানজট লেগে থাকে প্রায়শ। বিশেষ করে তীব্র আকার ধারণ করেছে টমটম আর রিক্সাজট। এতে চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন ঈদগাঁওবাসী। একদিকে গরমের তীব্রতা অন্যদিকে মারাত্মক যানজট। সব মিলিয়ে নাকাল এলাকাবাসী। ৫ মিনিটের পথ পাড়ি দিতে সময় লাগছে প্রায় আধঘন্টার বেশি সময়। বিকাল থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত ঈদগাঁও বাসষ্টেশন,হাইস্কুল গেইট সংলগ্ন ত্রিমুখী পয়েন্ট,

শাপলা চত্তর,ভূমি অফিস সংলগ্ন ত্রিমুখী স্থানসহ বাজারের অলিগলিতে বিকেল থেকে ইফতারীর আগমুহুর্তে যানজট লেগেই থাকে। এতে যেমন মানুষের কর্মঘণ্টা নষ্ট হচ্ছে,তেমনি ব্যাঘাত ঘটছে নিত্যনৈমত্তিক কাজে।

সুত্র মতে,রমজান মাসে ব্যবসা-বাণিজ্য বেড়ে যায়। বিভিন্ন ব্যবসায়ী ও ক্রেতা সাধারণ জেলা সদরের বৃহৎ বানিজ্যিক শহর ঈদগাঁও বাজারে আসতে শুরু করে। অন্যদিকে কাঁচাবাজার এবং বাজারের দক্ষিন পাশ্বর্স্থ বড় বড় মুদির দোকান গুলোতে চট্রগ্রাম থেকে মালামাল নিয়ে দৈনিক প্রায় ১৫/২০টির মত ট্রাক প্রবেশ করে। সেগুলো মালামাল আনলোড করতে দুপুর গড়িয়ে যায়। যার কারনে বাজারে বিভিন্ন গ্রামাঞ্চল থেকে টম টম ও রিকসা আসাতে বড় ট্রাকের সাথে যান জট লেগে যায়। এসব বিষয়ে দেখার কেউ না থাকায় হতাশ হয়ে পড়েছেন বাজারে আগত লোকজন।

কাসেম ও রিয়াদ জানিয়েছেন, দক্ষিন চট্রলার বৃহৎ বানিজ্যিক শহর ঈদগাঁও বাজারে নেই কোন প্রকার ট্রাফিক পুলিশ। ঈদগাঁও বাজার ব্যবসায়ী পরিচালনা পরিষদ নামে থাকলেও কাজে নেই এমন অবস্থা।
যার দরুন দায়িত্ব পালনে গাফিলতি,অবহেলা কেও যানজটের জন্য দায়ী করছেন।

পাশাপাশি ঈদগাঁওতে শুধু টমটম আর রিক্সা নয় প্রতিনিয়ত যেখানে সেখানে পার্কিং করে মাহিন্দ্রা, সিএনজিসহ অন্যন্য যানবাহন যাত্রী উঠা-নামা করার কারণেও যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে।

যানজটে নাকাল ঈদগাঁওবাসীকে চরম দুর্ভোগের শিকার হতে হচ্ছে। যা রমজানে তীব্র আকার ধারন করছে।  ঈদগাঁওর প্রধান সড়কসহ বিভিন্ন অলিগলি ঘুরে যার আসল চিত্রই ফুটে উঠেছে।

জেলা লেখক সোসাইটির সাবেক সভাপতির মতে,যানজট সমস্যা নিরসন করতে পারবে ট্রাফিক পুলিশ। পাশাপাশি বাজার কমিটিকেও আরো উদ্যেমী হতে হবে। না হয় বাজার ভিক্তিক সমস্যার সমাধান কখনো সম্ভব নয়।

ঈদগাঁও বাজার ব্যবসায়ী পরিচালনা পরিষদের সভাপতি সিরাজুল ইসলামের মুঠোফোনে সংযোগ না পাওয়ায় তাঁর বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

এ বিভাগের আরো সংবাদ
নিবন্ধনের জন্য আবেদিত
Design and Develop By MONTAKIM
themesba-lates1749691102